গণভোট ২০২৬ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক করতে প্রশাসনের সর্বস্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে এবারের গণভোট হবে দেশের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) গাজীপুর জেলা প্রশাসন অডিটোরিয়ামে গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বুদ্ধকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করতে প্রশাসনের সর্বস্তরের সমন্বিত প্রস্তুতি জরুরি।’ তিনি জানান, এবারের গণভোটে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকবে, দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের শরীরে বডি ক্যামেরা সংযুক্ত করা হবে এবং ভিডিও ইমেজ সংরক্ষণ করা হবে-ফলে কোনো অপরাধই আড়ালে থাকার সুযোগ পাবে না।
গাজীপুর শহর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন শহর গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব। এ জন্য সমন্বিত মাস্টার প্ল্যান প্রয়োজন। শ্রমিকদের আবাসন ও যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নও একটি বড় সংস্কারের অংশ।
সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে বিশেষ সহকারী বলেন, দেশে ক্ষমতার জন্য বারবার সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে, যেখানে একক ব্যক্তিকে অপরিসীম ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রধানমন্ত্রীর বাইরে কেউ কার্যকরভাবে কিছু করতে পারেন না। আমাদের প্রয়োজন এমন সংবিধান, যেখানে এক ব্যক্তির হাতে সব ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান সংবিধানিক কাঠামোতে দেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা কার্যকরভাবে চলছে না। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে ক্ষমতার ভারসাম্য, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা—এই তিনটি বিষয়ে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের লক্ষ্যেই গঠিত উল্লেখ করে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, সরকারের প্রধান ম্যান্ডেট হচ্ছে সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। সংস্কারে বাধা আসে, কারণ আমরা বিদ্যমান ব্যবস্থায় অভ্যস্ত। তাই দেশবাসীকে সম্পৃক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য, যাতে সংস্কার টেকসই হয়।
তিনি বলেন, ‘৫৪ বছরে যে জঞ্জাল তৈরি হয়েছে, আমরা তা দূর করতে চাই। আমাদের সন্তান ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এগোচ্ছি। এই লক্ষ্য অর্জনে আপনারা সবাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট নিশ্চিত করবেন।’
গাজীপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার তাহেরুল হক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল হাসান, স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মাদ্রাসার শিক্ষক, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে জেলার নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
গণভোট ২০২৬ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক করতে প্রশাসনের সর্বস্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে এবারের গণভোট হবে দেশের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) গাজীপুর জেলা প্রশাসন অডিটোরিয়ামে গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বুদ্ধকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করতে প্রশাসনের সর্বস্তরের সমন্বিত প্রস্তুতি জরুরি।’ তিনি জানান, এবারের গণভোটে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকবে, দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের শরীরে বডি ক্যামেরা সংযুক্ত করা হবে এবং ভিডিও ইমেজ সংরক্ষণ করা হবে-ফলে কোনো অপরাধই আড়ালে থাকার সুযোগ পাবে না।
গাজীপুর শহর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন শহর গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব। এ জন্য সমন্বিত মাস্টার প্ল্যান প্রয়োজন। শ্রমিকদের আবাসন ও যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নও একটি বড় সংস্কারের অংশ।
সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে বিশেষ সহকারী বলেন, দেশে ক্ষমতার জন্য বারবার সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে, যেখানে একক ব্যক্তিকে অপরিসীম ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রধানমন্ত্রীর বাইরে কেউ কার্যকরভাবে কিছু করতে পারেন না। আমাদের প্রয়োজন এমন সংবিধান, যেখানে এক ব্যক্তির হাতে সব ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান সংবিধানিক কাঠামোতে দেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা কার্যকরভাবে চলছে না। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে ক্ষমতার ভারসাম্য, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা—এই তিনটি বিষয়ে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের লক্ষ্যেই গঠিত উল্লেখ করে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, সরকারের প্রধান ম্যান্ডেট হচ্ছে সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। সংস্কারে বাধা আসে, কারণ আমরা বিদ্যমান ব্যবস্থায় অভ্যস্ত। তাই দেশবাসীকে সম্পৃক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য, যাতে সংস্কার টেকসই হয়।
তিনি বলেন, ‘৫৪ বছরে যে জঞ্জাল তৈরি হয়েছে, আমরা তা দূর করতে চাই। আমাদের সন্তান ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এগোচ্ছি। এই লক্ষ্য অর্জনে আপনারা সবাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট নিশ্চিত করবেন।’
গাজীপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার তাহেরুল হক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল হাসান, স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মাদ্রাসার শিক্ষক, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে জেলার নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
