দেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য স্বচ্ছ, নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রথমবারের মতো সরকারি উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সার আইডি ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি বিভাগের সভাকক্ষে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এই সফটওয়্যার উদ্বোধন করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা-বিশেষ করে হয়রানি ও আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগ—গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রাখা হয়েছে। আবেদন ফি, নবায়ন ফি ও প্রসেসিং ফিসহ সব ধরনের আর্থিক লেনদেন বাতিল করা হয়েছে।
তিনি জানান, আইডি ভেরিফিকেশনের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের (ডিওআইসিটি) ২৯ জন প্রকৌশলী একটি রিসোর্স পুল হিসেবে কাজ করবেন। কারিগরি সহায়তায় থাকবেন চারজন সাপোর্ট এক্সপার্ট। শিগগিরই এপিআই (এপিআই) ভিত্তিক ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা চালু হবে, যার দুই স্তরের ভেরিফিকেশন নিয়ে ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটির সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব আরও বলেন, প্ল্যাটফর্মটির ভিএপিটি (ভিএপিটি) সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং আজ থেকেই সাইনআপ ও ফ্রিল্যান্সার আইডির জন্য আবেদন করা যাবে। ফ্রিল্যান্সারদের ইউজার এক্সপেরিয়েন্স উন্নয়নে কমিউনিটি লিডার ও বাংলাদেশ কল সেন্টার অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে কাজ করবে।
তিনি জানান, ভবিষ্যতে ম্যানুয়াল আইডির পরিবর্তে এই ডিজিটাল ফ্রিল্যান্সার আইডি গ্রহণের জন্য আইসিটি বিভাগ বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠাবে, যাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এটি স্বীকৃতি দেয়।
এ সময় জানানো হয়, জালিয়াতি ও হয়রানির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আগের চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটি স্বীকৃত পেমেন্ট মেথডে বার্ষিক ৫০ ডলারের মার্জিনকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। আইসিটি বিভাগের প্রকৌশলীরাই এই সফটওয়্যারটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন।
নতুন ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ডের মাধ্যমে নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সাররা ব্যাংকিং সেবা, ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড সুবিধা, আর্থিক প্রণোদনা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রশিক্ষণ সহজে গ্রহণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে এটি একটি জাতীয় ফ্রিল্যান্সার ডেটাবেজ হিসেবে কাজ করবে, যা ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে সহায়ক হবে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, এই উদ্যোগের ফলে ফ্রিল্যান্সারদের পরিচয় যাচাই সহজ হবে, ব্যাংকিং ও ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা কমবে এবং দেশের ফ্রিল্যান্সিং খাত আরও গতিশীল হবে।
আগে যারা টাকা দিয়ে প্রতারিত হয়েছেন-এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবু সাঈদ বলেন, কেউ অভিযোগ করলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উদ্বোধনের পরপরই উপস্থিত একজন ফ্রিল্যান্সারের আইডি কার্ডের আবেদন অনুমোদন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আবু সাঈদ, বাক্কোর সভাপতি, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি, আপওয়ার্ক বাংলাদেশ গ্রুপের প্রতিনিধি, বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সার এবং বিভাগের কর্মকর্তার উপস্থিত ছিলেন।
দেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য স্বচ্ছ, নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রথমবারের মতো সরকারি উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সার আইডি ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি বিভাগের সভাকক্ষে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এই সফটওয়্যার উদ্বোধন করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা-বিশেষ করে হয়রানি ও আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগ—গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রাখা হয়েছে। আবেদন ফি, নবায়ন ফি ও প্রসেসিং ফিসহ সব ধরনের আর্থিক লেনদেন বাতিল করা হয়েছে।
তিনি জানান, আইডি ভেরিফিকেশনের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের (ডিওআইসিটি) ২৯ জন প্রকৌশলী একটি রিসোর্স পুল হিসেবে কাজ করবেন। কারিগরি সহায়তায় থাকবেন চারজন সাপোর্ট এক্সপার্ট। শিগগিরই এপিআই (এপিআই) ভিত্তিক ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা চালু হবে, যার দুই স্তরের ভেরিফিকেশন নিয়ে ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটির সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব আরও বলেন, প্ল্যাটফর্মটির ভিএপিটি (ভিএপিটি) সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং আজ থেকেই সাইনআপ ও ফ্রিল্যান্সার আইডির জন্য আবেদন করা যাবে। ফ্রিল্যান্সারদের ইউজার এক্সপেরিয়েন্স উন্নয়নে কমিউনিটি লিডার ও বাংলাদেশ কল সেন্টার অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে কাজ করবে।
