দীর্ঘ ১২ বছর পর গঠিত নবম জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ করেছে। এতে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। কমিশনপ্রধান জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের বেতন কমিশন নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই এ প্রতিবেদন দাখিল করে।
প্রতিবেদন গ্রহণকালে প্রধান উপদেষ্টা সন্তোষ প্রকাশ করে কমিশনের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এটি একটি বড় কাজ। মানুষ বহুদিন ধরে এর জন্য অপেক্ষা করছিল। প্রতিবেদনের আউটলাইন দেখে বুঝেছি, এটি খুবই সৃজনশীলভাবে করা হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী, অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদারসহ কমিশনের সব পূর্ণকালীন ও খণ্ডকালীন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
কমিশনপ্রধান জানান, গত এক দশকে বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির ফলে সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। সময়োপযোগী বেতন কাঠামো না থাকায় কর্মচারীদের জন্য জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়েছে—এ প্রেক্ষাপটেই কমিশন বাস্তবসম্মত সুপারিশ প্রণয়ন করেছে।
প্রতিবেদন তৈরির অংশ হিসেবে কমিশন অনলাইন ও অফলাইনে ১৮৪টি সভা করেছে এবং ২ হাজার ৫৫২ জনের মতামত গ্রহণ করেছে। এছাড়া বিভিন্ন সমিতি ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ব্যাপক মতবিনিময় করা হয়।
কমিশন সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০টি বেতন স্কেল প্রস্তাব করেছে। এসব প্রস্তাব বাস্তবায়নে অতিরিক্ত এক লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানানো হয়। বর্তমানে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের ব্যয় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।
প্রতিবেদন দাখিলের সময় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এখন মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন। এ লক্ষ্যে একটি পৃথক কমিটি গঠন করা হবে, যারা বাস্তবায়ন পদ্ধতি নির্ধারণ করবে।
নবম জাতীয় বেতন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে-সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা চালু, পেনশন ব্যবস্থার সংস্কার, সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড পুনর্গঠন, সার্ভিস কমিশন গঠন, বেতন গ্রেড ও স্কেলের যৌক্তিক পুনর্বিন্যাস, বিভিন্ন ভাতা পর্যালোচনায় আলাদা কমিটি গঠন এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে মানবসম্পদ উন্নয়ন।
দীর্ঘ ১২ বছর পর গঠিত নবম জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ করেছে। এতে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। কমিশনপ্রধান জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের বেতন কমিশন নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই এ প্রতিবেদন দাখিল করে।
প্রতিবেদন গ্রহণকালে প্রধান উপদেষ্টা সন্তোষ প্রকাশ করে কমিশনের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এটি একটি বড় কাজ। মানুষ বহুদিন ধরে এর জন্য অপেক্ষা করছিল। প্রতিবেদনের আউটলাইন দেখে বুঝেছি, এটি খুবই সৃজনশীলভাবে করা হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী, অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদারসহ কমিশনের সব পূর্ণকালীন ও খণ্ডকালীন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
কমিশনপ্রধান জানান, গত এক দশকে বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির ফলে সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। সময়োপযোগী বেতন কাঠামো না থাকায় কর্মচারীদের জন্য জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়েছে—এ প্রেক্ষাপটেই কমিশন বাস্তবসম্মত সুপারিশ প্রণয়ন করেছে।
প্রতিবেদন তৈরির অংশ হিসেবে কমিশন অনলাইন ও অফলাইনে ১৮৪টি সভা করেছে এবং ২ হাজার ৫৫২ জনের মতামত গ্রহণ করেছে। এছাড়া বিভিন্ন সমিতি ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ব্যাপক মতবিনিময় করা হয়।
কমিশন সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০টি বেতন স্কেল প্রস্তাব করেছে। এসব প্রস্তাব বাস্তবায়নে অতিরিক্ত এক লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানানো হয়। বর্তমানে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের ব্যয় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।
প্রতিবেদন দাখিলের সময় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এখন মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন। এ লক্ষ্যে একটি পৃথক কমিটি গঠন করা হবে, যারা বাস্তবায়ন পদ্ধতি নির্ধারণ করবে।
নবম জাতীয় বেতন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে-সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা চালু, পেনশন ব্যবস্থার সংস্কার, সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড পুনর্গঠন, সার্ভিস কমিশন গঠন, বেতন গ্রেড ও স্কেলের যৌক্তিক পুনর্বিন্যাস, বিভিন্ন ভাতা পর্যালোচনায় আলাদা কমিটি গঠন এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে মানবসম্পদ উন্নয়ন।
