
কোরবানির জন্য এক বছর আগে থেকেই পশু কিনে লালন-পালন করা ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। সম্প্রতি ভারতের বিখ্যাত ইসলামী গবেষণা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগ থেকে এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এক ব্যক্তি দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগে প্রশ্ন করেন যে, তিনি কোরবানির নিয়তে এক বছর আগে থেকেই একটি পশু পালন করছেন। নির্দিষ্ট সময়ের এত আগে থেকে কোরবানির পশু লালন-পালন করা শরিয়তসম্মত কি না এবং তার এই কাজ সঠিক কি না, তা তিনি জানতে চান।
প্রশ্নের জবাবে দেওবন্দের মুফতিরা জানান, কোরবানির পশুকে আগে থেকে লালন-পালন করা, পশুর প্রতি মমতা রাখা এবং ভালো খাবার খাইয়ে হৃষ্টপুষ্ট করে তোলা শুধু জায়েজ নয়, বরং অত্যন্ত পছন্দনীয় বা মুস্তাহাব আমল। এর মাধ্যমে সওয়াবের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায়।
বিখ্যাত ফতোয়া গ্রন্থ ফাতাওয়া-এ-হিন্দিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে ফতোয়াটিতে বলা হয়েছে, কোরবানির জন্য সবচেয়ে সুন্দর, বড় এবং হৃষ্টপুষ্ট পশু নির্বাচন করাই উত্তম। তাই পশুকে যত্ন নিয়ে বড় করে তোলা শরীয়তের দৃষ্টিতে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
ইসলামী আইনজ্ঞদের মতে, কোরবানির উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের প্রিয় ও সেরা সম্পদটি উৎসর্গ করা। সেই হিসেবে আগে থেকে পশু পালন করে কোরবানির উপযুক্ত করে তোলা ইবাদতেরই অংশ। তাই এ নিয়ে সংশয়ের কোনো অবকাশ নেই।

কোরবানির জন্য এক বছর আগে থেকেই পশু কিনে লালন-পালন করা ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। সম্প্রতি ভারতের বিখ্যাত ইসলামী গবেষণা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগ থেকে এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এক ব্যক্তি দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগে প্রশ্ন করেন যে, তিনি কোরবানির নিয়তে এক বছর আগে থেকেই একটি পশু পালন করছেন। নির্দিষ্ট সময়ের এত আগে থেকে কোরবানির পশু লালন-পালন করা শরিয়তসম্মত কি না এবং তার এই কাজ সঠিক কি না, তা তিনি জানতে চান।
প্রশ্নের জবাবে দেওবন্দের মুফতিরা জানান, কোরবানির পশুকে আগে থেকে লালন-পালন করা, পশুর প্রতি মমতা রাখা এবং ভালো খাবার খাইয়ে হৃষ্টপুষ্ট করে তোলা শুধু জায়েজ নয়, বরং অত্যন্ত পছন্দনীয় বা মুস্তাহাব আমল। এর মাধ্যমে সওয়াবের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায়।
বিখ্যাত ফতোয়া গ্রন্থ ফাতাওয়া-এ-হিন্দিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে ফতোয়াটিতে বলা হয়েছে, কোরবানির জন্য সবচেয়ে সুন্দর, বড় এবং হৃষ্টপুষ্ট পশু নির্বাচন করাই উত্তম। তাই পশুকে যত্ন নিয়ে বড় করে তোলা শরীয়তের দৃষ্টিতে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
ইসলামী আইনজ্ঞদের মতে, কোরবানির উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের প্রিয় ও সেরা সম্পদটি উৎসর্গ করা। সেই হিসেবে আগে থেকে পশু পালন করে কোরবানির উপযুক্ত করে তোলা ইবাদতেরই অংশ। তাই এ নিয়ে সংশয়ের কোনো অবকাশ নেই।

কোরবানির জন্য এক বছর আগে থেকেই পশু কিনে লালন-পালন করা ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। সম্প্রতি ভারতের বিখ্যাত ইসলামী গবেষণা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগ থেকে এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এক ব্যক্তি দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগে প্রশ্ন করেন যে, তিনি কোরবানির নিয়তে এক বছর আগে থেকেই একটি পশু পালন করছেন। নির্দিষ্ট সময়ের এত আগে থেকে কোরবানির পশু লালন-পালন করা শরিয়তসম্মত কি না এবং তার এই কাজ সঠিক কি না, তা তিনি জানতে চান।
প্রশ্নের জবাবে দেওবন্দের মুফতিরা জানান, কোরবানির পশুকে আগে থেকে লালন-পালন করা, পশুর প্রতি মমতা রাখা এবং ভালো খাবার খাইয়ে হৃষ্টপুষ্ট করে তোলা শুধু জায়েজ নয়, বরং অত্যন্ত পছন্দনীয় বা মুস্তাহাব আমল। এর মাধ্যমে সওয়াবের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায়।
বিখ্যাত ফতোয়া গ্রন্থ ফাতাওয়া-এ-হিন্দিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে ফতোয়াটিতে বলা হয়েছে, কোরবানির জন্য সবচেয়ে সুন্দর, বড় এবং হৃষ্টপুষ্ট পশু নির্বাচন করাই উত্তম। তাই পশুকে যত্ন নিয়ে বড় করে তোলা শরীয়তের দৃষ্টিতে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
ইসলামী আইনজ্ঞদের মতে, কোরবানির উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের প্রিয় ও সেরা সম্পদটি উৎসর্গ করা। সেই হিসেবে আগে থেকে পশু পালন করে কোরবানির উপযুক্ত করে তোলা ইবাদতেরই অংশ। তাই এ নিয়ে সংশয়ের কোনো অবকাশ নেই।

কোরবানির জন্য এক বছর আগে থেকেই পশু কিনে লালন-পালন করা ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। সম্প্রতি ভারতের বিখ্যাত ইসলামী গবেষণা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগ থেকে এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এক ব্যক্তি দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগে প্রশ্ন করেন যে, তিনি কোরবানির নিয়তে এক বছর আগে থেকেই একটি পশু পালন করছেন। নির্দিষ্ট সময়ের এত আগে থেকে কোরবানির পশু লালন-পালন করা শরিয়তসম্মত কি না এবং তার এই কাজ সঠিক কি না, তা তিনি জানতে চান।
প্রশ্নের জবাবে দেওবন্দের মুফতিরা জানান, কোরবানির পশুকে আগে থেকে লালন-পালন করা, পশুর প্রতি মমতা রাখা এবং ভালো খাবার খাইয়ে হৃষ্টপুষ্ট করে তোলা শুধু জায়েজ নয়, বরং অত্যন্ত পছন্দনীয় বা মুস্তাহাব আমল। এর মাধ্যমে সওয়াবের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায়।
বিখ্যাত ফতোয়া গ্রন্থ ফাতাওয়া-এ-হিন্দিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে ফতোয়াটিতে বলা হয়েছে, কোরবানির জন্য সবচেয়ে সুন্দর, বড় এবং হৃষ্টপুষ্ট পশু নির্বাচন করাই উত্তম। তাই পশুকে যত্ন নিয়ে বড় করে তোলা শরীয়তের দৃষ্টিতে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
ইসলামী আইনজ্ঞদের মতে, কোরবানির উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের প্রিয় ও সেরা সম্পদটি উৎসর্গ করা। সেই হিসেবে আগে থেকে পশু পালন করে কোরবানির উপযুক্ত করে তোলা ইবাদতেরই অংশ। তাই এ নিয়ে সংশয়ের কোনো অবকাশ নেই।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!