তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) তীব্র সরবরাহ সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। সরকার নির্ধারিত দামে বাজারে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি নির্ধারিত দামের চেয়ে এক হাজার টাকা বেশি দিয়েও অনেক এলাকায় সিলিন্ডার মিলছে না।
সরকার নির্ধারিত হিসাবে ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা। তবে বাস্তবে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সেই সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ ভোক্তাদের।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আজিমপুর, ধানমন্ডি, কাঁঠালবাগান, বাটা সিগন্যালসহ বিভিন্ন এলাকার এলপিজি বিক্রির দোকান ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। অধিকাংশ দোকানে সিলিন্ডার নেই, কোথাও সীমিত থাকলেও মুহূর্তেই তা বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, কোম্পানি ও পাইকারি পর্যায় থেকে চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাচ্ছেন না তারা। অনেক ডিলারের দোকানই একেবারে ফাঁকা। আবার যেসব দোকানে সিলিন্ডার মিলছে, সেগুলোর দামও অস্বাভাবিকভাবে বেশি।
আজিমপুর এলাকার চা বিক্রেতা সিজান বলেন, ‘চায়ের দোকানে গ্যাস ছাড়া চলা অসম্ভব। আশপাশের কোথাও সিলিন্ডার পাইনি। বাধ্য হয়ে কামরাঙ্গীরচর থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকার সিলিন্ডার ২ হাজার ৩০০ টাকায় কিনে এনেছি।’
আরেক ব্যবসায়ী রুমান বলেন, ‘গতকাল রাতে অনেক খোঁজাখুঁজির পর দুটি সিলিন্ডার পেয়েছি ২ হাজার ৪০০ টাকায়। দাম অনেক বেশি, কিন্তু রান্না তো বন্ধ রাখা যায় না।’
খুচরা ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, বাড়তি দাম রাখার পেছনে তারাও দায়ী নন। বাটা সিগন্যাল এলাকার এলপিজি বিক্রেতা রিপন বলেন, ‘আমরা নিজেরা সিলিন্ডার পাচ্ছি না। পাইকারি পর্যায়ে দাম বেড়েছে, আবার এখন বেশি দামেও মিলছে না। প্রতি সিলিন্ডারে সর্বোচ্চ ১০০–১৫০ টাকা লাভ হয়, খরচ বাদ দিলে তেমন কিছু থাকে না।’
ধানমন্ডির কাঁঠালবাগান এলাকার পাইকারি ব্যবসায়ী মেসার্স নূর এন্টারপ্রাইজের মালিক জাহিদ বলেন, ‘চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। নরসিংদী থেকে গাড়ি পাঠাতে হয়, সিরিয়াল দিয়ে ৭–৮ দিন বসে থাকতে হয়। গাড়ি ভাড়া ও ডেমারেজ দিতে গিয়ে খরচ বেড়ে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, কোম্পানি সরকার নির্ধারিত দামেই সিলিন্ডার দিচ্ছে, তবে সরবরাহ কম থাকায় বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে।
এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংকটের কারণে অনেক পরিবার বিকল্প হিসেবে বৈদ্যুতিক চুলা বা মাটির চুলা ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
ভোক্তারা দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং বাজার তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) তীব্র সরবরাহ সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। সরকার নির্ধারিত দামে বাজারে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি নির্ধারিত দামের চেয়ে এক হাজার টাকা বেশি দিয়েও অনেক এলাকায় সিলিন্ডার মিলছে না।
সরকার নির্ধারিত হিসাবে ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা। তবে বাস্তবে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সেই সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ ভোক্তাদের।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আজিমপুর, ধানমন্ডি, কাঁঠালবাগান, বাটা সিগন্যালসহ বিভিন্ন এলাকার এলপিজি বিক্রির দোকান ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। অধিকাংশ দোকানে সিলিন্ডার নেই, কোথাও সীমিত থাকলেও মুহূর্তেই তা বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, কোম্পানি ও পাইকারি পর্যায় থেকে চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাচ্ছেন না তারা। অনেক ডিলারের দোকানই একেবারে ফাঁকা। আবার যেসব দোকানে সিলিন্ডার মিলছে, সেগুলোর দামও অস্বাভাবিকভাবে বেশি।