গণভোট ২০২৬ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক করতে প্রশাসনের সর্বস্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে এবারের গণভোট হবে দেশের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) গাজীপুর জেলা প্রশাসন অডিটোরিয়ামে গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বুদ্ধকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করতে প্রশাসনের সর্বস্তরের সমন্বিত প্রস্তুতি জরুরি।’ তিনি জানান, এবারের গণভোটে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকবে, দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের শরীরে বডি ক্যামেরা সংযুক্ত করা হবে এবং ভিডিও ইমেজ সংরক্ষণ করা হবে-ফলে কোনো অপরাধই আড়ালে থাকার সুযোগ পাবে না।
গাজীপুর শহর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন শহর গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব। এ জন্য সমন্বিত মাস্টার প্ল্যান প্রয়োজন। শ্রমিকদের আবাসন ও যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নও একটি বড় সংস্কারের অংশ।
সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে বিশেষ সহকারী বলেন, দেশে ক্ষমতার জন্য বারবার সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে, যেখানে একক ব্যক্তিকে অপরিসীম ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রধানমন্ত্রীর বাইরে কেউ কার্যকরভাবে কিছু করতে পারেন না। আমাদের প্রয়োজন এমন সংবিধান, যেখানে এক ব্যক্তির হাতে সব ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান সংবিধানিক কাঠামোতে দেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা কার্যকরভাবে চলছে না। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে ক্ষমতার ভারসাম্য, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা—এই তিনটি বিষয়ে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের লক্ষ্যেই গঠিত উল্লেখ করে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, সরকারের প্রধান ম্যান্ডেট হচ্ছে সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। সংস্কারে বাধা আসে, কারণ আমরা বিদ্যমান ব্যবস্থায় অভ্যস্ত। তাই দেশবাসীকে সম্পৃক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য, যাতে সংস্কার টেকসই হয়।
তিনি বলেন, ‘৫৪ বছরে যে জঞ্জাল তৈরি হয়েছে, আমরা তা দূর করতে চাই। আমাদের সন্তান ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এগোচ্ছি। এই লক্ষ্য অর্জনে আপনারা সবাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট নিশ্চিত করবেন।’
গাজীপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার তাহেরুল হক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল হাসান, স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মাদ্রাসার শিক্ষক, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে জেলার নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
গণভোট ২০২৬ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক করতে প্রশাসনের সর্বস্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে এবারের গণভোট হবে দেশের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) গাজীপুর জেলা প্রশাসন অডিটোরিয়ামে গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বুদ্ধকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করতে প্রশাসনের সর্বস্তরের সমন্বিত প্রস্তুতি জরুরি।’ তিনি জানান, এবারের গণভোটে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকবে, দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের শরীরে বডি ক্যামেরা সংযুক্ত করা হবে এবং ভিডিও ইমেজ সংরক্ষণ করা হবে-ফলে কোনো অপরাধই আড়ালে থাকার সুযোগ পাবে না।
গাজীপুর শহর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন শহর গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব। এ জন্য সমন্বিত মাস্টার প্ল্যান প্রয়োজন। শ্রমিকদের আবাসন ও যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নও একটি বড় সংস্কারের অংশ।
সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে বিশেষ সহকারী বলেন, দেশে ক্ষমতার জন্য বারবার সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে, যেখানে একক ব্যক্তিকে অপরিসীম ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রধানমন্ত্রীর বাইরে কেউ কার্যকরভাবে কিছু করতে পারেন না। আমাদের প্রয়োজন এমন সংবিধান, যেখানে এক ব্যক্তির হাতে সব ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান সংবিধানিক কাঠামোতে দেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা কার্যকরভাবে চলছে না। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে ক্ষমতার ভারসাম্য, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা—এই তিনটি বিষয়ে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের লক্ষ্যেই গঠিত উল্লেখ করে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, সরকারের প্রধান ম্যান্ডেট হচ্ছে সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। সংস্কারে বাধা আসে, কারণ আমরা বিদ্যমান ব্যবস্থায় অভ্যস্ত। তাই দেশবাসীকে সম্পৃক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য, যাতে সংস্কার টেকসই হয়।
তিনি বলেন, ‘৫৪ বছরে যে জঞ্জাল তৈরি হয়েছে, আমরা তা দূর করতে চাই। আমাদের সন্তান ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এগোচ্ছি। এই লক্ষ্য অর্জনে আপনারা সবাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট নিশ্চিত করবেন।’
গাজীপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার তাহেরুল হক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল হাসান, স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মাদ্রাসার শিক্ষক, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে জেলার নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!