
দেশের পাঁচ জেলায় পৃথক ঘটনায় বজ্রাঘাতে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত গাইবান্ধা, জামালপুর, পঞ্চগড়, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলায় এ ঘটনাগুলো ঘটে।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বজ্রাঘাতে চাচা-ভাতিজাসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন ফুয়াদ মিয়া, রাফি মিয়া ও মিজানুর রহমান। এ ঘটনায় শামীম মিয়া নামে আরও একজন আহত হয়েছেন। একই সময়ে একটি গরুও মারা যায়। পরে জেলার ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় আরও দুজন নিহত হন। ফলে জেলায় মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
জামালপুরে পৃথক স্থানে বজ্রাঘাতে এক কৃষক ও এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন সদর উপজেলার হাসমত আলী ও মেলান্দহ উপজেলার মর্জিনা বেগম। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। এছাড়া দেওয়ানগঞ্জে বজ্রাঘাতে চারটি গরু মারা গেছে।
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় চা-বাগানে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে সারওয়ারদ্দী (২৪) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুই শ্রমিক আহত হয়েছেন।
নাটোরের সিংড়া উপজেলায় ধান কাটার সময় বজ্রাঘাতে সম্রাট (২৬) নামে এক কৃষি শ্রমিক মারা যান। তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সিরাজগঞ্জে পৃথক ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাড়াশ উপজেলার আব্দুল হামিদ (৫০) এবং রায়গঞ্জ উপজেলার হাসান শেখ (২৫) বজ্রাঘাতে প্রাণ হারান।
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ জানিয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ঝড়-বৃষ্টির সময় খোলা মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় নিহতদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা এড়িয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা এবং আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

দেশের পাঁচ জেলায় পৃথক ঘটনায় বজ্রাঘাতে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত গাইবান্ধা, জামালপুর, পঞ্চগড়, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলায় এ ঘটনাগুলো ঘটে।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বজ্রাঘাতে চাচা-ভাতিজাসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন ফুয়াদ মিয়া, রাফি মিয়া ও মিজানুর রহমান। এ ঘটনায় শামীম মিয়া নামে আরও একজন আহত হয়েছেন। একই সময়ে একটি গরুও মারা যায়। পরে জেলার ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় আরও দুজন নিহত হন। ফলে জেলায় মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
জামালপুরে পৃথক স্থানে বজ্রাঘাতে এক কৃষক ও এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন সদর উপজেলার হাসমত আলী ও মেলান্দহ উপজেলার মর্জিনা বেগম। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। এছাড়া দেওয়ানগঞ্জে বজ্রাঘাতে চারটি গরু মারা গেছে।
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় চা-বাগানে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে সারওয়ারদ্দী (২৪) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুই শ্রমিক আহত হয়েছেন।
নাটোরের সিংড়া উপজেলায় ধান কাটার সময় বজ্রাঘাতে সম্রাট (২৬) নামে এক কৃষি শ্রমিক মারা যান। তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সিরাজগঞ্জে পৃথক ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাড়াশ উপজেলার আব্দুল হামিদ (৫০) এবং রায়গঞ্জ উপজেলার হাসান শেখ (২৫) বজ্রাঘাতে প্রাণ হারান।
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ জানিয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ঝড়-বৃষ্টির সময় খোলা মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় নিহতদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা এড়িয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা এবং আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

দেশের পাঁচ জেলায় পৃথক ঘটনায় বজ্রাঘাতে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত গাইবান্ধা, জামালপুর, পঞ্চগড়, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলায় এ ঘটনাগুলো ঘটে।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বজ্রাঘাতে চাচা-ভাতিজাসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন ফুয়াদ মিয়া, রাফি মিয়া ও মিজানুর রহমান। এ ঘটনায় শামীম মিয়া নামে আরও একজন আহত হয়েছেন। একই সময়ে একটি গরুও মারা যায়। পরে জেলার ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় আরও দুজন নিহত হন। ফলে জেলায় মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
জামালপুরে পৃথক স্থানে বজ্রাঘাতে এক কৃষক ও এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন সদর উপজেলার হাসমত আলী ও মেলান্দহ উপজেলার মর্জিনা বেগম। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। এছাড়া দেওয়ানগঞ্জে বজ্রাঘাতে চারটি গরু মারা গেছে।
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় চা-বাগানে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে সারওয়ারদ্দী (২৪) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুই শ্রমিক আহত হয়েছেন।
নাটোরের সিংড়া উপজেলায় ধান কাটার সময় বজ্রাঘাতে সম্রাট (২৬) নামে এক কৃষি শ্রমিক মারা যান। তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সিরাজগঞ্জে পৃথক ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাড়াশ উপজেলার আব্দুল হামিদ (৫০) এবং রায়গঞ্জ উপজেলার হাসান শেখ (২৫) বজ্রাঘাতে প্রাণ হারান।
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ জানিয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ঝড়-বৃষ্টির সময় খোলা মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় নিহতদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা এড়িয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা এবং আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

দেশের পাঁচ জেলায় পৃথক ঘটনায় বজ্রাঘাতে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত গাইবান্ধা, জামালপুর, পঞ্চগড়, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলায় এ ঘটনাগুলো ঘটে।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বজ্রাঘাতে চাচা-ভাতিজাসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন ফুয়াদ মিয়া, রাফি মিয়া ও মিজানুর রহমান। এ ঘটনায় শামীম মিয়া নামে আরও একজন আহত হয়েছেন। একই সময়ে একটি গরুও মারা যায়। পরে জেলার ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় আরও দুজন নিহত হন। ফলে জেলায় মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
জামালপুরে পৃথক স্থানে বজ্রাঘাতে এক কৃষক ও এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন সদর উপজেলার হাসমত আলী ও মেলান্দহ উপজেলার মর্জিনা বেগম। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। এছাড়া দেওয়ানগঞ্জে বজ্রাঘাতে চারটি গরু মারা গেছে।
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় চা-বাগানে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে সারওয়ারদ্দী (২৪) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুই শ্রমিক আহত হয়েছেন।
নাটোরের সিংড়া উপজেলায় ধান কাটার সময় বজ্রাঘাতে সম্রাট (২৬) নামে এক কৃষি শ্রমিক মারা যান। তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সিরাজগঞ্জে পৃথক ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাড়াশ উপজেলার আব্দুল হামিদ (৫০) এবং রায়গঞ্জ উপজেলার হাসান শেখ (২৫) বজ্রাঘাতে প্রাণ হারান।
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ জানিয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ঝড়-বৃষ্টির সময় খোলা মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় নিহতদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা এড়িয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা এবং আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!