
শেয়ারবাজারে দীর্ঘদিন ধরে লোকসান, লেনদেনের স্থবিরতা ও আর্থিক চাপের মধ্যে থাকা ১১টি বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত পরিকল্পনা জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সংকট মোকাবিলা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে এসব প্রতিষ্ঠানকে বিজনেস কন্টিনিউটি প্ল্যান (বিসিপি) দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিএসইসির মার্কেট অ্যান্ড ইন্টারমিডিয়ারিজ অ্যাফেয়ার্স বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে লোকসান ও কার্যক্রমে স্থবিরতার কারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাদের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নিতে চায়।
চিঠিতে উল্লেখ করা ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ৬টি ব্রোকারেজ হাউজ, ৪টি মার্চেন্ট ব্যাংক এবং ১টি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। ব্রোকারেজ হাউজগুলো হলো— প্রিমিয়ার লিজিং সিকিউরিটিজ ব্রোকিং লিমিটেড, প্রিমিয়ার লিজিং সিকিউরিটিজ, ফারইস্ট স্টক অ্যান্ড বন্ডস লিমিটেড, পিএফআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আভিভা ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজ লিমিটেড।
মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে-আইএল ক্যাপিটাল লিমিটেড, পিএলএফএস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং এফএএস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির তালিকায় রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
জানা গেছে, এর আগেও গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর একাধিক ব্রোকারেজ হাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক ও অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির কাছে বিজনেস কন্টিনিউটি প্ল্যান চেয়ে চিঠি দিয়েছিল বিএসইসি। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা না দেওয়ায় কমিশনের উদ্বেগ বাড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই পুনরায় চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কমিশনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সভায় শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট সব সাবসিডিয়ারি ও অ্যাসোসিয়েট প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ভবিষ্যৎ কার্যক্রমসংক্রান্ত বিস্তারিত পরিকল্পনা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঠানো চিঠির জবাব সময়মতো না পাওয়ায় এবার বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় বিজনেস কন্টিনিউটি প্ল্যান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে এর ঘাটতি বিনিয়োগকারী সুরক্ষা ও বাজার স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
এ কারণে চিঠি জারির সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র কমিশনে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা মানা না হলে প্রশাসনিক কিংবা বিধিগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সাম্প্রতিক সময়ে বিএসইসি নজরদারি বাড়িয়েছে। লোকসানি ও স্থবির মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা যাচাই সেই উদ্যোগেরই অংশ। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটলে বিনিয়োগকারী ও সামগ্রিক বাজার ব্যবস্থার ওপর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।

শেয়ারবাজারে দীর্ঘদিন ধরে লোকসান, লেনদেনের স্থবিরতা ও আর্থিক চাপের মধ্যে থাকা ১১টি বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত পরিকল্পনা জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সংকট মোকাবিলা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে এসব প্রতিষ্ঠানকে বিজনেস কন্টিনিউটি প্ল্যান (বিসিপি) দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিএসইসির মার্কেট অ্যান্ড ইন্টারমিডিয়ারিজ অ্যাফেয়ার্স বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে লোকসান ও কার্যক্রমে স্থবিরতার কারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাদের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নিতে চায়।
চিঠিতে উল্লেখ করা ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ৬টি ব্রোকারেজ হাউজ, ৪টি মার্চেন্ট ব্যাংক এবং ১টি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। ব্রোকারেজ হাউজগুলো হলো— প্রিমিয়ার লিজিং সিকিউরিটিজ ব্রোকিং লিমিটেড, প্রিমিয়ার লিজিং সিকিউরিটিজ, ফারইস্ট স্টক অ্যান্ড বন্ডস লিমিটেড, পিএফআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আভিভা ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজ লিমিটেড।
মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে-আইএল ক্যাপিটাল লিমিটেড, পিএলএফএস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং এফএএস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির তালিকায় রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
জানা গেছে, এর আগেও গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর একাধিক ব্রোকারেজ হাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক ও অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির কাছে বিজনেস কন্টিনিউটি প্ল্যান চেয়ে চিঠি দিয়েছিল বিএসইসি। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা না দেওয়ায় কমিশনের উদ্বেগ বাড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই পুনরায় চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কমিশনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সভায় শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট সব সাবসিডিয়ারি ও অ্যাসোসিয়েট প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ভবিষ্যৎ কার্যক্রমসংক্রান্ত বিস্তারিত পরিকল্পনা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঠানো চিঠির জবাব সময়মতো না পাওয়ায় এবার বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় বিজনেস কন্টিনিউটি প্ল্যান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে এর ঘাটতি বিনিয়োগকারী সুরক্ষা ও বাজার স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
এ কারণে চিঠি জারির সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র কমিশনে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা মানা না হলে প্রশাসনিক কিংবা বিধিগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সাম্প্রতিক সময়ে বিএসইসি নজরদারি বাড়িয়েছে। লোকসানি ও স্থবির মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা যাচাই সেই উদ্যোগেরই অংশ। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটলে বিনিয়োগকারী ও সামগ্রিক বাজার ব্যবস্থার ওপর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।

