কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘আমি মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার ছিলাম, ১৬ ডিসেম্বরের পরে শত শত রাজাকার আমার কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। আমি কাউকে হত্যা করি নাই, সবাইকে জেলে পাঠিয়ে দিয়েছি। ৫ আগস্টের পরে এত থানা লুট হয়েছে, পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে, তখনতো পুলিশ যুদ্ধ করে নাই, তারা তো নিরাপরাধ। এত অস্ত্র গেল কোথায়? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমার নেতা। ৫ আগস্টের পরে এত ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো কোনো আইনে দায়মুক্তি হওয়ার কথা না। পাঁচ আগস্টের পরে পুলিশ হত্যা হয়ে থাকে, থানা লুট হয়ে থাকে, সেটার জন্য তদন্ত হওয়া উচিত, দোষীদের বিচার হওয়া উচিত।’
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবে তিনি এসব কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদের সভাপতিত্ব করছেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদের সভাপতিত্ব করছেন।
ফজলুর রহমান বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত ইসলামী করলে দ্বিগুন অপরাধ করেছেন, আমি আবারও বলছি, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না। শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না। যদি কেউ করে থাকে তাহলে তিনি দ্বিগুণ অপরাধ করছেন।’
ফজলুর রহমানের এমন বক্তব্যে সংসদে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সংসদে বিরোধীদলীয় সদস্যরা হট্টগোল শুরু করেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) সংসদ সদস্যদের শান্ত করেন।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে যখন এক মাসের গণঅভ্যুত্থানকে তুলনা করা হয়, তখন মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা হয়। আমি মনে মনে ভাবি, হয়তোবা আমি মরে গেলেই ভালো হতো। তিনি বিরোধী দলীয় নেতারও সমালোচনা করে বলেন, জামায়াত আমির আমার চেয়ে ১০ বছরের ছোট। তিনি নাকি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তিনি নাকি শহীদ পরিবারের সন্তান।এরপরই উত্তপ্ত হয়ে উঠে সংসদ।
ফজলুর রহমানের বক্তব্যের পর বিরোধী দলীয় নেতা ফ্লোর নিয়ে ফজলুর রহমানের জবাব দেন। তিনি ফজলুর রহমানের অসংসদীয় বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার অনুরোধ স্পীকারকে করেন।
পরে ফ্লোর নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান তুলে ধরতে গিয়ে অন্যদের অবদানকে খাটো করেছেন। বয়সে বড় একজন সংসদ সদস্য নিজের অবদান তুলে ধরতে গিয়ে অন্যের অবদানকে আঘাত করেছেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফজলুর রহমান তার ব্যক্তিগত পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, নিজেকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে উল্লেখ করাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে, পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীতে কোনো মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের সদস্য থাকতে পারেন না—এ ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, যা নাগরিক অধিকারের পরিপন্থী।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কে কোন দল করবে বা কোন আদর্শ গ্রহণ করবে, তা ব্যক্তির স্বাধীনতা। এতে রাষ্ট্র বা সংবিধান কারও হস্তক্ষেপের সুযোগ দেয় না। এ ধরনের মন্তব্যের তিনি তীব্র নিন্দা জানান তিনি।
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘আমি মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার ছিলাম, ১৬ ডিসেম্বরের পরে শত শত রাজাকার আমার কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। আমি কাউকে হত্যা করি নাই, সবাইকে জেলে পাঠিয়ে দিয়েছি। ৫ আগস্টের পরে এত থানা লুট হয়েছে, পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে, তখনতো পুলিশ যুদ্ধ করে নাই, তারা তো নিরাপরাধ। এত অস্ত্র গেল কোথায়? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমার নেতা। ৫ আগস্টের পরে এত ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো কোনো আইনে দায়মুক্তি হওয়ার কথা না। পাঁচ আগস্টের পরে পুলিশ হত্যা হয়ে থাকে, থানা লুট হয়ে থাকে, সেটার জন্য তদন্ত হওয়া উচিত, দোষীদের বিচার হওয়া উচিত।’
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবে তিনি এসব কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদের সভাপতিত্ব করছেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদের সভাপতিত্ব করছেন।