আজিমপুর এলাকার চা বিক্রেতা সিজান বলেন, ‘চায়ের দোকানে গ্যাস ছাড়া চলা অসম্ভব। আশপাশের কোথাও সিলিন্ডার পাইনি। বাধ্য হয়ে কামরাঙ্গীরচর থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকার সিলিন্ডার ২ হাজার ৩০০ টাকায় কিনে এনেছি।’
আরেক ব্যবসায়ী রুমান বলেন, ‘গতকাল রাতে অনেক খোঁজাখুঁজির পর দুটি সিলিন্ডার পেয়েছি ২ হাজার ৪০০ টাকায়। দাম অনেক বেশি, কিন্তু রান্না তো বন্ধ রাখা যায় না।’
খুচরা ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, বাড়তি দাম রাখার পেছনে তারাও দায়ী নন। বাটা সিগন্যাল এলাকার এলপিজি বিক্রেতা রিপন বলেন, ‘আমরা নিজেরা সিলিন্ডার পাচ্ছি না। পাইকারি পর্যায়ে দাম বেড়েছে, আবার এখন বেশি দামেও মিলছে না। প্রতি সিলিন্ডারে সর্বোচ্চ ১০০–১৫০ টাকা লাভ হয়, খরচ বাদ দিলে তেমন কিছু থাকে না।’
ধানমন্ডির কাঁঠালবাগান এলাকার পাইকারি ব্যবসায়ী মেসার্স নূর এন্টারপ্রাইজের মালিক জাহিদ বলেন, ‘চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। নরসিংদী থেকে গাড়ি পাঠাতে হয়, সিরিয়াল দিয়ে ৭–৮ দিন বসে থাকতে হয়। গাড়ি ভাড়া ও ডেমারেজ দিতে গিয়ে খরচ বেড়ে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, কোম্পানি সরকার নির্ধারিত দামেই সিলিন্ডার দিচ্ছে, তবে সরবরাহ কম থাকায় বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে।
এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংকটের কারণে অনেক পরিবার বিকল্প হিসেবে বৈদ্যুতিক চুলা বা মাটির চুলা ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
ভোক্তারা দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং বাজার তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) তীব্র সরবরাহ সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। সরকার নির্ধারিত দামে বাজারে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি নির্ধারিত দামের চেয়ে এক হাজার টাকা বেশি দিয়েও অনেক এলাকায় সিলিন্ডার মিলছে না।
সরকার নির্ধারিত হিসাবে ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা। তবে বাস্তবে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সেই সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ ভোক্তাদের।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আজিমপুর, ধানমন্ডি, কাঁঠালবাগান, বাটা সিগন্যালসহ বিভিন্ন এলাকার এলপিজি বিক্রির দোকান ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। অধিকাংশ দোকানে সিলিন্ডার নেই, কোথাও সীমিত থাকলেও মুহূর্তেই তা বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, কোম্পানি ও পাইকারি পর্যায় থেকে চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাচ্ছেন না তারা। অনেক ডিলারের দোকানই একেবারে ফাঁকা। আবার যেসব দোকানে সিলিন্ডার মিলছে, সেগুলোর দামও অস্বাভাবিকভাবে বেশি।
আজিমপুর এলাকার চা বিক্রেতা সিজান বলেন, ‘চায়ের দোকানে গ্যাস ছাড়া চলা অসম্ভব। আশপাশের কোথাও সিলিন্ডার পাইনি। বাধ্য হয়ে কামরাঙ্গীরচর থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকার সিলিন্ডার ২ হাজার ৩০০ টাকায় কিনে এনেছি।’
আরেক ব্যবসায়ী রুমান বলেন, ‘গতকাল রাতে অনেক খোঁজাখুঁজির পর দুটি সিলিন্ডার পেয়েছি ২ হাজার ৪০০ টাকায়। দাম অনেক বেশি, কিন্তু রান্না তো বন্ধ রাখা যায় না।’
খুচরা ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, বাড়তি দাম রাখার পেছনে তারাও দায়ী নন। বাটা সিগন্যাল এলাকার এলপিজি বিক্রেতা রিপন বলেন, ‘আমরা নিজেরা সিলিন্ডার পাচ্ছি না। পাইকারি পর্যায়ে দাম বেড়েছে, আবার এখন বেশি দামেও মিলছে না। প্রতি সিলিন্ডারে সর্বোচ্চ ১০০–১৫০ টাকা লাভ হয়, খরচ বাদ দিলে তেমন কিছু থাকে না।’
