জাতীয় সংসদে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে নিজের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের করা মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় সংসদে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দাঁড়িয়ে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।
জামায়াত আমির বলেন, শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই মাননীয় সংসদ সদস্য বয়সে আমার বড়, তিনি মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান সবকিছুই বলেছেন। কিন্তু নিজের অবদান বলতে গিয়ে আরেকজনের অবদানের ওপরে হাতুড়ি পেটানোর অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। তিনি পার্সোনালি আমাকে হার্ট করেছেন।
‘তিনি (ফজলুর রহমান) বলেছেন যে, আমি বলে থাকি আমি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। উনি এটাকে চ্যালেঞ্জ করছেন। দুই নম্বর উনি বলেছেন, কোনো মুক্তিযোদ্ধা কিংবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না। তাহলে কি উনাকে জিজ্ঞেস করা লাগবে। এটি আমার নাগরিক অধিকার। আমি কোন দল করবো? কোন আদর্শ অনুসরণ করব? এর ওপর হস্তক্ষেপ করার ন্যূনতম কোনো অধিকার রাষ্ট্র কিংবা সংবিধান কাউকে দেয়নি। আমি এটার তীব্র নিন্দা জানাই। আমার আইডেন্টিটি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, এটা গুরুতর অপরাধ করেছেন। আবার আমার আদর্শ সিলেকশনের ব্যাপারে উনি কথা বলেছেন, এটা বাড়তি অপরাধ করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, আমি অনুরোধ করবো মাননীয় স্পিকার, তার এই অসংসদীয় অংশটা এখান থেকে যেন এক্সপাঞ্জ করা হয়। সংসদে তারা ‘খোলা মনে’ কথা বলেছেন এবং জ্বালানি সংকট নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।
ফজলুর রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তার মত একজন প্রবীণ ব্যক্তির কাছ থেকে, রাজনীতিবিদের কাছ থেকে আমি এই ধরনের আচরণ আশা করিনি। কাউকে হিট করা, গালি দেওয়া, এর মাধ্যমে বড় কিছু অর্জন করা যাবে না। কিছু গলাবাজি হতে পারে বড়জোর। কিন্তু তার চাইতে বেশি কিছু হবে না।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, সাধারণত যুক্তি যখন ফুরিয়ে যায়, মাথা তখন গরম হয়ে যায়। একটা প্রবাদ আছে, রেগে গেলেন তো হেরেই গেলেন। আমরা সবাই মিলে হারতে চাই না। আমরা সবাই মিলে জিততে চাই।
জামায়াত আমির বলেন, সবাই ঠান্ডা মাথায় যুক্তি ও সত্যনির্ভর কথা বললে দেশবাসী উজ্জীবিত হবে এবং সংসদের প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি হবে।পরে স্পিকার বলেন, ফজলুর রহমানের বক্তব্যে অসংসদীয় কিছু থাকলে তা এক্সপাঞ্জ করা হবে। একইভাবে বিরোধী দলের নেতার বক্তব্যেও অসংসদীয় কিছু থাকলে তা এক্সপাঞ্জ করা হবে।
জাতীয় সংসদে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে নিজের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের করা মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় সংসদে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দাঁড়িয়ে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।
জামায়াত আমির বলেন, শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই মাননীয় সংসদ সদস্য বয়সে আমার বড়, তিনি মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান সবকিছুই বলেছেন। কিন্তু নিজের অবদান বলতে গিয়ে আরেকজনের অবদানের ওপরে হাতুড়ি পেটানোর অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। তিনি পার্সোনালি আমাকে হার্ট করেছেন।