দীর্ঘ ১২ বছর পর গঠিত নবম জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ করেছে। এতে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। কমিশনপ্রধান জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের বেতন কমিশন নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই এ প্রতিবেদন দাখিল করে।
প্রতিবেদন গ্রহণকালে প্রধান উপদেষ্টা সন্তোষ প্রকাশ করে কমিশনের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এটি একটি বড় কাজ। মানুষ বহুদিন ধরে এর জন্য অপেক্ষা করছিল। প্রতিবেদনের আউটলাইন দেখে বুঝেছি, এটি খুবই সৃজনশীলভাবে করা হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী, অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদারসহ কমিশনের সব পূর্ণকালীন ও খণ্ডকালীন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
কমিশনপ্রধান জানান, গত এক দশকে বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির ফলে সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। সময়োপযোগী বেতন কাঠামো না থাকায় কর্মচারীদের জন্য জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়েছে—এ প্রেক্ষাপটেই কমিশন বাস্তবসম্মত সুপারিশ প্রণয়ন করেছে।
প্রতিবেদন তৈরির অংশ হিসেবে কমিশন অনলাইন ও অফলাইনে ১৮৪টি সভা করেছে এবং ২ হাজার ৫৫২ জনের মতামত গ্রহণ করেছে। এছাড়া বিভিন্ন সমিতি ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ব্যাপক মতবিনিময় করা হয়।
কমিশন সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০টি বেতন স্কেল প্রস্তাব করেছে। এসব প্রস্তাব বাস্তবায়নে অতিরিক্ত এক লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানানো হয়। বর্তমানে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের ব্যয় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।
প্রতিবেদন দাখিলের সময় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এখন মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন। এ লক্ষ্যে একটি পৃথক কমিটি গঠন করা হবে, যারা বাস্তবায়ন পদ্ধতি নির্ধারণ করবে।
নবম জাতীয় বেতন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে-সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা চালু, পেনশন ব্যবস্থার সংস্কার, সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড পুনর্গঠন, সার্ভিস কমিশন গঠন, বেতন গ্রেড ও স্কেলের যৌক্তিক পুনর্বিন্যাস, বিভিন্ন ভাতা পর্যালোচনায় আলাদা কমিটি গঠন এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে মানবসম্পদ উন্নয়ন।
দীর্ঘ ১২ বছর পর গঠিত নবম জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ করেছে। এতে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। কমিশনপ্রধান জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের বেতন কমিশন নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই এ প্রতিবেদন দাখিল করে।
প্রতিবেদন গ্রহণকালে প্রধান উপদেষ্টা সন্তোষ প্রকাশ করে কমিশনের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এটি একটি বড় কাজ। মানুষ বহুদিন ধরে এর জন্য অপেক্ষা করছিল। প্রতিবেদনের আউটলাইন দেখে বুঝেছি, এটি খুবই সৃজনশীলভাবে করা হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী, অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদারসহ কমিশনের সব পূর্ণকালীন ও খণ্ডকালীন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
কমিশনপ্রধান জানান, গত এক দশকে বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির ফলে সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। সময়োপযোগী বেতন কাঠামো না থাকায় কর্মচারীদের জন্য জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়েছে—এ প্রেক্ষাপটেই কমিশন বাস্তবসম্মত সুপারিশ প্রণয়ন করেছে।
প্রতিবেদন তৈরির অংশ হিসেবে কমিশন অনলাইন ও অফলাইনে ১৮৪টি সভা করেছে এবং ২ হাজার ৫৫২ জনের মতামত গ্রহণ করেছে। এছাড়া বিভিন্ন সমিতি ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ব্যাপক মতবিনিময় করা হয়।
কমিশন সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০টি বেতন স্কেল প্রস্তাব করেছে। এসব প্রস্তাব বাস্তবায়নে অতিরিক্ত এক লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানানো হয়। বর্তমানে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের ব্যয় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।
প্রতিবেদন দাখিলের সময় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এখন মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন। এ লক্ষ্যে একটি পৃথক কমিটি গঠন করা হবে, যারা বাস্তবায়ন পদ্ধতি নির্ধারণ করবে।
নবম জাতীয় বেতন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে-সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা চালু, পেনশন ব্যবস্থার সংস্কার, সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড পুনর্গঠন, সার্ভিস কমিশন গঠন, বেতন গ্রেড ও স্কেলের যৌক্তিক পুনর্বিন্যাস, বিভিন্ন ভাতা পর্যালোচনায় আলাদা কমিটি গঠন এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে মানবসম্পদ উন্নয়ন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!