
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত স্থায়ীভাবে নিরসনে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানকে একটি ‘কার্যকর কাঠামো’ প্রস্তাব দিয়েছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, এই কাঠামোর মাধ্যমে যুদ্ধের স্থায়ী সমাধান এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পথ তুলে ধরা হয়েছে। তবে প্রস্তাবটির বিস্তারিত বিষয়ে তিনি কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রশংসা করে আরাঘচি বলেন, সংলাপ ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় দেশটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সদিচ্ছা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন।
তাসনিম নিউজ এজেন্সি-এর তথ্য অনুযায়ী, আলোচনাটি পারমাণবিক ইস্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বরং যুদ্ধের অবসান এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তাসনিমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের কাছে ইরানের শর্তগুলো তুলে ধরতেই ইসলামাবাদ সফর করছেন আরাঘচি।
প্রস্তাবিত কাঠামোর সম্ভাব্য শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে-হরমুজ প্রণালিতে নতুন আইনি কাঠামো আরোপ, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ গ্রহণ। ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক আগ্রাসন না হওয়ার নিশ্চয়তা, ইরানের ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার।
এদিকে রুশ বার্তা সংস্থা তাস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচনার জন্য একটি ‘নির্দিষ্ট সীমারেখা’ নির্ধারণ করেছেন রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো আলোচনা দীর্ঘস্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি তেহরানের বৈধ অধিকার স্বীকৃতি, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ এবং পুনরায় হামলা না করার নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত স্থায়ীভাবে নিরসনে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানকে একটি ‘কার্যকর কাঠামো’ প্রস্তাব দিয়েছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, এই কাঠামোর মাধ্যমে যুদ্ধের স্থায়ী সমাধান এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পথ তুলে ধরা হয়েছে। তবে প্রস্তাবটির বিস্তারিত বিষয়ে তিনি কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রশংসা করে আরাঘচি বলেন, সংলাপ ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় দেশটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সদিচ্ছা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন।
তাসনিম নিউজ এজেন্সি-এর তথ্য অনুযায়ী, আলোচনাটি পারমাণবিক ইস্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বরং যুদ্ধের অবসান এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তাসনিমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের কাছে ইরানের শর্তগুলো তুলে ধরতেই ইসলামাবাদ সফর করছেন আরাঘচি।
প্রস্তাবিত কাঠামোর সম্ভাব্য শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে-হরমুজ প্রণালিতে নতুন আইনি কাঠামো আরোপ, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ গ্রহণ। ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক আগ্রাসন না হওয়ার নিশ্চয়তা, ইরানের ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার।
এদিকে রুশ বার্তা সংস্থা তাস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচনার জন্য একটি ‘নির্দিষ্ট সীমারেখা’ নির্ধারণ করেছেন রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো আলোচনা দীর্ঘস্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি তেহরানের বৈধ অধিকার স্বীকৃতি, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ এবং পুনরায় হামলা না করার নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত স্থায়ীভাবে নিরসনে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানকে একটি ‘কার্যকর কাঠামো’ প্রস্তাব দিয়েছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, এই কাঠামোর মাধ্যমে যুদ্ধের স্থায়ী সমাধান এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পথ তুলে ধরা হয়েছে। তবে প্রস্তাবটির বিস্তারিত বিষয়ে তিনি কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রশংসা করে আরাঘচি বলেন, সংলাপ ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় দেশটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সদিচ্ছা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন।
তাসনিম নিউজ এজেন্সি-এর তথ্য অনুযায়ী, আলোচনাটি পারমাণবিক ইস্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বরং যুদ্ধের অবসান এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তাসনিমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের কাছে ইরানের শর্তগুলো তুলে ধরতেই ইসলামাবাদ সফর করছেন আরাঘচি।
প্রস্তাবিত কাঠামোর সম্ভাব্য শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে-হরমুজ প্রণালিতে নতুন আইনি কাঠামো আরোপ, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ গ্রহণ। ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক আগ্রাসন না হওয়ার নিশ্চয়তা, ইরানের ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার।
এদিকে রুশ বার্তা সংস্থা তাস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচনার জন্য একটি ‘নির্দিষ্ট সীমারেখা’ নির্ধারণ করেছেন রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো আলোচনা দীর্ঘস্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি তেহরানের বৈধ অধিকার স্বীকৃতি, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ এবং পুনরায় হামলা না করার নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত স্থায়ীভাবে নিরসনে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানকে একটি ‘কার্যকর কাঠামো’ প্রস্তাব দিয়েছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, এই কাঠামোর মাধ্যমে যুদ্ধের স্থায়ী সমাধান এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পথ তুলে ধরা হয়েছে। তবে প্রস্তাবটির বিস্তারিত বিষয়ে তিনি কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রশংসা করে আরাঘচি বলেন, সংলাপ ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় দেশটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সদিচ্ছা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন।
তাসনিম নিউজ এজেন্সি-এর তথ্য অনুযায়ী, আলোচনাটি পারমাণবিক ইস্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বরং যুদ্ধের অবসান এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তাসনিমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের কাছে ইরানের শর্তগুলো তুলে ধরতেই ইসলামাবাদ সফর করছেন আরাঘচি।
প্রস্তাবিত কাঠামোর সম্ভাব্য শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে-হরমুজ প্রণালিতে নতুন আইনি কাঠামো আরোপ, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ গ্রহণ। ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক আগ্রাসন না হওয়ার নিশ্চয়তা, ইরানের ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার।
এদিকে রুশ বার্তা সংস্থা তাস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচনার জন্য একটি ‘নির্দিষ্ট সীমারেখা’ নির্ধারণ করেছেন রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো আলোচনা দীর্ঘস্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি তেহরানের বৈধ অধিকার স্বীকৃতি, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ এবং পুনরায় হামলা না করার নিশ্চয়তা থাকতে হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!