পর্যটন খাতে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) অবদান ৩ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার এককভাবে নয়, বেসরকারি খাতসহ পর্যটনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, পর্যটনের বিকাশে জাতীয় পর্যটন কাউন্সিল (এনটিসি) গঠন করা হয়েছে। বিশ্ব পর্যটন দিবসের আলোচনায় উঠে আসা বিভিন্ন পরামর্শ কাউন্সিলে তুলে ধরে সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের পরিকল্পনায় পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা, নদী ও জলভিত্তিক পর্যটনের প্রসার এবং বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। দেশের পর্যটন খাতকে আধুনিক, টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার।
রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, কক্সবাজারকে আঞ্চলিক পর্যটন হাবে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে কক্সবাজারের নতুন বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার কাজ চলছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ থেকে সরাসরি কক্সবাজারে ফ্লাইট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে বিদেশি পর্যটকেরা সরাসরি সেখানে আসতে পারেন।
তিনি বলেন, কক্সবাজার, সুন্দরবন, নদী, পাহাড়, বন ও সমুদ্রসহ বাংলাদেশের পর্যটনে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। প্রায় ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্রসৈকতসহ এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে পর্যটন খাতের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ তৈরি করা সম্ভব।
বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পটে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি), যৌথ উদ্যোগ কিংবা ইজারার মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে এলে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার বলেন, এবারই প্রথম বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মতবিনিময় সভা ও প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে পর্যটন খাতের অংশীজনদের মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’। এ বিষয়ে উপস্থাপিত গবেষণাপত্রের সুপারিশ সরকার ও বেসরকারি খাতের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাস্তবায়ন করা হবে।
সচিব জানান, ভিসা নীতি পরিবর্তনের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন আইন ও বিধিমালা হালনাগাদের কাজ চলছে। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পর্যটনকে গুরুত্ব দিয়ে জাতীয় পর্যটন নীতি-২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে। কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম, ওয়াটার ট্যুরিজম ও ব্যাকওয়াটার ট্যুরিজমের গাইডলাইন প্রণয়ন করা হয়েছে এবং পর্যটন মহাপরিকল্পনা হালনাগাদের কাজ চলছে।
অনুষ্ঠানে এবারই প্রথম ১৩টি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার দেওয়া হয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন পর্যটনমন্ত্রী।
বর্ষসেরা টেকসই পর্যটন উদ্যোগের পুরস্কার পেয়েছে শাখাওয়াত’স সিক্স কন্ট্রোল পয়েন্ট ফর ফুড কস্ট অপটিমাইজেশন। এর উদ্ভাবক মো. শাখাওয়াত হোসেন মন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।
বর্ষসেরা পাঁচ তারকা হোটেল নির্বাচিত হয়েছে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা। চার তারকা হোটেল হিসেবে হোটেল আগ্রাবাদ এবং তিন তারকা হোটেল হিসেবে হানসা-এ প্রিমিয়াম রেসিডেন্স বাই ইউএইচপিএলসি পুরস্কার পেয়েছে।
বর্ষসেরা ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটর হয়েছে দ্য বেঙ্গল ট্যুরস লিমিটেড এবং বর্ষসেরা ডোমেস্টিক ট্যুর অপারেটর শেয়ারট্রিপ লিমিটেড। বর্ষসেরা বিনোদন পার্কের পুরস্কার পেয়েছে ফ্যান্টাসি কিংডম কমপ্লেক্স। বর্ষসেরা তরুণ পর্যটন উদ্যোক্তা হয়েছেন বাংলাদেশ ইকো অ্যাডভেঞ্চারের মেহেদী হাসান।
বর্ষসেরা হোমস্টে হয়েছে চারুবালা হোমস্টে অ্যান্ড ট্যুরস। বর্ষসেরা ট্যুরিজম কনটেন্ট ক্রিয়েটর হয়েছেন আবু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন (সুমন)। বর্ষসেরা পর্যটন প্রযুক্তিবিষয়ক উদ্যোগের পুরস্কার পেয়েছে বিডি টিকেটস এবং বর্ষসেরা পর্যটন নারী উদ্যোক্তা নির্বাচিত হয়েছেন নুরানী শারমিন আফরোজ।
এ ছাড়া বর্ষসেরা ট্যুরিস্ট ভেসেল হিসেবে এমভি মালঙ্গী, বর্ষসেরা ট্যুর গাইড হিসেবে মো. সারোয়ার জাহান এবং বর্ষসেরা মাইস উদ্যোগ হিসেবে সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড পুরস্কার পেয়েছে। বর্ষসেরা পর্যটন সাংবাদিকতা পুরস্কার পেয়েছেন মো. নাঈম উল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এমপি, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুর রউফ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি জি এম আজিজুর রহমান এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকীসহ পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
