আবাসিক বসতঘরে দেহ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে দুই নারী ও এক খদ্দেরসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, রোববার ভোরে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন–এর সলিমপুর গ্রামে সোহাগ হাওলাদারের বসতঘরে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে হাতেনাতে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন-সোহাগ হাওলাদার (৪৫), আবু হানিফ (৪২), তানিয়া (৩৬) ও মাহিনুর (৩৫)। সোহাগ স্থানীয় বাসিন্দা হলেও অপর তিনজনের বাড়ি পটুয়াখালী ও মির্জাগঞ্জ এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে তার বাড়িতে গোপনে দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে অসন্তোষ ছিল। শনিবার রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ ফোন করে স্থানীয়রা তথ্য দিলে পুলিশ অভিযান চালায়।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আবাসিক বসতঘরে দেহ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে দুই নারী ও এক খদ্দেরসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, রোববার ভোরে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন–এর সলিমপুর গ্রামে সোহাগ হাওলাদারের বসতঘরে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে হাতেনাতে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন-সোহাগ হাওলাদার (৪৫), আবু হানিফ (৪২), তানিয়া (৩৬) ও মাহিনুর (৩৫)। সোহাগ স্থানীয় বাসিন্দা হলেও অপর তিনজনের বাড়ি পটুয়াখালী ও মির্জাগঞ্জ এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে তার বাড়িতে গোপনে দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে অসন্তোষ ছিল। শনিবার রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ ফোন করে স্থানীয়রা তথ্য দিলে পুলিশ অভিযান চালায়।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আবাসিক বসতঘরে দেহ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে দুই নারী ও এক খদ্দেরসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, রোববার ভোরে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন–এর সলিমপুর গ্রামে সোহাগ হাওলাদারের বসতঘরে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে হাতেনাতে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন-সোহাগ হাওলাদার (৪৫), আবু হানিফ (৪২), তানিয়া (৩৬) ও মাহিনুর (৩৫)। সোহাগ স্থানীয় বাসিন্দা হলেও অপর তিনজনের বাড়ি পটুয়াখালী ও মির্জাগঞ্জ এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে তার বাড়িতে গোপনে দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে অসন্তোষ ছিল। শনিবার রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ ফোন করে স্থানীয়রা তথ্য দিলে পুলিশ অভিযান চালায়।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আবাসিক বসতঘরে দেহ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে দুই নারী ও এক খদ্দেরসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, রোববার ভোরে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন–এর সলিমপুর গ্রামে সোহাগ হাওলাদারের বসতঘরে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে হাতেনাতে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন-সোহাগ হাওলাদার (৪৫), আবু হানিফ (৪২), তানিয়া (৩৬) ও মাহিনুর (৩৫)। সোহাগ স্থানীয় বাসিন্দা হলেও অপর তিনজনের বাড়ি পটুয়াখালী ও মির্জাগঞ্জ এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে তার বাড়িতে গোপনে দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে অসন্তোষ ছিল। শনিবার রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ ফোন করে স্থানীয়রা তথ্য দিলে পুলিশ অভিযান চালায়।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!