ধানমন্ডির কাঁঠালবাগান এলাকার পাইকারি ব্যবসায়ী মেসার্স নূর এন্টারপ্রাইজের মালিক জাহিদ বলেন, ‘চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। নরসিংদী থেকে গাড়ি পাঠাতে হয়, সিরিয়াল দিয়ে ৭–৮ দিন বসে থাকতে হয়। গাড়ি ভাড়া ও ডেমারেজ দিতে গিয়ে খরচ বেড়ে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, কোম্পানি সরকার নির্ধারিত দামেই সিলিন্ডার দিচ্ছে, তবে সরবরাহ কম থাকায় বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে।
এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংকটের কারণে অনেক পরিবার বিকল্প হিসেবে বৈদ্যুতিক চুলা বা মাটির চুলা ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
ভোক্তারা দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং বাজার তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) তীব্র সরবরাহ সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। সরকার নির্ধারিত দামে বাজারে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি নির্ধারিত দামের চেয়ে এক হাজার টাকা বেশি দিয়েও অনেক এলাকায় সিলিন্ডার মিলছে না।
সরকার নির্ধারিত হিসাবে ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা। তবে বাস্তবে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সেই সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ ভোক্তাদের।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আজিমপুর, ধানমন্ডি, কাঁঠালবাগান, বাটা সিগন্যালসহ বিভিন্ন এলাকার এলপিজি বিক্রির দোকান ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। অধিকাংশ দোকানে সিলিন্ডার নেই, কোথাও সীমিত থাকলেও মুহূর্তেই তা বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, কোম্পানি ও পাইকারি পর্যায় থেকে চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাচ্ছেন না তারা। অনেক ডিলারের দোকানই একেবারে ফাঁকা। আবার যেসব দোকানে সিলিন্ডার মিলছে, সেগুলোর দামও অস্বাভাবিকভাবে বেশি।
আজিমপুর এলাকার চা বিক্রেতা সিজান বলেন, ‘চায়ের দোকানে গ্যাস ছাড়া চলা অসম্ভব। আশপাশের কোথাও সিলিন্ডার পাইনি। বাধ্য হয়ে কামরাঙ্গীরচর থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকার সিলিন্ডার ২ হাজার ৩০০ টাকায় কিনে এনেছি।’
আরেক ব্যবসায়ী রুমান বলেন, ‘গতকাল রাতে অনেক খোঁজাখুঁজির পর দুটি সিলিন্ডার পেয়েছি ২ হাজার ৪০০ টাকায়। দাম অনেক বেশি, কিন্তু রান্না তো বন্ধ রাখা যায় না।’
খুচরা ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, বাড়তি দাম রাখার পেছনে তারাও দায়ী নন। বাটা সিগন্যাল এলাকার এলপিজি বিক্রেতা রিপন বলেন, ‘আমরা নিজেরা সিলিন্ডার পাচ্ছি না। পাইকারি পর্যায়ে দাম বেড়েছে, আবার এখন বেশি দামেও মিলছে না। প্রতি সিলিন্ডারে সর্বোচ্চ ১০০–১৫০ টাকা লাভ হয়, খরচ বাদ দিলে তেমন কিছু থাকে না।’
ধানমন্ডির কাঁঠালবাগান এলাকার পাইকারি ব্যবসায়ী মেসার্স নূর এন্টারপ্রাইজের মালিক জাহিদ বলেন, ‘চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। নরসিংদী থেকে গাড়ি পাঠাতে হয়, সিরিয়াল দিয়ে ৭–৮ দিন বসে থাকতে হয়। গাড়ি ভাড়া ও ডেমারেজ দিতে গিয়ে খরচ বেড়ে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, কোম্পানি সরকার নির্ধারিত দামেই সিলিন্ডার দিচ্ছে, তবে সরবরাহ কম থাকায় বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে।
এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংকটের কারণে অনেক পরিবার বিকল্প হিসেবে বৈদ্যুতিক চুলা বা মাটির চুলা ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
ভোক্তারা দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং বাজার তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!