সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল আলোচিত নতুন পে-স্কেল বিষয়ে পে কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থ উপদেষ্টা জানান, ২১ সদস্যের পে কমিশন নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে এবং খুব শিগগিরই সরকারের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে বলে তিনি আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘কমিশনের কাজ থেমে নেই। তারা নিয়মিতভাবে কাজ করছে এবং আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।’
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন পক্ষ থেকে কমিশনের কাছে মতামত ও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কেউ লিখিতভাবে, কেউ সরাসরি সাক্ষাৎ করে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই কমিশন সুপারিশ তৈরি করছে।
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন বর্তমান সরকার করতে পারবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “রিপোর্ট কবে আসবে, সেটা জানা গেলে তখনই বোঝা যাবে কী হবে, কী হবে না। রিপোর্ট না দেখে কিছু বলা সম্ভব নয়।”
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পে-স্কেলের বিষয়ে গভর্নরের কিছু বলার এখতিয়ার নেই। তিনি ব্যাংকিং সংক্রান্ত বিষয়ে মতামত দিতে পারেন। পে-স্কেল পুরোপুরি সরকারের সিদ্ধান্ত।’
তিনি আরও জানান, পে কমিশনের প্রতিবেদনের পাশাপাশি বিচার বিভাগ ও প্রতিরক্ষা খাতের জন্য আলাদা প্রতিবেদন ও সাব-কমিটির সুপারিশও বিবেচনায় নেওয়া হবে।
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে সাংবাদিকদের পুনরায় প্রশ্নের জবাবে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রিপোর্ট পেলেই আমরা বিষয়টি জানাতে পারব। এখন ইমপ্লিমেন্টেশনের কথা বলা আগাম হয়ে যাবে। এটি একটি বিস্তারিত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল আলোচিত নতুন পে-স্কেল বিষয়ে পে কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থ উপদেষ্টা জানান, ২১ সদস্যের পে কমিশন নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে এবং খুব শিগগিরই সরকারের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে বলে তিনি আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘কমিশনের কাজ থেমে নেই। তারা নিয়মিতভাবে কাজ করছে এবং আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।’
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন পক্ষ থেকে কমিশনের কাছে মতামত ও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কেউ লিখিতভাবে, কেউ সরাসরি সাক্ষাৎ করে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই কমিশন সুপারিশ তৈরি করছে।
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন বর্তমান সরকার করতে পারবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “রিপোর্ট কবে আসবে, সেটা জানা গেলে তখনই বোঝা যাবে কী হবে, কী হবে না। রিপোর্ট না দেখে কিছু বলা সম্ভব নয়।”
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পে-স্কেলের বিষয়ে গভর্নরের কিছু বলার এখতিয়ার নেই। তিনি ব্যাংকিং সংক্রান্ত বিষয়ে মতামত দিতে পারেন। পে-স্কেল পুরোপুরি সরকারের সিদ্ধান্ত।’
তিনি আরও জানান, পে কমিশনের প্রতিবেদনের পাশাপাশি বিচার বিভাগ ও প্রতিরক্ষা খাতের জন্য আলাদা প্রতিবেদন ও সাব-কমিটির সুপারিশও বিবেচনায় নেওয়া হবে।
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে সাংবাদিকদের পুনরায় প্রশ্নের জবাবে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রিপোর্ট পেলেই আমরা বিষয়টি জানাতে পারব। এখন ইমপ্লিমেন্টেশনের কথা বলা আগাম হয়ে যাবে। এটি একটি বিস্তারিত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল আলোচিত নতুন পে-স্কেল বিষয়ে পে কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থ উপদেষ্টা জানান, ২১ সদস্যের পে কমিশন নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে এবং খুব শিগগিরই সরকারের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে বলে তিনি আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘কমিশনের কাজ থেমে নেই। তারা নিয়মিতভাবে কাজ করছে এবং আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।’
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন পক্ষ থেকে কমিশনের কাছে মতামত ও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কেউ লিখিতভাবে, কেউ সরাসরি সাক্ষাৎ করে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই কমিশন সুপারিশ তৈরি করছে।
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন বর্তমান সরকার করতে পারবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “রিপোর্ট কবে আসবে, সেটা জানা গেলে তখনই বোঝা যাবে কী হবে, কী হবে না। রিপোর্ট না দেখে কিছু বলা সম্ভব নয়।”
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পে-স্কেলের বিষয়ে গভর্নরের কিছু বলার এখতিয়ার নেই। তিনি ব্যাংকিং সংক্রান্ত বিষয়ে মতামত দিতে পারেন। পে-স্কেল পুরোপুরি সরকারের সিদ্ধান্ত।’
তিনি আরও জানান, পে কমিশনের প্রতিবেদনের পাশাপাশি বিচার বিভাগ ও প্রতিরক্ষা খাতের জন্য আলাদা প্রতিবেদন ও সাব-কমিটির সুপারিশও বিবেচনায় নেওয়া হবে।
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে সাংবাদিকদের পুনরায় প্রশ্নের জবাবে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রিপোর্ট পেলেই আমরা বিষয়টি জানাতে পারব। এখন ইমপ্লিমেন্টেশনের কথা বলা আগাম হয়ে যাবে। এটি একটি বিস্তারিত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল আলোচিত নতুন পে-স্কেল বিষয়ে পে কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থ উপদেষ্টা জানান, ২১ সদস্যের পে কমিশন নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে এবং খুব শিগগিরই সরকারের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে বলে তিনি আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘কমিশনের কাজ থেমে নেই। তারা নিয়মিতভাবে কাজ করছে এবং আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।’
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন পক্ষ থেকে কমিশনের কাছে মতামত ও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কেউ লিখিতভাবে, কেউ সরাসরি সাক্ষাৎ করে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই কমিশন সুপারিশ তৈরি করছে।
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন বর্তমান সরকার করতে পারবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “রিপোর্ট কবে আসবে, সেটা জানা গেলে তখনই বোঝা যাবে কী হবে, কী হবে না। রিপোর্ট না দেখে কিছু বলা সম্ভব নয়।”
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পে-স্কেলের বিষয়ে গভর্নরের কিছু বলার এখতিয়ার নেই। তিনি ব্যাংকিং সংক্রান্ত বিষয়ে মতামত দিতে পারেন। পে-স্কেল পুরোপুরি সরকারের সিদ্ধান্ত।’
তিনি আরও জানান, পে কমিশনের প্রতিবেদনের পাশাপাশি বিচার বিভাগ ও প্রতিরক্ষা খাতের জন্য আলাদা প্রতিবেদন ও সাব-কমিটির সুপারিশও বিবেচনায় নেওয়া হবে।
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে সাংবাদিকদের পুনরায় প্রশ্নের জবাবে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রিপোর্ট পেলেই আমরা বিষয়টি জানাতে পারব। এখন ইমপ্লিমেন্টেশনের কথা বলা আগাম হয়ে যাবে। এটি একটি বিস্তারিত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!