ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, অন্য দেশগুলোর ওপর নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা আর নেই যুক্তরাষ্ট্রর। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালাইনিক এ মন্তব্য করেছেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন এখন আর এমন অবস্থানে নেই যে স্বাধীন দেশগুলোর ওপর নিজেদের নীতি চাপিয়ে দেবে। বিশ্ব পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং একক আধিপত্য বজায় রাখা এখন আর সম্ভব নয়।
রেজা তালাইনিক আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ‘অবৈধ ও অযৌক্তিক’ দাবিগুলো থেকে সরে আসতে হবে। ইরান কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না এবং নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তেহরান অটল থাকবে।
চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান সম্প্রতি একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে, যেখানে যুদ্ধের অবসানকে পারমাণবিক আলোচনার পূর্বশর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবুও তেহরানের ধারণা, শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন তাদের প্রস্তাব বিবেচনায় নিতে বাধ্য হবে।
এদিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, নিজেদের নিরাপত্তা রক্ষায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত বা নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার ইরানের রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, পুরো পরিস্থিতির দায় ইরানের ওপর চাপানোর চেষ্টা চলছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, কোনো উপকূলীয় রাষ্ট্র আক্রান্ত হলে তারা নিজেদের জলসীমায় নৌ-চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
পশ্চিমা দেশগুলোর সমালোচনা করে রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, তারা একদিকে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, অন্যদিকে ‘নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা’ নিয়ে কথা বলে—যা তার ভাষায় ‘চরম ভণ্ডামি’।
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, অন্য দেশগুলোর ওপর নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা আর নেই যুক্তরাষ্ট্রর। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালাইনিক এ মন্তব্য করেছেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন এখন আর এমন অবস্থানে নেই যে স্বাধীন দেশগুলোর ওপর নিজেদের নীতি চাপিয়ে দেবে। বিশ্ব পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং একক আধিপত্য বজায় রাখা এখন আর সম্ভব নয়।
রেজা তালাইনিক আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ‘অবৈধ ও অযৌক্তিক’ দাবিগুলো থেকে সরে আসতে হবে। ইরান কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না এবং নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তেহরান অটল থাকবে।
চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান সম্প্রতি একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে, যেখানে যুদ্ধের অবসানকে পারমাণবিক আলোচনার পূর্বশর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবুও তেহরানের ধারণা, শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন তাদের প্রস্তাব বিবেচনায় নিতে বাধ্য হবে।
এদিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, নিজেদের নিরাপত্তা রক্ষায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত বা নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার ইরানের রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, পুরো পরিস্থিতির দায় ইরানের ওপর চাপানোর চেষ্টা চলছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, কোনো উপকূলীয় রাষ্ট্র আক্রান্ত হলে তারা নিজেদের জলসীমায় নৌ-চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
পশ্চিমা দেশগুলোর সমালোচনা করে রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, তারা একদিকে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, অন্যদিকে ‘নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা’ নিয়ে কথা বলে—যা তার ভাষায় ‘চরম ভণ্ডামি’।
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, অন্য দেশগুলোর ওপর নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা আর নেই যুক্তরাষ্ট্রর। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালাইনিক এ মন্তব্য করেছেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন এখন আর এমন অবস্থানে নেই যে স্বাধীন দেশগুলোর ওপর নিজেদের নীতি চাপিয়ে দেবে। বিশ্ব পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং একক আধিপত্য বজায় রাখা এখন আর সম্ভব নয়।
রেজা তালাইনিক আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ‘অবৈধ ও অযৌক্তিক’ দাবিগুলো থেকে সরে আসতে হবে। ইরান কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না এবং নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তেহরান অটল থাকবে।
চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান সম্প্রতি একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে, যেখানে যুদ্ধের অবসানকে পারমাণবিক আলোচনার পূর্বশর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবুও তেহরানের ধারণা, শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন তাদের প্রস্তাব বিবেচনায় নিতে বাধ্য হবে।
এদিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, নিজেদের নিরাপত্তা রক্ষায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত বা নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার ইরানের রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, পুরো পরিস্থিতির দায় ইরানের ওপর চাপানোর চেষ্টা চলছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, কোনো উপকূলীয় রাষ্ট্র আক্রান্ত হলে তারা নিজেদের জলসীমায় নৌ-চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
পশ্চিমা দেশগুলোর সমালোচনা করে রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, তারা একদিকে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, অন্যদিকে ‘নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা’ নিয়ে কথা বলে—যা তার ভাষায় ‘চরম ভণ্ডামি’।
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, অন্য দেশগুলোর ওপর নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা আর নেই যুক্তরাষ্ট্রর। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালাইনিক এ মন্তব্য করেছেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন এখন আর এমন অবস্থানে নেই যে স্বাধীন দেশগুলোর ওপর নিজেদের নীতি চাপিয়ে দেবে। বিশ্ব পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং একক আধিপত্য বজায় রাখা এখন আর সম্ভব নয়।
রেজা তালাইনিক আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ‘অবৈধ ও অযৌক্তিক’ দাবিগুলো থেকে সরে আসতে হবে। ইরান কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না এবং নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তেহরান অটল থাকবে।
চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান সম্প্রতি একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে, যেখানে যুদ্ধের অবসানকে পারমাণবিক আলোচনার পূর্বশর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবুও তেহরানের ধারণা, শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন তাদের প্রস্তাব বিবেচনায় নিতে বাধ্য হবে।
এদিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, নিজেদের নিরাপত্তা রক্ষায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত বা নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার ইরানের রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, পুরো পরিস্থিতির দায় ইরানের ওপর চাপানোর চেষ্টা চলছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, কোনো উপকূলীয় রাষ্ট্র আক্রান্ত হলে তারা নিজেদের জলসীমায় নৌ-চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
পশ্চিমা দেশগুলোর সমালোচনা করে রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, তারা একদিকে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, অন্যদিকে ‘নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা’ নিয়ে কথা বলে—যা তার ভাষায় ‘চরম ভণ্ডামি’।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!