তিনি জানান, ভবিষ্যতে ম্যানুয়াল আইডির পরিবর্তে এই ডিজিটাল ফ্রিল্যান্সার আইডি গ্রহণের জন্য আইসিটি বিভাগ বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠাবে, যাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এটি স্বীকৃতি দেয়।
এ সময় জানানো হয়, জালিয়াতি ও হয়রানির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আগের চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটি স্বীকৃত পেমেন্ট মেথডে বার্ষিক ৫০ ডলারের মার্জিনকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। আইসিটি বিভাগের প্রকৌশলীরাই এই সফটওয়্যারটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন।
নতুন ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ডের মাধ্যমে নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সাররা ব্যাংকিং সেবা, ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড সুবিধা, আর্থিক প্রণোদনা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রশিক্ষণ সহজে গ্রহণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে এটি একটি জাতীয় ফ্রিল্যান্সার ডেটাবেজ হিসেবে কাজ করবে, যা ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে সহায়ক হবে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, এই উদ্যোগের ফলে ফ্রিল্যান্সারদের পরিচয় যাচাই সহজ হবে, ব্যাংকিং ও ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা কমবে এবং দেশের ফ্রিল্যান্সিং খাত আরও গতিশীল হবে।
আগে যারা টাকা দিয়ে প্রতারিত হয়েছেন-এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবু সাঈদ বলেন, কেউ অভিযোগ করলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উদ্বোধনের পরপরই উপস্থিত একজন ফ্রিল্যান্সারের আইডি কার্ডের আবেদন অনুমোদন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আবু সাঈদ, বাক্কোর সভাপতি, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি, আপওয়ার্ক বাংলাদেশ গ্রুপের প্রতিনিধি, বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সার এবং বিভাগের কর্মকর্তার উপস্থিত ছিলেন।
দেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য স্বচ্ছ, নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রথমবারের মতো সরকারি উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সার আইডি ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি বিভাগের সভাকক্ষে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এই সফটওয়্যার উদ্বোধন করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা-বিশেষ করে হয়রানি ও আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগ—গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রাখা হয়েছে। আবেদন ফি, নবায়ন ফি ও প্রসেসিং ফিসহ সব ধরনের আর্থিক লেনদেন বাতিল করা হয়েছে।
তিনি জানান, আইডি ভেরিফিকেশনের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের (ডিওআইসিটি) ২৯ জন প্রকৌশলী একটি রিসোর্স পুল হিসেবে কাজ করবেন। কারিগরি সহায়তায় থাকবেন চারজন সাপোর্ট এক্সপার্ট। শিগগিরই এপিআই (এপিআই) ভিত্তিক ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা চালু হবে, যার দুই স্তরের ভেরিফিকেশন নিয়ে ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটির সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব আরও বলেন, প্ল্যাটফর্মটির ভিএপিটি (ভিএপিটি) সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং আজ থেকেই সাইনআপ ও ফ্রিল্যান্সার আইডির জন্য আবেদন করা যাবে। ফ্রিল্যান্সারদের ইউজার এক্সপেরিয়েন্স উন্নয়নে কমিউনিটি লিডার ও বাংলাদেশ কল সেন্টার অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে কাজ করবে।
তিনি জানান, ভবিষ্যতে ম্যানুয়াল আইডির পরিবর্তে এই ডিজিটাল ফ্রিল্যান্সার আইডি গ্রহণের জন্য আইসিটি বিভাগ বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠাবে, যাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এটি স্বীকৃতি দেয়।
এ সময় জানানো হয়, জালিয়াতি ও হয়রানির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আগের চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটি স্বীকৃত পেমেন্ট মেথডে বার্ষিক ৫০ ডলারের মার্জিনকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। আইসিটি বিভাগের প্রকৌশলীরাই এই সফটওয়্যারটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন।