পর্যটন খাতে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) অবদান ৩ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার এককভাবে নয়, বেসরকারি খাতসহ পর্যটনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, পর্যটনের বিকাশে জাতীয় পর্যটন কাউন্সিল (এনটিসি) গঠন করা হয়েছে। বিশ্ব পর্যটন দিবসের আলোচনায় উঠে আসা বিভিন্ন পরামর্শ কাউন্সিলে তুলে ধরে সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের পরিকল্পনায় পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা, নদী ও জলভিত্তিক পর্যটনের প্রসার এবং বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। দেশের পর্যটন খাতকে আধুনিক, টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার।
রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, কক্সবাজারকে আঞ্চলিক পর্যটন হাবে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে কক্সবাজারের নতুন বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার কাজ চলছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ থেকে সরাসরি কক্সবাজারে ফ্লাইট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে বিদেশি পর্যটকেরা সরাসরি সেখানে আসতে পারেন।
তিনি বলেন, কক্সবাজার, সুন্দরবন, নদী, পাহাড়, বন ও সমুদ্রসহ বাংলাদেশের পর্যটনে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। প্রায় ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্রসৈকতসহ এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে পর্যটন খাতের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ তৈরি করা সম্ভব।
বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পটে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি), যৌথ উদ্যোগ কিংবা ইজারার মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে এলে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার বলেন, এবারই প্রথম বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মতবিনিময় সভা ও প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে পর্যটন খাতের অংশীজনদের মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’। এ বিষয়ে উপস্থাপিত গবেষণাপত্রের সুপারিশ সরকার ও বেসরকারি খাতের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাস্তবায়ন করা হবে।
সচিব জানান, ভিসা নীতি পরিবর্তনের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন আইন ও বিধিমালা হালনাগাদের কাজ চলছে। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পর্যটনকে গুরুত্ব দিয়ে জাতীয় পর্যটন নীতি-২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে। কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম, ওয়াটার ট্যুরিজম ও ব্যাকওয়াটার ট্যুরিজমের গাইডলাইন প্রণয়ন করা হয়েছে এবং পর্যটন মহাপরিকল্পনা হালনাগাদের কাজ চলছে।
অনুষ্ঠানে এবারই প্রথম ১৩টি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার দেওয়া হয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন পর্যটনমন্ত্রী।
বর্ষসেরা টেকসই পর্যটন উদ্যোগের পুরস্কার পেয়েছে শাখাওয়াত’স সিক্স কন্ট্রোল পয়েন্ট ফর ফুড কস্ট অপটিমাইজেশন। এর উদ্ভাবক মো. শাখাওয়াত হোসেন মন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।
বর্ষসেরা পাঁচ তারকা হোটেল নির্বাচিত হয়েছে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা। চার তারকা হোটেল হিসেবে হোটেল আগ্রাবাদ এবং তিন তারকা হোটেল হিসেবে হানসা-এ প্রিমিয়াম রেসিডেন্স বাই ইউএইচপিএলসি পুরস্কার পেয়েছে।
বর্ষসেরা ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটর হয়েছে দ্য বেঙ্গল ট্যুরস লিমিটেড এবং বর্ষসেরা ডোমেস্টিক ট্যুর অপারেটর শেয়ারট্রিপ লিমিটেড। বর্ষসেরা বিনোদন পার্কের পুরস্কার পেয়েছে ফ্যান্টাসি কিংডম কমপ্লেক্স। বর্ষসেরা তরুণ পর্যটন উদ্যোক্তা হয়েছেন বাংলাদেশ ইকো অ্যাডভেঞ্চারের মেহেদী হাসান।
বর্ষসেরা হোমস্টে হয়েছে চারুবালা হোমস্টে অ্যান্ড ট্যুরস। বর্ষসেরা ট্যুরিজম কনটেন্ট ক্রিয়েটর হয়েছেন আবু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন (সুমন)। বর্ষসেরা পর্যটন প্রযুক্তিবিষয়ক উদ্যোগের পুরস্কার পেয়েছে বিডি টিকেটস এবং বর্ষসেরা পর্যটন নারী উদ্যোক্তা নির্বাচিত হয়েছেন নুরানী শারমিন আফরোজ।
এ ছাড়া বর্ষসেরা ট্যুরিস্ট ভেসেল হিসেবে এমভি মালঙ্গী, বর্ষসেরা ট্যুর গাইড হিসেবে মো. সারোয়ার জাহান এবং বর্ষসেরা মাইস উদ্যোগ হিসেবে সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড পুরস্কার পেয়েছে। বর্ষসেরা পর্যটন সাংবাদিকতা পুরস্কার পেয়েছেন মো. নাঈম উল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এমপি, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুর রউফ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি জি এম আজিজুর রহমান এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকীসহ পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
