
বজ্রঝড় বা বজ্রপাতের দৃশ্য দেখতে যতটা রোমাঞ্চকর, সঠিক সতর্কতা না নিলে এটি ততটাই বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। বজ্রপাত কেবল সরাসরি আঘাত করলেই ক্ষতি করে না, বরং এটি পানি, তার, পাইপ এমনকি ধাতব কাঠামোর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আমাদের ওপর আঘাত হানতে পারে। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বজ্রঝড়ের সময় এবং ঠিক পরবর্তী সময়ে নিচের ৫টি বিষয় অবশ্যই এড়িয়ে চলা উচিত।
১. ভিজে কোনো কিছু স্পর্শ করা বা পানির সংস্পর্শে থাকা
পানি সরাসরি বজ্রপাতকে আকর্ষণ না করলেও এটি অত্যন্ত শক্তিশালী বিদ্যুৎ পরিবাহী। বজ্রপাত কাছাকাছি কোথাও আঘাত করলে সেই বিদ্যুৎ পানির মাধ্যমে আপনার শরীরে পৌঁছাতে পারে। তাই ঝড়ের সময় পুকুর বা হ্রদে থাকা এবং কোনো ভিজে পৃষ্ঠ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা জরুরি।
চার্জে থাকা স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ ব্যবহার করা এই সময়ে মোটেও নিরাপদ নয়। বজ্রপাত বৈদ্যুতিক লাইন বা ফোনের তারের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। ঝড়ের সময় বৈদ্যুতিক সকেট থেকে প্লাগ খুলে ফেলাও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তাই বজ্রঝড় শুরু হওয়ার আগেই সতর্কতা অবলম্বন করা এবং ঝড় না থামা পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত।
৩. ঝড় থামার সাথে সাথেই ঘর থেকে বের হওয়া
বৃষ্টি থেমে গেলেই বজ্রপাতের আশঙ্কা কমে যায় না। বিশেষজ্ঞরা ‘৩০-৩০’ নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দেন: যদি বিদ্যুৎ চমকানোর ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায়, তবে সাথে সাথে ঘরের ভেতরে আশ্রয় নিন। আবার ঝড়ের শেষ গর্জন শোনার পর অন্তত ৩০ মিনিট ঘরের ভেতরে অপেক্ষা করা উচিত, কারণ বজ্রপাত ঝড় থেকে অনেক মাইল দূরেও আঘাত হানতে পারে।
৪. কংক্রিটের দেয়াল ও মেঝের সংস্পর্শে আসা
আশ্রয় হিসেবে কংক্রিটের কাঠামো মজবুত মনে হলেও বজ্রঝড়ের সময় এটি বিপজ্জনক হতে পারে। কংক্রিটের দেয়াল বা মেঝের ভেতরে থাকা ধাতব তার বা রড বিদ্যুৎ পরিবহন করতে সক্ষম। তাই ঝড়ের সময় কংক্রিটের দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়ানো বা সরাসরি মেঝের ওপর বসে থাকা নিরাপদ নয়।
৫. গোসল করা বা পানি ব্যবহার করা
বজ্রঝড়ের সময় গোসল করা অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হতে পারে। বাড়ির ওপর বজ্রপাত হলে সেটি সরাসরি প্লাম্বিং বা পানির পাইপের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে আপনাকে বৈদ্যুতিক শক দিতে পারে। এমনকি হাত ধোয়া বা থালা-বাসন ধোয়ার কাজেও বজ্রপাতের সময় ঝুঁকি থেকে যায়।
প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের সময় কেবল সচেতনতাই পারে আমাদের অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ থেকে রক্ষা করতে। তাই বজ্রঝড়ের সময় উপরোক্ত বিষয়গুলো এড়িয়ে চলে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

বজ্রঝড় বা বজ্রপাতের দৃশ্য দেখতে যতটা রোমাঞ্চকর, সঠিক সতর্কতা না নিলে এটি ততটাই বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। বজ্রপাত কেবল সরাসরি আঘাত করলেই ক্ষতি করে না, বরং এটি পানি, তার, পাইপ এমনকি ধাতব কাঠামোর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আমাদের ওপর আঘাত হানতে পারে। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বজ্রঝড়ের সময় এবং ঠিক পরবর্তী সময়ে নিচের ৫টি বিষয় অবশ্যই এড়িয়ে চলা উচিত।
১. ভিজে কোনো কিছু স্পর্শ করা বা পানির সংস্পর্শে থাকা
পানি সরাসরি বজ্রপাতকে আকর্ষণ না করলেও এটি অত্যন্ত শক্তিশালী বিদ্যুৎ পরিবাহী। বজ্রপাত কাছাকাছি কোথাও আঘাত করলে সেই বিদ্যুৎ পানির মাধ্যমে আপনার শরীরে পৌঁছাতে পারে। তাই ঝড়ের সময় পুকুর বা হ্রদে থাকা এবং কোনো ভিজে পৃষ্ঠ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা জরুরি।
