
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, এই যুদ্ধ কখনোই হওয়া উচিত ছিল না। তিনি অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধ করে সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, সামরিক শক্তি ব্যবহার করে কোনো সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। বল প্রয়োগের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, শক্তিশালী মুষ্টি মানেই শক্তিশালী যুক্তি নয় এবং বিশ্ব কখনোই জঙ্গলের আইনে ফিরে যেতে পারে না।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ইরানে শাসন পরিবর্তনের কোনো প্রচেষ্টার পেছনে জনসমর্থন নেই বলেও তিনি মনে করেন।
এদিকে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়িয়ে প্রথমবারের মতো তেহরানের বড় তেল সংরক্ষণাগার ও শোধনাগারগুলোতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বাহিনী। এতে ইরানের রাজধানীজুড়ে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের দাবিতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ তখনই শেষ হবে যখন তেহরানের নেতারা পরাজয় স্বীকার করবে অথবা তাদের সামরিক সক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে।
অন্যদিকে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তা আলী লারিজানি বলেছেন, এই যুদ্ধ শুরু করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে চরম মূল্য দিতে হবে।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে উত্তেজনা কমানোর আশ্বাস দিলেও কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিক থেকে নতুন করে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, এই যুদ্ধ কখনোই হওয়া উচিত ছিল না। তিনি অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধ করে সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, সামরিক শক্তি ব্যবহার করে কোনো সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। বল প্রয়োগের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, শক্তিশালী মুষ্টি মানেই শক্তিশালী যুক্তি নয় এবং বিশ্ব কখনোই জঙ্গলের আইনে ফিরে যেতে পারে না।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ইরানে শাসন পরিবর্তনের কোনো প্রচেষ্টার পেছনে জনসমর্থন নেই বলেও তিনি মনে করেন।
এদিকে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়িয়ে প্রথমবারের মতো তেহরানের বড় তেল সংরক্ষণাগার ও শোধনাগারগুলোতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বাহিনী। এতে ইরানের রাজধানীজুড়ে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের দাবিতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ তখনই শেষ হবে যখন তেহরানের নেতারা পরাজয় স্বীকার করবে অথবা তাদের সামরিক সক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে।
অন্যদিকে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তা আলী লারিজানি বলেছেন, এই যুদ্ধ শুরু করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে চরম মূল্য দিতে হবে।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে উত্তেজনা কমানোর আশ্বাস দিলেও কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিক থেকে নতুন করে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, এই যুদ্ধ কখনোই হওয়া উচিত ছিল না। তিনি অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধ করে সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, সামরিক শক্তি ব্যবহার করে কোনো সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। বল প্রয়োগের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, শক্তিশালী মুষ্টি মানেই শক্তিশালী যুক্তি নয় এবং বিশ্ব কখনোই জঙ্গলের আইনে ফিরে যেতে পারে না।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ইরানে শাসন পরিবর্তনের কোনো প্রচেষ্টার পেছনে জনসমর্থন নেই বলেও তিনি মনে করেন।
এদিকে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়িয়ে প্রথমবারের মতো তেহরানের বড় তেল সংরক্ষণাগার ও শোধনাগারগুলোতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বাহিনী। এতে ইরানের রাজধানীজুড়ে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের দাবিতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ তখনই শেষ হবে যখন তেহরানের নেতারা পরাজয় স্বীকার করবে অথবা তাদের সামরিক সক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে।
অন্যদিকে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তা আলী লারিজানি বলেছেন, এই যুদ্ধ শুরু করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে চরম মূল্য দিতে হবে।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে উত্তেজনা কমানোর আশ্বাস দিলেও কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিক থেকে নতুন করে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, এই যুদ্ধ কখনোই হওয়া উচিত ছিল না। তিনি অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধ করে সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, সামরিক শক্তি ব্যবহার করে কোনো সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। বল প্রয়োগের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, শক্তিশালী মুষ্টি মানেই শক্তিশালী যুক্তি নয় এবং বিশ্ব কখনোই জঙ্গলের আইনে ফিরে যেতে পারে না।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ইরানে শাসন পরিবর্তনের কোনো প্রচেষ্টার পেছনে জনসমর্থন নেই বলেও তিনি মনে করেন।
এদিকে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়িয়ে প্রথমবারের মতো তেহরানের বড় তেল সংরক্ষণাগার ও শোধনাগারগুলোতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বাহিনী। এতে ইরানের রাজধানীজুড়ে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের দাবিতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ তখনই শেষ হবে যখন তেহরানের নেতারা পরাজয় স্বীকার করবে অথবা তাদের সামরিক সক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে।
অন্যদিকে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তা আলী লারিজানি বলেছেন, এই যুদ্ধ শুরু করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে চরম মূল্য দিতে হবে।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে উত্তেজনা কমানোর আশ্বাস দিলেও কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিক থেকে নতুন করে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!