‘তিনি (ফজলুর রহমান) বলেছেন যে, আমি বলে থাকি আমি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। উনি এটাকে চ্যালেঞ্জ করছেন। দুই নম্বর উনি বলেছেন, কোনো মুক্তিযোদ্ধা কিংবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না। তাহলে কি উনাকে জিজ্ঞেস করা লাগবে। এটি আমার নাগরিক অধিকার। আমি কোন দল করবো? কোন আদর্শ অনুসরণ করব? এর ওপর হস্তক্ষেপ করার ন্যূনতম কোনো অধিকার রাষ্ট্র কিংবা সংবিধান কাউকে দেয়নি। আমি এটার তীব্র নিন্দা জানাই। আমার আইডেন্টিটি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, এটা গুরুতর অপরাধ করেছেন। আবার আমার আদর্শ সিলেকশনের ব্যাপারে উনি কথা বলেছেন, এটা বাড়তি অপরাধ করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, আমি অনুরোধ করবো মাননীয় স্পিকার, তার এই অসংসদীয় অংশটা এখান থেকে যেন এক্সপাঞ্জ করা হয়। সংসদে তারা ‘খোলা মনে’ কথা বলেছেন এবং জ্বালানি সংকট নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।
ফজলুর রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তার মত একজন প্রবীণ ব্যক্তির কাছ থেকে, রাজনীতিবিদের কাছ থেকে আমি এই ধরনের আচরণ আশা করিনি। কাউকে হিট করা, গালি দেওয়া, এর মাধ্যমে বড় কিছু অর্জন করা যাবে না। কিছু গলাবাজি হতে পারে বড়জোর। কিন্তু তার চাইতে বেশি কিছু হবে না।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, সাধারণত যুক্তি যখন ফুরিয়ে যায়, মাথা তখন গরম হয়ে যায়। একটা প্রবাদ আছে, রেগে গেলেন তো হেরেই গেলেন। আমরা সবাই মিলে হারতে চাই না। আমরা সবাই মিলে জিততে চাই।
জামায়াত আমির বলেন, সবাই ঠান্ডা মাথায় যুক্তি ও সত্যনির্ভর কথা বললে দেশবাসী উজ্জীবিত হবে এবং সংসদের প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি হবে।পরে স্পিকার বলেন, ফজলুর রহমানের বক্তব্যে অসংসদীয় কিছু থাকলে তা এক্সপাঞ্জ করা হবে। একইভাবে বিরোধী দলের নেতার বক্তব্যেও অসংসদীয় কিছু থাকলে তা এক্সপাঞ্জ করা হবে।
জাতীয় সংসদে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে নিজের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের করা মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় সংসদে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দাঁড়িয়ে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।
জামায়াত আমির বলেন, শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই মাননীয় সংসদ সদস্য বয়সে আমার বড়, তিনি মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান সবকিছুই বলেছেন। কিন্তু নিজের অবদান বলতে গিয়ে আরেকজনের অবদানের ওপরে হাতুড়ি পেটানোর অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। তিনি পার্সোনালি আমাকে হার্ট করেছেন।
‘তিনি (ফজলুর রহমান) বলেছেন যে, আমি বলে থাকি আমি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। উনি এটাকে চ্যালেঞ্জ করছেন। দুই নম্বর উনি বলেছেন, কোনো মুক্তিযোদ্ধা কিংবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না। তাহলে কি উনাকে জিজ্ঞেস করা লাগবে। এটি আমার নাগরিক অধিকার। আমি কোন দল করবো? কোন আদর্শ অনুসরণ করব? এর ওপর হস্তক্ষেপ করার ন্যূনতম কোনো অধিকার রাষ্ট্র কিংবা সংবিধান কাউকে দেয়নি। আমি এটার তীব্র নিন্দা জানাই। আমার আইডেন্টিটি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, এটা গুরুতর অপরাধ করেছেন। আবার আমার আদর্শ সিলেকশনের ব্যাপারে উনি কথা বলেছেন, এটা বাড়তি অপরাধ করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, আমি অনুরোধ করবো মাননীয় স্পিকার, তার এই অসংসদীয় অংশটা এখান থেকে যেন এক্সপাঞ্জ করা হয়। সংসদে তারা ‘খোলা মনে’ কথা বলেছেন এবং জ্বালানি সংকট নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।