চার্জে থাকা স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ ব্যবহার করা এই সময়ে মোটেও নিরাপদ নয়। বজ্রপাত বৈদ্যুতিক লাইন বা ফোনের তারের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। ঝড়ের সময় বৈদ্যুতিক সকেট থেকে প্লাগ খুলে ফেলাও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তাই বজ্রঝড় শুরু হওয়ার আগেই সতর্কতা অবলম্বন করা এবং ঝড় না থামা পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত।
৩. ঝড় থামার সাথে সাথেই ঘর থেকে বের হওয়া
বৃষ্টি থেমে গেলেই বজ্রপাতের আশঙ্কা কমে যায় না। বিশেষজ্ঞরা ‘৩০-৩০’ নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দেন: যদি বিদ্যুৎ চমকানোর ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায়, তবে সাথে সাথে ঘরের ভেতরে আশ্রয় নিন। আবার ঝড়ের শেষ গর্জন শোনার পর অন্তত ৩০ মিনিট ঘরের ভেতরে অপেক্ষা করা উচিত, কারণ বজ্রপাত ঝড় থেকে অনেক মাইল দূরেও আঘাত হানতে পারে।
৪. কংক্রিটের দেয়াল ও মেঝের সংস্পর্শে আসা
আশ্রয় হিসেবে কংক্রিটের কাঠামো মজবুত মনে হলেও বজ্রঝড়ের সময় এটি বিপজ্জনক হতে পারে। কংক্রিটের দেয়াল বা মেঝের ভেতরে থাকা ধাতব তার বা রড বিদ্যুৎ পরিবহন করতে সক্ষম। তাই ঝড়ের সময় কংক্রিটের দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়ানো বা সরাসরি মেঝের ওপর বসে থাকা নিরাপদ নয়।
৫. গোসল করা বা পানি ব্যবহার করা
বজ্রঝড়ের সময় গোসল করা অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হতে পারে। বাড়ির ওপর বজ্রপাত হলে সেটি সরাসরি প্লাম্বিং বা পানির পাইপের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে আপনাকে বৈদ্যুতিক শক দিতে পারে। এমনকি হাত ধোয়া বা থালা-বাসন ধোয়ার কাজেও বজ্রপাতের সময় ঝুঁকি থেকে যায়।
প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের সময় কেবল সচেতনতাই পারে আমাদের অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ থেকে রক্ষা করতে। তাই বজ্রঝড়ের সময় উপরোক্ত বিষয়গুলো এড়িয়ে চলে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

বজ্রঝড় বা বজ্রপাতের দৃশ্য দেখতে যতটা রোমাঞ্চকর, সঠিক সতর্কতা না নিলে এটি ততটাই বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। বজ্রপাত কেবল সরাসরি আঘাত করলেই ক্ষতি করে না, বরং এটি পানি, তার, পাইপ এমনকি ধাতব কাঠামোর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আমাদের ওপর আঘাত হানতে পারে। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বজ্রঝড়ের সময় এবং ঠিক পরবর্তী সময়ে নিচের ৫টি বিষয় অবশ্যই এড়িয়ে চলা উচিত।
১. ভিজে কোনো কিছু স্পর্শ করা বা পানির সংস্পর্শে থাকা
পানি সরাসরি বজ্রপাতকে আকর্ষণ না করলেও এটি অত্যন্ত শক্তিশালী বিদ্যুৎ পরিবাহী। বজ্রপাত কাছাকাছি কোথাও আঘাত করলে সেই বিদ্যুৎ পানির মাধ্যমে আপনার শরীরে পৌঁছাতে পারে। তাই ঝড়ের সময় পুকুর বা হ্রদে থাকা এবং কোনো ভিজে পৃষ্ঠ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা জরুরি।
চার্জে থাকা স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ ব্যবহার করা এই সময়ে মোটেও নিরাপদ নয়। বজ্রপাত বৈদ্যুতিক লাইন বা ফোনের তারের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। ঝড়ের সময় বৈদ্যুতিক সকেট থেকে প্লাগ খুলে ফেলাও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তাই বজ্রঝড় শুরু হওয়ার আগেই সতর্কতা অবলম্বন করা এবং ঝড় না থামা পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত।
৩. ঝড় থামার সাথে সাথেই ঘর থেকে বের হওয়া
বৃষ্টি থেমে গেলেই বজ্রপাতের আশঙ্কা কমে যায় না। বিশেষজ্ঞরা ‘৩০-৩০’ নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দেন: যদি বিদ্যুৎ চমকানোর ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায়, তবে সাথে সাথে ঘরের ভেতরে আশ্রয় নিন। আবার ঝড়ের শেষ গর্জন শোনার পর অন্তত ৩০ মিনিট ঘরের ভেতরে অপেক্ষা করা উচিত, কারণ বজ্রপাত ঝড় থেকে অনেক মাইল দূরেও আঘাত হানতে পারে।
৪. কংক্রিটের দেয়াল ও মেঝের সংস্পর্শে আসা