পর্যটন খাতে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) অবদান ৩ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার এককভাবে নয়, বেসরকারি খাতসহ পর্যটনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, পর্যটনের বিকাশে জাতীয় পর্যটন কাউন্সিল (এনটিসি) গঠন করা হয়েছে। বিশ্ব পর্যটন দিবসের আলোচনায় উঠে আসা বিভিন্ন পরামর্শ কাউন্সিলে তুলে ধরে সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের পরিকল্পনায় পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা, নদী ও জলভিত্তিক পর্যটনের প্রসার এবং বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। দেশের পর্যটন খাতকে আধুনিক, টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার।
রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, কক্সবাজারকে আঞ্চলিক পর্যটন হাবে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে কক্সবাজারের নতুন বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার কাজ চলছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ থেকে সরাসরি কক্সবাজারে ফ্লাইট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে বিদেশি পর্যটকেরা সরাসরি সেখানে আসতে পারেন।
তিনি বলেন, কক্সবাজার, সুন্দরবন, নদী, পাহাড়, বন ও সমুদ্রসহ বাংলাদেশের পর্যটনে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। প্রায় ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্রসৈকতসহ এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে পর্যটন খাতের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ তৈরি করা সম্ভব।
বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পটে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি), যৌথ উদ্যোগ কিংবা ইজারার মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে এলে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার বলেন, এবারই প্রথম বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মতবিনিময় সভা ও প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে পর্যটন খাতের অংশীজনদের মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’। এ বিষয়ে উপস্থাপিত গবেষণাপত্রের সুপারিশ সরকার ও বেসরকারি খাতের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাস্তবায়ন করা হবে।
সচিব জানান, ভিসা নীতি পরিবর্তনের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন আইন ও বিধিমালা হালনাগাদের কাজ চলছে। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পর্যটনকে গুরুত্ব দিয়ে জাতীয় পর্যটন নীতি-২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে। কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম, ওয়াটার ট্যুরিজম ও ব্যাকওয়াটার ট্যুরিজমের গাইডলাইন প্রণয়ন করা হয়েছে এবং পর্যটন মহাপরিকল্পনা হালনাগাদের কাজ চলছে।
অনুষ্ঠানে এবারই প্রথম ১৩টি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার দেওয়া হয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন পর্যটনমন্ত্রী।
বর্ষসেরা টেকসই পর্যটন উদ্যোগের পুরস্কার পেয়েছে শাখাওয়াত’স সিক্স কন্ট্রোল পয়েন্ট ফর ফুড কস্ট অপটিমাইজেশন। এর উদ্ভাবক মো. শাখাওয়াত হোসেন মন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।
বর্ষসেরা পাঁচ তারকা হোটেল নির্বাচিত হয়েছে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা। চার তারকা হোটেল হিসেবে হোটেল আগ্রাবাদ এবং তিন তারকা হোটেল হিসেবে হানসা-এ প্রিমিয়াম রেসিডেন্স বাই ইউএইচপিএলসি পুরস্কার পেয়েছে।
বর্ষসেরা ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটর হয়েছে দ্য বেঙ্গল ট্যুরস লিমিটেড এবং বর্ষসেরা ডোমেস্টিক ট্যুর অপারেটর শেয়ারট্রিপ লিমিটেড। বর্ষসেরা বিনোদন পার্কের পুরস্কার পেয়েছে ফ্যান্টাসি কিংডম কমপ্লেক্স। বর্ষসেরা তরুণ পর্যটন উদ্যোক্তা হয়েছেন বাংলাদেশ ইকো অ্যাডভেঞ্চারের মেহেদী হাসান।
বর্ষসেরা হোমস্টে হয়েছে চারুবালা হোমস্টে অ্যান্ড ট্যুরস। বর্ষসেরা ট্যুরিজম কনটেন্ট ক্রিয়েটর হয়েছেন আবু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন (সুমন)। বর্ষসেরা পর্যটন প্রযুক্তিবিষয়ক উদ্যোগের পুরস্কার পেয়েছে বিডি টিকেটস এবং বর্ষসেরা পর্যটন নারী উদ্যোক্তা নির্বাচিত হয়েছেন নুরানী শারমিন আফরোজ।
এ ছাড়া বর্ষসেরা ট্যুরিস্ট ভেসেল হিসেবে এমভি মালঙ্গী, বর্ষসেরা ট্যুর গাইড হিসেবে মো. সারোয়ার জাহান এবং বর্ষসেরা মাইস উদ্যোগ হিসেবে সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড পুরস্কার পেয়েছে। বর্ষসেরা পর্যটন সাংবাদিকতা পুরস্কার পেয়েছেন মো. নাঈম উল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এমপি, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুর রউফ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি জি এম আজিজুর রহমান এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকীসহ পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