ফজলুর রহমান বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত ইসলামী করলে দ্বিগুন অপরাধ করেছেন, আমি আবারও বলছি, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না। শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না। যদি কেউ করে থাকে তাহলে তিনি দ্বিগুণ অপরাধ করছেন।’
ফজলুর রহমানের এমন বক্তব্যে সংসদে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সংসদে বিরোধীদলীয় সদস্যরা হট্টগোল শুরু করেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) সংসদ সদস্যদের শান্ত করেন।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে যখন এক মাসের গণঅভ্যুত্থানকে তুলনা করা হয়, তখন মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা হয়। আমি মনে মনে ভাবি, হয়তোবা আমি মরে গেলেই ভালো হতো। তিনি বিরোধী দলীয় নেতারও সমালোচনা করে বলেন, জামায়াত আমির আমার চেয়ে ১০ বছরের ছোট। তিনি নাকি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তিনি নাকি শহীদ পরিবারের সন্তান।এরপরই উত্তপ্ত হয়ে উঠে সংসদ।
ফজলুর রহমানের বক্তব্যের পর বিরোধী দলীয় নেতা ফ্লোর নিয়ে ফজলুর রহমানের জবাব দেন। তিনি ফজলুর রহমানের অসংসদীয় বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার অনুরোধ স্পীকারকে করেন।
পরে ফ্লোর নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান তুলে ধরতে গিয়ে অন্যদের অবদানকে খাটো করেছেন। বয়সে বড় একজন সংসদ সদস্য নিজের অবদান তুলে ধরতে গিয়ে অন্যের অবদানকে আঘাত করেছেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফজলুর রহমান তার ব্যক্তিগত পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, নিজেকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে উল্লেখ করাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে, পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীতে কোনো মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের সদস্য থাকতে পারেন না—এ ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, যা নাগরিক অধিকারের পরিপন্থী।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কে কোন দল করবে বা কোন আদর্শ গ্রহণ করবে, তা ব্যক্তির স্বাধীনতা। এতে রাষ্ট্র বা সংবিধান কারও হস্তক্ষেপের সুযোগ দেয় না। এ ধরনের মন্তব্যের তিনি তীব্র নিন্দা জানান তিনি।
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘আমি মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার ছিলাম, ১৬ ডিসেম্বরের পরে শত শত রাজাকার আমার কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। আমি কাউকে হত্যা করি নাই, সবাইকে জেলে পাঠিয়ে দিয়েছি। ৫ আগস্টের পরে এত থানা লুট হয়েছে, পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে, তখনতো পুলিশ যুদ্ধ করে নাই, তারা তো নিরাপরাধ। এত অস্ত্র গেল কোথায়? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমার নেতা। ৫ আগস্টের পরে এত ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো কোনো আইনে দায়মুক্তি হওয়ার কথা না। পাঁচ আগস্টের পরে পুলিশ হত্যা হয়ে থাকে, থানা লুট হয়ে থাকে, সেটার জন্য তদন্ত হওয়া উচিত, দোষীদের বিচার হওয়া উচিত।’
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবে তিনি এসব কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদের সভাপতিত্ব করছেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদের সভাপতিত্ব করছেন।
ফজলুর রহমান বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত ইসলামী করলে দ্বিগুন অপরাধ করেছেন, আমি আবারও বলছি, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না। শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না। যদি কেউ করে থাকে তাহলে তিনি দ্বিগুণ অপরাধ করছেন।’
ফজলুর রহমানের এমন বক্তব্যে সংসদে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সংসদে বিরোধীদলীয় সদস্যরা হট্টগোল শুরু করেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) সংসদ সদস্যদের শান্ত করেন।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে যখন এক মাসের গণঅভ্যুত্থানকে তুলনা করা হয়, তখন মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা হয়। আমি মনে মনে ভাবি, হয়তোবা আমি মরে গেলেই ভালো হতো। তিনি বিরোধী দলীয় নেতারও সমালোচনা করে বলেন, জামায়াত আমির আমার চেয়ে ১০ বছরের ছোট। তিনি নাকি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তিনি নাকি শহীদ পরিবারের সন্তান।এরপরই উত্তপ্ত হয়ে উঠে সংসদ।
ফজলুর রহমানের বক্তব্যের পর বিরোধী দলীয় নেতা ফ্লোর নিয়ে ফজলুর রহমানের জবাব দেন। তিনি ফজলুর রহমানের অসংসদীয় বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার অনুরোধ স্পীকারকে করেন।