ফজলুর রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তার মত একজন প্রবীণ ব্যক্তির কাছ থেকে, রাজনীতিবিদের কাছ থেকে আমি এই ধরনের আচরণ আশা করিনি। কাউকে হিট করা, গালি দেওয়া, এর মাধ্যমে বড় কিছু অর্জন করা যাবে না। কিছু গলাবাজি হতে পারে বড়জোর। কিন্তু তার চাইতে বেশি কিছু হবে না।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, সাধারণত যুক্তি যখন ফুরিয়ে যায়, মাথা তখন গরম হয়ে যায়। একটা প্রবাদ আছে, রেগে গেলেন তো হেরেই গেলেন। আমরা সবাই মিলে হারতে চাই না। আমরা সবাই মিলে জিততে চাই।
জামায়াত আমির বলেন, সবাই ঠান্ডা মাথায় যুক্তি ও সত্যনির্ভর কথা বললে দেশবাসী উজ্জীবিত হবে এবং সংসদের প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি হবে।পরে স্পিকার বলেন, ফজলুর রহমানের বক্তব্যে অসংসদীয় কিছু থাকলে তা এক্সপাঞ্জ করা হবে। একইভাবে বিরোধী দলের নেতার বক্তব্যেও অসংসদীয় কিছু থাকলে তা এক্সপাঞ্জ করা হবে।
জাতীয় সংসদে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে নিজের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের করা মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় সংসদে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দাঁড়িয়ে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।
জামায়াত আমির বলেন, শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই মাননীয় সংসদ সদস্য বয়সে আমার বড়, তিনি মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান সবকিছুই বলেছেন। কিন্তু নিজের অবদান বলতে গিয়ে আরেকজনের অবদানের ওপরে হাতুড়ি পেটানোর অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। তিনি পার্সোনালি আমাকে হার্ট করেছেন।
‘তিনি (ফজলুর রহমান) বলেছেন যে, আমি বলে থাকি আমি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। উনি এটাকে চ্যালেঞ্জ করছেন। দুই নম্বর উনি বলেছেন, কোনো মুক্তিযোদ্ধা কিংবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না। তাহলে কি উনাকে জিজ্ঞেস করা লাগবে। এটি আমার নাগরিক অধিকার। আমি কোন দল করবো? কোন আদর্শ অনুসরণ করব? এর ওপর হস্তক্ষেপ করার ন্যূনতম কোনো অধিকার রাষ্ট্র কিংবা সংবিধান কাউকে দেয়নি। আমি এটার তীব্র নিন্দা জানাই। আমার আইডেন্টিটি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, এটা গুরুতর অপরাধ করেছেন। আবার আমার আদর্শ সিলেকশনের ব্যাপারে উনি কথা বলেছেন, এটা বাড়তি অপরাধ করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, আমি অনুরোধ করবো মাননীয় স্পিকার, তার এই অসংসদীয় অংশটা এখান থেকে যেন এক্সপাঞ্জ করা হয়। সংসদে তারা ‘খোলা মনে’ কথা বলেছেন এবং জ্বালানি সংকট নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।
ফজলুর রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তার মত একজন প্রবীণ ব্যক্তির কাছ থেকে, রাজনীতিবিদের কাছ থেকে আমি এই ধরনের আচরণ আশা করিনি। কাউকে হিট করা, গালি দেওয়া, এর মাধ্যমে বড় কিছু অর্জন করা যাবে না। কিছু গলাবাজি হতে পারে বড়জোর। কিন্তু তার চাইতে বেশি কিছু হবে না।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, সাধারণত যুক্তি যখন ফুরিয়ে যায়, মাথা তখন গরম হয়ে যায়। একটা প্রবাদ আছে, রেগে গেলেন তো হেরেই গেলেন। আমরা সবাই মিলে হারতে চাই না। আমরা সবাই মিলে জিততে চাই।
জামায়াত আমির বলেন, সবাই ঠান্ডা মাথায় যুক্তি ও সত্যনির্ভর কথা বললে দেশবাসী উজ্জীবিত হবে এবং সংসদের প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি হবে।পরে স্পিকার বলেন, ফজলুর রহমানের বক্তব্যে অসংসদীয় কিছু থাকলে তা এক্সপাঞ্জ করা হবে। একইভাবে বিরোধী দলের নেতার বক্তব্যেও অসংসদীয় কিছু থাকলে তা এক্সপাঞ্জ করা হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!