
কৃষক, দিনমজুর, দর্জি ও সেলসম্যানদের ব্যবসায়ী হিসেবে দেখিয়ে প্রায় ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ভাই ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (ইউসিবিএল) সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনিসহ ৯৪ জনের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এসব মামলা দায়ের করা হয় বলে জানিয়েছেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, গ্রামের সাধারণ কৃষক, দিনমজুর, দর্জি ও সেলসম্যানদের বিভিন্ন ভুয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক দেখিয়ে তাদের নামে সাতটি চলতি হিসাব খোলা হয়। এসব হিসাব ব্যবহার করে ব্যাংক ঋণের নামে মোট ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
তদন্তে দেখা গেছে, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় মোহাম্মদ হোছনকে হোছন ট্রেডিং, নুরুল আলমকে কর্ণফুলী এম্পোরিয়াম, মোহাম্মদ জহির উদ্দিনকে জহির ইন্টারন্যাশনাল, মিজানুর রহমানকে ক্যাটস আই, শাহজাহানকে শাহ ট্রেডিং, মো. হারূনুর রশিদকে হারুন অ্যান্ড সন্স এবং অমিত মল্লিককে মল্লিক অ্যান্ড ব্রাদার্স-এর স্বত্বাধিকারী দেখিয়ে ঋণের অর্থ উত্তোলন করা হয়।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন-সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ভাই ও ইউসিবিএলের সাবেক পরিচালক ও ইসি কমিটির চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনি, সাবেক পরিচালক ও ইসি কমিটির সদস্য বশির আহম্মেদ, সাবেক পরিচালক হাজী ইউনুছ আহমদ, নুরুল ইসলাম চৌধুরী, আসিফুজ্জামান চৌধুরী, ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ চৌধুরী, জুনিয়র অফিসার সারাবান তহুরা, এক্সিকিউটিভ অফিসার জেসমিন সুলতানা, এফএভিপি মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, জুনিয়র অফিসার ইমতিয়াজ মাহবুব, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার হোসনি মোবারক জিকোসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী। মোট আসামির সংখ্যা ৯৪ জন, যাদের মধ্যে অনেকেই একাধিক মামলার আসামি।
দুদক জানায়, অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সঙ্গে নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঋণের অর্থ আত্মসাৎ এবং পরবর্তীতে তা পাচার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
দুদক বলছে, মামলাগুলোর তদন্ত চলমান রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষক, দিনমজুর, দর্জি ও সেলসম্যানদের ব্যবসায়ী হিসেবে দেখিয়ে প্রায় ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ভাই ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (ইউসিবিএল) সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনিসহ ৯৪ জনের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এসব মামলা দায়ের করা হয় বলে জানিয়েছেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, গ্রামের সাধারণ কৃষক, দিনমজুর, দর্জি ও সেলসম্যানদের বিভিন্ন ভুয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক দেখিয়ে তাদের নামে সাতটি চলতি হিসাব খোলা হয়। এসব হিসাব ব্যবহার করে ব্যাংক ঋণের নামে মোট ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
তদন্তে দেখা গেছে, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় মোহাম্মদ হোছনকে হোছন ট্রেডিং, নুরুল আলমকে কর্ণফুলী এম্পোরিয়াম, মোহাম্মদ জহির উদ্দিনকে জহির ইন্টারন্যাশনাল, মিজানুর রহমানকে ক্যাটস আই, শাহজাহানকে শাহ ট্রেডিং, মো. হারূনুর রশিদকে হারুন অ্যান্ড সন্স এবং অমিত মল্লিককে মল্লিক অ্যান্ড ব্রাদার্স-এর স্বত্বাধিকারী দেখিয়ে ঋণের অর্থ উত্তোলন করা হয়।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন-সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ভাই ও ইউসিবিএলের সাবেক পরিচালক ও ইসি কমিটির চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনি, সাবেক পরিচালক ও ইসি কমিটির সদস্য বশির আহম্মেদ, সাবেক পরিচালক হাজী ইউনুছ আহমদ, নুরুল ইসলাম চৌধুরী, আসিফুজ্জামান চৌধুরী, ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ চৌধুরী, জুনিয়র অফিসার সারাবান তহুরা, এক্সিকিউটিভ অফিসার জেসমিন সুলতানা, এফএভিপি মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, জুনিয়র অফিসার ইমতিয়াজ মাহবুব, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার হোসনি মোবারক জিকোসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী। মোট আসামির সংখ্যা ৯৪ জন, যাদের মধ্যে অনেকেই একাধিক মামলার আসামি।
দুদক জানায়, অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সঙ্গে নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঋণের অর্থ আত্মসাৎ এবং পরবর্তীতে তা পাচার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