পরে ফ্লোর নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান তুলে ধরতে গিয়ে অন্যদের অবদানকে খাটো করেছেন। বয়সে বড় একজন সংসদ সদস্য নিজের অবদান তুলে ধরতে গিয়ে অন্যের অবদানকে আঘাত করেছেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফজলুর রহমান তার ব্যক্তিগত পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, নিজেকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে উল্লেখ করাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে, পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীতে কোনো মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের সদস্য থাকতে পারেন না—এ ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, যা নাগরিক অধিকারের পরিপন্থী।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কে কোন দল করবে বা কোন আদর্শ গ্রহণ করবে, তা ব্যক্তির স্বাধীনতা। এতে রাষ্ট্র বা সংবিধান কারও হস্তক্ষেপের সুযোগ দেয় না। এ ধরনের মন্তব্যের তিনি তীব্র নিন্দা জানান তিনি।
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘আমি মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার ছিলাম, ১৬ ডিসেম্বরের পরে শত শত রাজাকার আমার কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। আমি কাউকে হত্যা করি নাই, সবাইকে জেলে পাঠিয়ে দিয়েছি। ৫ আগস্টের পরে এত থানা লুট হয়েছে, পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে, তখনতো পুলিশ যুদ্ধ করে নাই, তারা তো নিরাপরাধ। এত অস্ত্র গেল কোথায়? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমার নেতা। ৫ আগস্টের পরে এত ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো কোনো আইনে দায়মুক্তি হওয়ার কথা না। পাঁচ আগস্টের পরে পুলিশ হত্যা হয়ে থাকে, থানা লুট হয়ে থাকে, সেটার জন্য তদন্ত হওয়া উচিত, দোষীদের বিচার হওয়া উচিত।’
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবে তিনি এসব কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদের সভাপতিত্ব করছেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদের সভাপতিত্ব করছেন।
ফজলুর রহমান বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত ইসলামী করলে দ্বিগুন অপরাধ করেছেন, আমি আবারও বলছি, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না। শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না। যদি কেউ করে থাকে তাহলে তিনি দ্বিগুণ অপরাধ করছেন।’
ফজলুর রহমানের এমন বক্তব্যে সংসদে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সংসদে বিরোধীদলীয় সদস্যরা হট্টগোল শুরু করেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) সংসদ সদস্যদের শান্ত করেন।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে যখন এক মাসের গণঅভ্যুত্থানকে তুলনা করা হয়, তখন মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা হয়। আমি মনে মনে ভাবি, হয়তোবা আমি মরে গেলেই ভালো হতো। তিনি বিরোধী দলীয় নেতারও সমালোচনা করে বলেন, জামায়াত আমির আমার চেয়ে ১০ বছরের ছোট। তিনি নাকি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তিনি নাকি শহীদ পরিবারের সন্তান।এরপরই উত্তপ্ত হয়ে উঠে সংসদ।
ফজলুর রহমানের বক্তব্যের পর বিরোধী দলীয় নেতা ফ্লোর নিয়ে ফজলুর রহমানের জবাব দেন। তিনি ফজলুর রহমানের অসংসদীয় বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার অনুরোধ স্পীকারকে করেন।
পরে ফ্লোর নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান তুলে ধরতে গিয়ে অন্যদের অবদানকে খাটো করেছেন। বয়সে বড় একজন সংসদ সদস্য নিজের অবদান তুলে ধরতে গিয়ে অন্যের অবদানকে আঘাত করেছেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফজলুর রহমান তার ব্যক্তিগত পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, নিজেকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে উল্লেখ করাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে, পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীতে কোনো মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের সদস্য থাকতে পারেন না—এ ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, যা নাগরিক অধিকারের পরিপন্থী।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কে কোন দল করবে বা কোন আদর্শ গ্রহণ করবে, তা ব্যক্তির স্বাধীনতা। এতে রাষ্ট্র বা সংবিধান কারও হস্তক্ষেপের সুযোগ দেয় না। এ ধরনের মন্তব্যের তিনি তীব্র নিন্দা জানান তিনি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!