শেয়ারবাজারে দীর্ঘদিন ধরে লোকসান, লেনদেনের স্থবিরতা ও আর্থিক চাপের মধ্যে থাকা ১১টি বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত পরিকল্পনা জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সংকট মোকাবিলা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে এসব প্রতিষ্ঠানকে বিজনেস কন্টিনিউটি প্ল্যান (বিসিপি) দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিএসইসির মার্কেট অ্যান্ড ইন্টারমিডিয়ারিজ অ্যাফেয়ার্স বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে লোকসান ও কার্যক্রমে স্থবিরতার কারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাদের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নিতে চায়।
চিঠিতে উল্লেখ করা ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ৬টি ব্রোকারেজ হাউজ, ৪টি মার্চেন্ট ব্যাংক এবং ১টি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। ব্রোকারেজ হাউজগুলো হলো— প্রিমিয়ার লিজিং সিকিউরিটিজ ব্রোকিং লিমিটেড, প্রিমিয়ার লিজিং সিকিউরিটিজ, ফারইস্ট স্টক অ্যান্ড বন্ডস লিমিটেড, পিএফআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আভিভা ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজ লিমিটেড।
মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে-আইএল ক্যাপিটাল লিমিটেড, পিএলএফএস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং এফএএস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির তালিকায় রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
জানা গেছে, এর আগেও গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর একাধিক ব্রোকারেজ হাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক ও অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির কাছে বিজনেস কন্টিনিউটি প্ল্যান চেয়ে চিঠি দিয়েছিল বিএসইসি। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা না দেওয়ায় কমিশনের উদ্বেগ বাড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই পুনরায় চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কমিশনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সভায় শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট সব সাবসিডিয়ারি ও অ্যাসোসিয়েট প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ভবিষ্যৎ কার্যক্রমসংক্রান্ত বিস্তারিত পরিকল্পনা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঠানো চিঠির জবাব সময়মতো না পাওয়ায় এবার বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় বিজনেস কন্টিনিউটি প্ল্যান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে এর ঘাটতি বিনিয়োগকারী সুরক্ষা ও বাজার স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
এ কারণে চিঠি জারির সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র কমিশনে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা মানা না হলে প্রশাসনিক কিংবা বিধিগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সাম্প্রতিক সময়ে বিএসইসি নজরদারি বাড়িয়েছে। লোকসানি ও স্থবির মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা যাচাই সেই উদ্যোগেরই অংশ। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটলে বিনিয়োগকারী ও সামগ্রিক বাজার ব্যবস্থার ওপর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।

শেয়ারবাজারে দীর্ঘদিন ধরে লোকসান, লেনদেনের স্থবিরতা ও আর্থিক চাপের মধ্যে থাকা ১১টি বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত পরিকল্পনা জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সংকট মোকাবিলা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে এসব প্রতিষ্ঠানকে বিজনেস কন্টিনিউটি প্ল্যান (বিসিপি) দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিএসইসির মার্কেট অ্যান্ড ইন্টারমিডিয়ারিজ অ্যাফেয়ার্স বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে লোকসান ও কার্যক্রমে স্থবিরতার কারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাদের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নিতে চায়।
চিঠিতে উল্লেখ করা ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ৬টি ব্রোকারেজ হাউজ, ৪টি মার্চেন্ট ব্যাংক এবং ১টি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। ব্রোকারেজ হাউজগুলো হলো— প্রিমিয়ার লিজিং সিকিউরিটিজ ব্রোকিং লিমিটেড, প্রিমিয়ার লিজিং সিকিউরিটিজ, ফারইস্ট স্টক অ্যান্ড বন্ডস লিমিটেড, পিএফআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আভিভা ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজ লিমিটেড।
মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে-আইএল ক্যাপিটাল লিমিটেড, পিএলএফএস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং এফএএস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির তালিকায় রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
জানা গেছে, এর আগেও গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর একাধিক ব্রোকারেজ হাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক ও অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির কাছে বিজনেস কন্টিনিউটি প্ল্যান চেয়ে চিঠি দিয়েছিল বিএসইসি। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা না দেওয়ায় কমিশনের উদ্বেগ বাড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই পুনরায় চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কমিশনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সভায় শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট সব সাবসিডিয়ারি ও অ্যাসোসিয়েট প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ভবিষ্যৎ কার্যক্রমসংক্রান্ত বিস্তারিত পরিকল্পনা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঠানো চিঠির জবাব সময়মতো না পাওয়ায় এবার বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় বিজনেস কন্টিনিউটি প্ল্যান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে এর ঘাটতি বিনিয়োগকারী সুরক্ষা ও বাজার স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
এ কারণে চিঠি জারির সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র কমিশনে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা মানা না হলে প্রশাসনিক কিংবা বিধিগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সাম্প্রতিক সময়ে বিএসইসি নজরদারি বাড়িয়েছে। লোকসানি ও স্থবির মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা যাচাই সেই উদ্যোগেরই অংশ। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটলে বিনিয়োগকারী ও সামগ্রিক বাজার ব্যবস্থার ওপর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!