
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) ৪৩টি খাতে রপ্তানি প্রণোদনা ও নগদ সহায়তা আগের মতোই বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী জাহাজীকরণ করা পণ্যের ক্ষেত্রে পণ্যভেদে দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা ও রপ্তানি প্রণোদনা পাওয়া যাবে।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নগদ সহায়তার সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী খাত তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্প। দেশি সুতা ব্যবহার করে উৎপাদিত তৈরি পোশাক নতুন বাজারে রপ্তানি করলে সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৯ শতাংশ নগদ সহায়তা মিলবে, যা গত বছরের জুনের আগে ছিল ৯ দশমিক ১ শতাংশ।
দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ১০ শতাংশ নগদ প্রণোদনা বহাল থাকবে। একই সময়ে ক্রাস্ট ও ফিনিশড লেদার রপ্তানিতে প্রণোদনা মিলবে ৬ শতাংশ।
এ ছাড়া প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যে ১০ শতাংশ, বৈচিত্র্যময় পাটপণ্যে ১০ শতাংশ, পাটজাত পণ্যে ৫ শতাংশ এবং পাট সুতায় ৩ শতাংশ নগদ সহায়তা বহাল রাখা হয়েছে।
অন্যান্য খাতের মধ্যে হালকা প্রকৌশল পণ্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ, ওষুধের কাঁচামালে ৫ শতাংশ, বাইসাইকেল রপ্তানিতে ৩ শতাংশ এবং আসবাবপত্র রপ্তানিতে ৮ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি হিমায়িত চিংড়ি, মোটরসাইকেল, ইলেকট্রনিকস, পেট বোতল ফ্লেক্স, জাহাজ, প্লাস্টিক পণ্য, হাতে তৈরি হোগলা, খড়, আখ ও নারিকেলের ছোবড়াজাত পণ্য, তৈরি পোশাক কারখানার ঝুট, গরু-মহিষের নাড়ি ও ভুঁড়ি, শিং ও রগ, কাঁকড়া, কুঁচে, আগর ও আঁতরসহ বিভিন্ন পণ্যে আগের মতোই নগদ সহায়তা বহাল থাকবে।
উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার ২০২৪ সালে দুই দফায় রপ্তানি প্রণোদনা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সে সময় জানানো হয়, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বিধি অনুযায়ী এলডিসি থেকে উত্তরণের পর সরাসরি কোনো ধরনের রপ্তানি প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা দেওয়া যায় না।
তবে হঠাৎ করে সহায়তা প্রত্যাহার করলে রপ্তানি খাত বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে—এই বিবেচনায় ধাপে ধাপে প্রণোদনা কমানোর নীতি গ্রহণ করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বশেষ গত বছরের জুলাইয়ে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করলেও তখন কোনো প্রণোদনা কমানো হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্কারোপ, স্থলবন্দর দিয়ে রপ্তানিতে ভারতের বিধিনিষেধ এবং ২০২৪ সালে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শিল্প খাতে সৃষ্ট অস্থিরতা বিবেচনায় নিয়ে রপ্তানি প্রণোদনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) ৪৩টি খাতে রপ্তানি প্রণোদনা ও নগদ সহায়তা আগের মতোই বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী জাহাজীকরণ করা পণ্যের ক্ষেত্রে পণ্যভেদে দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা ও রপ্তানি প্রণোদনা পাওয়া যাবে।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নগদ সহায়তার সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী খাত তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্প। দেশি সুতা ব্যবহার করে উৎপাদিত তৈরি পোশাক নতুন বাজারে রপ্তানি করলে সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৯ শতাংশ নগদ সহায়তা মিলবে, যা গত বছরের জুনের আগে ছিল ৯ দশমিক ১ শতাংশ।
দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ১০ শতাংশ নগদ প্রণোদনা বহাল থাকবে। একই সময়ে ক্রাস্ট ও ফিনিশড লেদার রপ্তানিতে প্রণোদনা মিলবে ৬ শতাংশ।