দুদক বলছে, মামলাগুলোর তদন্ত চলমান রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষক, দিনমজুর, দর্জি ও সেলসম্যানদের ব্যবসায়ী হিসেবে দেখিয়ে প্রায় ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ভাই ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (ইউসিবিএল) সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনিসহ ৯৪ জনের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এসব মামলা দায়ের করা হয় বলে জানিয়েছেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, গ্রামের সাধারণ কৃষক, দিনমজুর, দর্জি ও সেলসম্যানদের বিভিন্ন ভুয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক দেখিয়ে তাদের নামে সাতটি চলতি হিসাব খোলা হয়। এসব হিসাব ব্যবহার করে ব্যাংক ঋণের নামে মোট ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
তদন্তে দেখা গেছে, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় মোহাম্মদ হোছনকে হোছন ট্রেডিং, নুরুল আলমকে কর্ণফুলী এম্পোরিয়াম, মোহাম্মদ জহির উদ্দিনকে জহির ইন্টারন্যাশনাল, মিজানুর রহমানকে ক্যাটস আই, শাহজাহানকে শাহ ট্রেডিং, মো. হারূনুর রশিদকে হারুন অ্যান্ড সন্স এবং অমিত মল্লিককে মল্লিক অ্যান্ড ব্রাদার্স-এর স্বত্বাধিকারী দেখিয়ে ঋণের অর্থ উত্তোলন করা হয়।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন-সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ভাই ও ইউসিবিএলের সাবেক পরিচালক ও ইসি কমিটির চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনি, সাবেক পরিচালক ও ইসি কমিটির সদস্য বশির আহম্মেদ, সাবেক পরিচালক হাজী ইউনুছ আহমদ, নুরুল ইসলাম চৌধুরী, আসিফুজ্জামান চৌধুরী, ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ চৌধুরী, জুনিয়র অফিসার সারাবান তহুরা, এক্সিকিউটিভ অফিসার জেসমিন সুলতানা, এফএভিপি মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, জুনিয়র অফিসার ইমতিয়াজ মাহবুব, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার হোসনি মোবারক জিকোসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী। মোট আসামির সংখ্যা ৯৪ জন, যাদের মধ্যে অনেকেই একাধিক মামলার আসামি।
দুদক জানায়, অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সঙ্গে নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঋণের অর্থ আত্মসাৎ এবং পরবর্তীতে তা পাচার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
দুদক বলছে, মামলাগুলোর তদন্ত চলমান রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষক, দিনমজুর, দর্জি ও সেলসম্যানদের ব্যবসায়ী হিসেবে দেখিয়ে প্রায় ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ভাই ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (ইউসিবিএল) সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনিসহ ৯৪ জনের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এসব মামলা দায়ের করা হয় বলে জানিয়েছেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, গ্রামের সাধারণ কৃষক, দিনমজুর, দর্জি ও সেলসম্যানদের বিভিন্ন ভুয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক দেখিয়ে তাদের নামে সাতটি চলতি হিসাব খোলা হয়। এসব হিসাব ব্যবহার করে ব্যাংক ঋণের নামে মোট ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
তদন্তে দেখা গেছে, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় মোহাম্মদ হোছনকে হোছন ট্রেডিং, নুরুল আলমকে কর্ণফুলী এম্পোরিয়াম, মোহাম্মদ জহির উদ্দিনকে জহির ইন্টারন্যাশনাল, মিজানুর রহমানকে ক্যাটস আই, শাহজাহানকে শাহ ট্রেডিং, মো. হারূনুর রশিদকে হারুন অ্যান্ড সন্স এবং অমিত মল্লিককে মল্লিক অ্যান্ড ব্রাদার্স-এর স্বত্বাধিকারী দেখিয়ে ঋণের অর্থ উত্তোলন করা হয়।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন-সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ভাই ও ইউসিবিএলের সাবেক পরিচালক ও ইসি কমিটির চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনি, সাবেক পরিচালক ও ইসি কমিটির সদস্য বশির আহম্মেদ, সাবেক পরিচালক হাজী ইউনুছ আহমদ, নুরুল ইসলাম চৌধুরী, আসিফুজ্জামান চৌধুরী, ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ চৌধুরী, জুনিয়র অফিসার সারাবান তহুরা, এক্সিকিউটিভ অফিসার জেসমিন সুলতানা, এফএভিপি মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, জুনিয়র অফিসার ইমতিয়াজ মাহবুব, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার হোসনি মোবারক জিকোসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী। মোট আসামির সংখ্যা ৯৪ জন, যাদের মধ্যে অনেকেই একাধিক মামলার আসামি।
দুদক জানায়, অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সঙ্গে নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঋণের অর্থ আত্মসাৎ এবং পরবর্তীতে তা পাচার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
দুদক বলছে, মামলাগুলোর তদন্ত চলমান রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!