
ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার এক আসামি আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। একই সঙ্গে মামলার তদন্তের স্বার্থে আরও তিন আসামিকে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালতে শ্যুটার মো. জিন্নাত স্বেচ্ছায় দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
একই দিনে মামলার অপর তিন আসামি— দুই সহোদর মো. বিল্লাল (২৯), মো. আব্দুল কাদির ও মো. রিয়াজকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার পরিদর্শক মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
শুনানিকালে আসামি আব্দুল কাদির নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ঘটনার সময় তিনি কাজে ছিলেন। অপর আসামি মো. রিয়াজ জানান, একটি ফোনকলের সূত্র ধরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন। তবে আদালত আসামিদের বক্তব্য আমলে নিয়ে প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর পশ্চিম তেজতুরী পাড়ার হোটেল সুপার স্টারের পাশের একটি গলিতে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা মোসাব্বিরকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে। এতে মোসাব্বিরসহ আরও একজন গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মোসাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত সুফিয়ান বেপারী মাসুদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন নিহতের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম তেজগাঁও থানায় ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর ঢাকা, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত নম্বর প্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেল ও নগদ ৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও অন্য কোনো জড়িত ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা জানতে রিমান্ডে থাকা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার এক আসামি আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। একই সঙ্গে মামলার তদন্তের স্বার্থে আরও তিন আসামিকে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালতে শ্যুটার মো. জিন্নাত স্বেচ্ছায় দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
একই দিনে মামলার অপর তিন আসামি— দুই সহোদর মো. বিল্লাল (২৯), মো. আব্দুল কাদির ও মো. রিয়াজকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার পরিদর্শক মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
শুনানিকালে আসামি আব্দুল কাদির নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ঘটনার সময় তিনি কাজে ছিলেন। অপর আসামি মো. রিয়াজ জানান, একটি ফোনকলের সূত্র ধরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন। তবে আদালত আসামিদের বক্তব্য আমলে নিয়ে প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর পশ্চিম তেজতুরী পাড়ার হোটেল সুপার স্টারের পাশের একটি গলিতে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা মোসাব্বিরকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে। এতে মোসাব্বিরসহ আরও একজন গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মোসাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত সুফিয়ান বেপারী মাসুদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন নিহতের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম তেজগাঁও থানায় ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর ঢাকা, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত নম্বর প্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেল ও নগদ ৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও অন্য কোনো জড়িত ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা জানতে রিমান্ডে থাকা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার এক আসামি আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। একই সঙ্গে মামলার তদন্তের স্বার্থে আরও তিন আসামিকে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালতে শ্যুটার মো. জিন্নাত স্বেচ্ছায় দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
একই দিনে মামলার অপর তিন আসামি— দুই সহোদর মো. বিল্লাল (২৯), মো. আব্দুল কাদির ও মো. রিয়াজকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার পরিদর্শক মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
শুনানিকালে আসামি আব্দুল কাদির নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ঘটনার সময় তিনি কাজে ছিলেন। অপর আসামি মো. রিয়াজ জানান, একটি ফোনকলের সূত্র ধরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন। তবে আদালত আসামিদের বক্তব্য আমলে নিয়ে প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর পশ্চিম তেজতুরী পাড়ার হোটেল সুপার স্টারের পাশের একটি গলিতে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা মোসাব্বিরকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে। এতে মোসাব্বিরসহ আরও একজন গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মোসাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত সুফিয়ান বেপারী মাসুদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন নিহতের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম তেজগাঁও থানায় ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর ঢাকা, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত নম্বর প্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেল ও নগদ ৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও অন্য কোনো জড়িত ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা জানতে রিমান্ডে থাকা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার এক আসামি আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। একই সঙ্গে মামলার তদন্তের স্বার্থে আরও তিন আসামিকে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালতে শ্যুটার মো. জিন্নাত স্বেচ্ছায় দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
একই দিনে মামলার অপর তিন আসামি— দুই সহোদর মো. বিল্লাল (২৯), মো. আব্দুল কাদির ও মো. রিয়াজকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার পরিদর্শক মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
শুনানিকালে আসামি আব্দুল কাদির নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ঘটনার সময় তিনি কাজে ছিলেন। অপর আসামি মো. রিয়াজ জানান, একটি ফোনকলের সূত্র ধরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন। তবে আদালত আসামিদের বক্তব্য আমলে নিয়ে প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর পশ্চিম তেজতুরী পাড়ার হোটেল সুপার স্টারের পাশের একটি গলিতে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা মোসাব্বিরকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে। এতে মোসাব্বিরসহ আরও একজন গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মোসাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত সুফিয়ান বেপারী মাসুদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন নিহতের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম তেজগাঁও থানায় ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর ঢাকা, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত নম্বর প্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেল ও নগদ ৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও অন্য কোনো জড়িত ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা জানতে রিমান্ডে থাকা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!