আশ্রয় হিসেবে কংক্রিটের কাঠামো মজবুত মনে হলেও বজ্রঝড়ের সময় এটি বিপজ্জনক হতে পারে। কংক্রিটের দেয়াল বা মেঝের ভেতরে থাকা ধাতব তার বা রড বিদ্যুৎ পরিবহন করতে সক্ষম। তাই ঝড়ের সময় কংক্রিটের দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়ানো বা সরাসরি মেঝের ওপর বসে থাকা নিরাপদ নয়।
৫. গোসল করা বা পানি ব্যবহার করা
বজ্রঝড়ের সময় গোসল করা অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হতে পারে। বাড়ির ওপর বজ্রপাত হলে সেটি সরাসরি প্লাম্বিং বা পানির পাইপের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে আপনাকে বৈদ্যুতিক শক দিতে পারে। এমনকি হাত ধোয়া বা থালা-বাসন ধোয়ার কাজেও বজ্রপাতের সময় ঝুঁকি থেকে যায়।
প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের সময় কেবল সচেতনতাই পারে আমাদের অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ থেকে রক্ষা করতে। তাই বজ্রঝড়ের সময় উপরোক্ত বিষয়গুলো এড়িয়ে চলে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

বজ্রঝড় বা বজ্রপাতের দৃশ্য দেখতে যতটা রোমাঞ্চকর, সঠিক সতর্কতা না নিলে এটি ততটাই বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। বজ্রপাত কেবল সরাসরি আঘাত করলেই ক্ষতি করে না, বরং এটি পানি, তার, পাইপ এমনকি ধাতব কাঠামোর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আমাদের ওপর আঘাত হানতে পারে। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বজ্রঝড়ের সময় এবং ঠিক পরবর্তী সময়ে নিচের ৫টি বিষয় অবশ্যই এড়িয়ে চলা উচিত।
১. ভিজে কোনো কিছু স্পর্শ করা বা পানির সংস্পর্শে থাকা
পানি সরাসরি বজ্রপাতকে আকর্ষণ না করলেও এটি অত্যন্ত শক্তিশালী বিদ্যুৎ পরিবাহী। বজ্রপাত কাছাকাছি কোথাও আঘাত করলে সেই বিদ্যুৎ পানির মাধ্যমে আপনার শরীরে পৌঁছাতে পারে। তাই ঝড়ের সময় পুকুর বা হ্রদে থাকা এবং কোনো ভিজে পৃষ্ঠ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা জরুরি।
চার্জে থাকা স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ ব্যবহার করা এই সময়ে মোটেও নিরাপদ নয়। বজ্রপাত বৈদ্যুতিক লাইন বা ফোনের তারের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। ঝড়ের সময় বৈদ্যুতিক সকেট থেকে প্লাগ খুলে ফেলাও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তাই বজ্রঝড় শুরু হওয়ার আগেই সতর্কতা অবলম্বন করা এবং ঝড় না থামা পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত।
৩. ঝড় থামার সাথে সাথেই ঘর থেকে বের হওয়া
বৃষ্টি থেমে গেলেই বজ্রপাতের আশঙ্কা কমে যায় না। বিশেষজ্ঞরা ‘৩০-৩০’ নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দেন: যদি বিদ্যুৎ চমকানোর ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায়, তবে সাথে সাথে ঘরের ভেতরে আশ্রয় নিন। আবার ঝড়ের শেষ গর্জন শোনার পর অন্তত ৩০ মিনিট ঘরের ভেতরে অপেক্ষা করা উচিত, কারণ বজ্রপাত ঝড় থেকে অনেক মাইল দূরেও আঘাত হানতে পারে।
৪. কংক্রিটের দেয়াল ও মেঝের সংস্পর্শে আসা
আশ্রয় হিসেবে কংক্রিটের কাঠামো মজবুত মনে হলেও বজ্রঝড়ের সময় এটি বিপজ্জনক হতে পারে। কংক্রিটের দেয়াল বা মেঝের ভেতরে থাকা ধাতব তার বা রড বিদ্যুৎ পরিবহন করতে সক্ষম। তাই ঝড়ের সময় কংক্রিটের দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়ানো বা সরাসরি মেঝের ওপর বসে থাকা নিরাপদ নয়।
৫. গোসল করা বা পানি ব্যবহার করা
বজ্রঝড়ের সময় গোসল করা অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হতে পারে। বাড়ির ওপর বজ্রপাত হলে সেটি সরাসরি প্লাম্বিং বা পানির পাইপের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে আপনাকে বৈদ্যুতিক শক দিতে পারে। এমনকি হাত ধোয়া বা থালা-বাসন ধোয়ার কাজেও বজ্রপাতের সময় ঝুঁকি থেকে যায়।
প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের সময় কেবল সচেতনতাই পারে আমাদের অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ থেকে রক্ষা করতে। তাই বজ্রঝড়ের সময় উপরোক্ত বিষয়গুলো এড়িয়ে চলে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!