নতুন ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ডের মাধ্যমে নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সাররা ব্যাংকিং সেবা, ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড সুবিধা, আর্থিক প্রণোদনা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রশিক্ষণ সহজে গ্রহণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে এটি একটি জাতীয় ফ্রিল্যান্সার ডেটাবেজ হিসেবে কাজ করবে, যা ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে সহায়ক হবে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, এই উদ্যোগের ফলে ফ্রিল্যান্সারদের পরিচয় যাচাই সহজ হবে, ব্যাংকিং ও ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা কমবে এবং দেশের ফ্রিল্যান্সিং খাত আরও গতিশীল হবে।
আগে যারা টাকা দিয়ে প্রতারিত হয়েছেন-এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবু সাঈদ বলেন, কেউ অভিযোগ করলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উদ্বোধনের পরপরই উপস্থিত একজন ফ্রিল্যান্সারের আইডি কার্ডের আবেদন অনুমোদন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আবু সাঈদ, বাক্কোর সভাপতি, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি, আপওয়ার্ক বাংলাদেশ গ্রুপের প্রতিনিধি, বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সার এবং বিভাগের কর্মকর্তার উপস্থিত ছিলেন।
দেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য স্বচ্ছ, নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রথমবারের মতো সরকারি উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সার আইডি ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি বিভাগের সভাকক্ষে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এই সফটওয়্যার উদ্বোধন করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা-বিশেষ করে হয়রানি ও আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগ—গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রাখা হয়েছে। আবেদন ফি, নবায়ন ফি ও প্রসেসিং ফিসহ সব ধরনের আর্থিক লেনদেন বাতিল করা হয়েছে।
তিনি জানান, আইডি ভেরিফিকেশনের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের (ডিওআইসিটি) ২৯ জন প্রকৌশলী একটি রিসোর্স পুল হিসেবে কাজ করবেন। কারিগরি সহায়তায় থাকবেন চারজন সাপোর্ট এক্সপার্ট। শিগগিরই এপিআই (এপিআই) ভিত্তিক ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা চালু হবে, যার দুই স্তরের ভেরিফিকেশন নিয়ে ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটির সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব আরও বলেন, প্ল্যাটফর্মটির ভিএপিটি (ভিএপিটি) সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং আজ থেকেই সাইনআপ ও ফ্রিল্যান্সার আইডির জন্য আবেদন করা যাবে। ফ্রিল্যান্সারদের ইউজার এক্সপেরিয়েন্স উন্নয়নে কমিউনিটি লিডার ও বাংলাদেশ কল সেন্টার অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে কাজ করবে।
তিনি জানান, ভবিষ্যতে ম্যানুয়াল আইডির পরিবর্তে এই ডিজিটাল ফ্রিল্যান্সার আইডি গ্রহণের জন্য আইসিটি বিভাগ বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠাবে, যাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এটি স্বীকৃতি দেয়।
এ সময় জানানো হয়, জালিয়াতি ও হয়রানির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আগের চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটি স্বীকৃত পেমেন্ট মেথডে বার্ষিক ৫০ ডলারের মার্জিনকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। আইসিটি বিভাগের প্রকৌশলীরাই এই সফটওয়্যারটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন।
নতুন ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ডের মাধ্যমে নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সাররা ব্যাংকিং সেবা, ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড সুবিধা, আর্থিক প্রণোদনা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রশিক্ষণ সহজে গ্রহণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে এটি একটি জাতীয় ফ্রিল্যান্সার ডেটাবেজ হিসেবে কাজ করবে, যা ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে সহায়ক হবে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, এই উদ্যোগের ফলে ফ্রিল্যান্সারদের পরিচয় যাচাই সহজ হবে, ব্যাংকিং ও ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা কমবে এবং দেশের ফ্রিল্যান্সিং খাত আরও গতিশীল হবে।
আগে যারা টাকা দিয়ে প্রতারিত হয়েছেন-এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবু সাঈদ বলেন, কেউ অভিযোগ করলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উদ্বোধনের পরপরই উপস্থিত একজন ফ্রিল্যান্সারের আইডি কার্ডের আবেদন অনুমোদন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আবু সাঈদ, বাক্কোর সভাপতি, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি, আপওয়ার্ক বাংলাদেশ গ্রুপের প্রতিনিধি, বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সার এবং বিভাগের কর্মকর্তার উপস্থিত ছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!