পর্যটন খাতে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) অবদান ৩ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার এককভাবে নয়, বেসরকারি খাতসহ পর্যটনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, পর্যটনের বিকাশে জাতীয় পর্যটন কাউন্সিল (এনটিসি) গঠন করা হয়েছে। বিশ্ব পর্যটন দিবসের আলোচনায় উঠে আসা বিভিন্ন পরামর্শ কাউন্সিলে তুলে ধরে সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের পরিকল্পনায় পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা, নদী ও জলভিত্তিক পর্যটনের প্রসার এবং বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। দেশের পর্যটন খাতকে আধুনিক, টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার।
রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, কক্সবাজারকে আঞ্চলিক পর্যটন হাবে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে কক্সবাজারের নতুন বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার কাজ চলছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ থেকে সরাসরি কক্সবাজারে ফ্লাইট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে বিদেশি পর্যটকেরা সরাসরি সেখানে আসতে পারেন।
তিনি বলেন, কক্সবাজার, সুন্দরবন, নদী, পাহাড়, বন ও সমুদ্রসহ বাংলাদেশের পর্যটনে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। প্রায় ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্রসৈকতসহ এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে পর্যটন খাতের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ তৈরি করা সম্ভব।
বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পটে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি), যৌথ উদ্যোগ কিংবা ইজারার মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে এলে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার বলেন, এবারই প্রথম বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মতবিনিময় সভা ও প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে পর্যটন খাতের অংশীজনদের মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’। এ বিষয়ে উপস্থাপিত গবেষণাপত্রের সুপারিশ সরকার ও বেসরকারি খাতের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাস্তবায়ন করা হবে।
সচিব জানান, ভিসা নীতি পরিবর্তনের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন আইন ও বিধিমালা হালনাগাদের কাজ চলছে। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পর্যটনকে গুরুত্ব দিয়ে জাতীয় পর্যটন নীতি-২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে। কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম, ওয়াটার ট্যুরিজম ও ব্যাকওয়াটার ট্যুরিজমের গাইডলাইন প্রণয়ন করা হয়েছে এবং পর্যটন মহাপরিকল্পনা হালনাগাদের কাজ চলছে।
অনুষ্ঠানে এবারই প্রথম ১৩টি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার দেওয়া হয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন পর্যটনমন্ত্রী।
বর্ষসেরা টেকসই পর্যটন উদ্যোগের পুরস্কার পেয়েছে শাখাওয়াত’স সিক্স কন্ট্রোল পয়েন্ট ফর ফুড কস্ট অপটিমাইজেশন। এর উদ্ভাবক মো. শাখাওয়াত হোসেন মন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।
বর্ষসেরা পাঁচ তারকা হোটেল নির্বাচিত হয়েছে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা। চার তারকা হোটেল হিসেবে হোটেল আগ্রাবাদ এবং তিন তারকা হোটেল হিসেবে হানসা-এ প্রিমিয়াম রেসিডেন্স বাই ইউএইচপিএলসি পুরস্কার পেয়েছে।
বর্ষসেরা ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটর হয়েছে দ্য বেঙ্গল ট্যুরস লিমিটেড এবং বর্ষসেরা ডোমেস্টিক ট্যুর অপারেটর শেয়ারট্রিপ লিমিটেড। বর্ষসেরা বিনোদন পার্কের পুরস্কার পেয়েছে ফ্যান্টাসি কিংডম কমপ্লেক্স। বর্ষসেরা তরুণ পর্যটন উদ্যোক্তা হয়েছেন বাংলাদেশ ইকো অ্যাডভেঞ্চারের মেহেদী হাসান।
বর্ষসেরা হোমস্টে হয়েছে চারুবালা হোমস্টে অ্যান্ড ট্যুরস। বর্ষসেরা ট্যুরিজম কনটেন্ট ক্রিয়েটর হয়েছেন আবু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন (সুমন)। বর্ষসেরা পর্যটন প্রযুক্তিবিষয়ক উদ্যোগের পুরস্কার পেয়েছে বিডি টিকেটস এবং বর্ষসেরা পর্যটন নারী উদ্যোক্তা নির্বাচিত হয়েছেন নুরানী শারমিন আফরোজ।
এ ছাড়া বর্ষসেরা ট্যুরিস্ট ভেসেল হিসেবে এমভি মালঙ্গী, বর্ষসেরা ট্যুর গাইড হিসেবে মো. সারোয়ার জাহান এবং বর্ষসেরা মাইস উদ্যোগ হিসেবে সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড পুরস্কার পেয়েছে। বর্ষসেরা পর্যটন সাংবাদিকতা পুরস্কার পেয়েছেন মো. নাঈম উল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এমপি, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুর রউফ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি জি এম আজিজুর রহমান এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকীসহ পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!