দেশে একদিনে হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্তের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১ হাজার ৫৬৪ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যা একদিনে সর্বোচ্চ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-এর কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে ১৪৩ জন নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্ত এবং ১ হাজার ৪২১ জন সন্দেহভাজন রোগী। একই সময়ে হাম ও হাম সন্দেহে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে একজন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে আরও বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৪৩ জন এবং হাম সন্দেহে ২১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
মৃত্যুর হার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সর্বোচ্চ মৃত্যু ঘটেছে ঢাকাতে। এখানে হাম সন্দেহে ১০২ শিশু এবং নিশ্চিত হামে ২৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
একই সময়ে (১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল) দেশে মোট ৩২ হাজার ২৮ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬০৩ জনে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার এবং জনসচেতনতা বাড়ানো এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।
দেশে একদিনে হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্তের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১ হাজার ৫৬৪ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যা একদিনে সর্বোচ্চ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-এর কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে ১৪৩ জন নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্ত এবং ১ হাজার ৪২১ জন সন্দেহভাজন রোগী। একই সময়ে হাম ও হাম সন্দেহে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে একজন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে আরও বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৪৩ জন এবং হাম সন্দেহে ২১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
মৃত্যুর হার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সর্বোচ্চ মৃত্যু ঘটেছে ঢাকাতে। এখানে হাম সন্দেহে ১০২ শিশু এবং নিশ্চিত হামে ২৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
একই সময়ে (১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল) দেশে মোট ৩২ হাজার ২৮ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬০৩ জনে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার এবং জনসচেতনতা বাড়ানো এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।
দেশে একদিনে হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্তের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১ হাজার ৫৬৪ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যা একদিনে সর্বোচ্চ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-এর কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে ১৪৩ জন নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্ত এবং ১ হাজার ৪২১ জন সন্দেহভাজন রোগী। একই সময়ে হাম ও হাম সন্দেহে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে একজন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে আরও বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৪৩ জন এবং হাম সন্দেহে ২১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
মৃত্যুর হার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সর্বোচ্চ মৃত্যু ঘটেছে ঢাকাতে। এখানে হাম সন্দেহে ১০২ শিশু এবং নিশ্চিত হামে ২৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
একই সময়ে (১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল) দেশে মোট ৩২ হাজার ২৮ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬০৩ জনে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার এবং জনসচেতনতা বাড়ানো এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।
দেশে একদিনে হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্তের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১ হাজার ৫৬৪ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যা একদিনে সর্বোচ্চ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-এর কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে ১৪৩ জন নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্ত এবং ১ হাজার ৪২১ জন সন্দেহভাজন রোগী। একই সময়ে হাম ও হাম সন্দেহে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে একজন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে আরও বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৪৩ জন এবং হাম সন্দেহে ২১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
মৃত্যুর হার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সর্বোচ্চ মৃত্যু ঘটেছে ঢাকাতে। এখানে হাম সন্দেহে ১০২ শিশু এবং নিশ্চিত হামে ২৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
একই সময়ে (১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল) দেশে মোট ৩২ হাজার ২৮ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬০৩ জনে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার এবং জনসচেতনতা বাড়ানো এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!