এ ছাড়া প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যে ১০ শতাংশ, বৈচিত্র্যময় পাটপণ্যে ১০ শতাংশ, পাটজাত পণ্যে ৫ শতাংশ এবং পাট সুতায় ৩ শতাংশ নগদ সহায়তা বহাল রাখা হয়েছে।
অন্যান্য খাতের মধ্যে হালকা প্রকৌশল পণ্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ, ওষুধের কাঁচামালে ৫ শতাংশ, বাইসাইকেল রপ্তানিতে ৩ শতাংশ এবং আসবাবপত্র রপ্তানিতে ৮ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি হিমায়িত চিংড়ি, মোটরসাইকেল, ইলেকট্রনিকস, পেট বোতল ফ্লেক্স, জাহাজ, প্লাস্টিক পণ্য, হাতে তৈরি হোগলা, খড়, আখ ও নারিকেলের ছোবড়াজাত পণ্য, তৈরি পোশাক কারখানার ঝুট, গরু-মহিষের নাড়ি ও ভুঁড়ি, শিং ও রগ, কাঁকড়া, কুঁচে, আগর ও আঁতরসহ বিভিন্ন পণ্যে আগের মতোই নগদ সহায়তা বহাল থাকবে।
উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার ২০২৪ সালে দুই দফায় রপ্তানি প্রণোদনা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সে সময় জানানো হয়, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বিধি অনুযায়ী এলডিসি থেকে উত্তরণের পর সরাসরি কোনো ধরনের রপ্তানি প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা দেওয়া যায় না।
তবে হঠাৎ করে সহায়তা প্রত্যাহার করলে রপ্তানি খাত বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে—এই বিবেচনায় ধাপে ধাপে প্রণোদনা কমানোর নীতি গ্রহণ করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বশেষ গত বছরের জুলাইয়ে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করলেও তখন কোনো প্রণোদনা কমানো হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্কারোপ, স্থলবন্দর দিয়ে রপ্তানিতে ভারতের বিধিনিষেধ এবং ২০২৪ সালে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শিল্প খাতে সৃষ্ট অস্থিরতা বিবেচনায় নিয়ে রপ্তানি প্রণোদনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) ৪৩টি খাতে রপ্তানি প্রণোদনা ও নগদ সহায়তা আগের মতোই বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী জাহাজীকরণ করা পণ্যের ক্ষেত্রে পণ্যভেদে দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা ও রপ্তানি প্রণোদনা পাওয়া যাবে।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নগদ সহায়তার সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী খাত তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্প। দেশি সুতা ব্যবহার করে উৎপাদিত তৈরি পোশাক নতুন বাজারে রপ্তানি করলে সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৯ শতাংশ নগদ সহায়তা মিলবে, যা গত বছরের জুনের আগে ছিল ৯ দশমিক ১ শতাংশ।
দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ১০ শতাংশ নগদ প্রণোদনা বহাল থাকবে। একই সময়ে ক্রাস্ট ও ফিনিশড লেদার রপ্তানিতে প্রণোদনা মিলবে ৬ শতাংশ।
এ ছাড়া প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যে ১০ শতাংশ, বৈচিত্র্যময় পাটপণ্যে ১০ শতাংশ, পাটজাত পণ্যে ৫ শতাংশ এবং পাট সুতায় ৩ শতাংশ নগদ সহায়তা বহাল রাখা হয়েছে।
অন্যান্য খাতের মধ্যে হালকা প্রকৌশল পণ্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ, ওষুধের কাঁচামালে ৫ শতাংশ, বাইসাইকেল রপ্তানিতে ৩ শতাংশ এবং আসবাবপত্র রপ্তানিতে ৮ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি হিমায়িত চিংড়ি, মোটরসাইকেল, ইলেকট্রনিকস, পেট বোতল ফ্লেক্স, জাহাজ, প্লাস্টিক পণ্য, হাতে তৈরি হোগলা, খড়, আখ ও নারিকেলের ছোবড়াজাত পণ্য, তৈরি পোশাক কারখানার ঝুট, গরু-মহিষের নাড়ি ও ভুঁড়ি, শিং ও রগ, কাঁকড়া, কুঁচে, আগর ও আঁতরসহ বিভিন্ন পণ্যে আগের মতোই নগদ সহায়তা বহাল থাকবে।
উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার ২০২৪ সালে দুই দফায় রপ্তানি প্রণোদনা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সে সময় জানানো হয়, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বিধি অনুযায়ী এলডিসি থেকে উত্তরণের পর সরাসরি কোনো ধরনের রপ্তানি প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা দেওয়া যায় না।
তবে হঠাৎ করে সহায়তা প্রত্যাহার করলে রপ্তানি খাত বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে—এই বিবেচনায় ধাপে ধাপে প্রণোদনা কমানোর নীতি গ্রহণ করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বশেষ গত বছরের জুলাইয়ে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করলেও তখন কোনো প্রণোদনা কমানো হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্কারোপ, স্থলবন্দর দিয়ে রপ্তানিতে ভারতের বিধিনিষেধ এবং ২০২৪ সালে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শিল্প খাতে সৃষ্ট অস্থিরতা বিবেচনায় নিয়ে রপ্তানি প্রণোদনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) ৪৩টি খাতে রপ্তানি প্রণোদনা ও নগদ সহায়তা আগের মতোই বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী জাহাজীকরণ করা পণ্যের ক্ষেত্রে পণ্যভেদে দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা ও রপ্তানি প্রণোদনা পাওয়া যাবে।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নগদ সহায়তার সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী খাত তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্প। দেশি সুতা ব্যবহার করে উৎপাদিত তৈরি পোশাক নতুন বাজারে রপ্তানি করলে সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৯ শতাংশ নগদ সহায়তা মিলবে, যা গত বছরের জুনের আগে ছিল ৯ দশমিক ১ শতাংশ।
দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ১০ শতাংশ নগদ প্রণোদনা বহাল থাকবে। একই সময়ে ক্রাস্ট ও ফিনিশড লেদার রপ্তানিতে প্রণোদনা মিলবে ৬ শতাংশ।
এ ছাড়া প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যে ১০ শতাংশ, বৈচিত্র্যময় পাটপণ্যে ১০ শতাংশ, পাটজাত পণ্যে ৫ শতাংশ এবং পাট সুতায় ৩ শতাংশ নগদ সহায়তা বহাল রাখা হয়েছে।
অন্যান্য খাতের মধ্যে হালকা প্রকৌশল পণ্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ, ওষুধের কাঁচামালে ৫ শতাংশ, বাইসাইকেল রপ্তানিতে ৩ শতাংশ এবং আসবাবপত্র রপ্তানিতে ৮ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি হিমায়িত চিংড়ি, মোটরসাইকেল, ইলেকট্রনিকস, পেট বোতল ফ্লেক্স, জাহাজ, প্লাস্টিক পণ্য, হাতে তৈরি হোগলা, খড়, আখ ও নারিকেলের ছোবড়াজাত পণ্য, তৈরি পোশাক কারখানার ঝুট, গরু-মহিষের নাড়ি ও ভুঁড়ি, শিং ও রগ, কাঁকড়া, কুঁচে, আগর ও আঁতরসহ বিভিন্ন পণ্যে আগের মতোই নগদ সহায়তা বহাল থাকবে।
উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার ২০২৪ সালে দুই দফায় রপ্তানি প্রণোদনা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সে সময় জানানো হয়, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বিধি অনুযায়ী এলডিসি থেকে উত্তরণের পর সরাসরি কোনো ধরনের রপ্তানি প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা দেওয়া যায় না।
তবে হঠাৎ করে সহায়তা প্রত্যাহার করলে রপ্তানি খাত বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে—এই বিবেচনায় ধাপে ধাপে প্রণোদনা কমানোর নীতি গ্রহণ করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বশেষ গত বছরের জুলাইয়ে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করলেও তখন কোনো প্রণোদনা কমানো হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্কারোপ, স্থলবন্দর দিয়ে রপ্তানিতে ভারতের বিধিনিষেধ এবং ২০২৪ সালে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শিল্প খাতে সৃষ্ট অস্থিরতা বিবেচনায় নিয়ে রপ্তানি প্রণোদনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!