
দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলটিং) ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। এছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও মাহ্দী আমিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সাতটি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সদস্য করা হয়েছে।
কমিটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের জন্য উপযুক্ত নকশা (ডিজাইন) প্রণয়ন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি নির্ধারণ করবে। প্রাথমিকভাবে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলা বেছে নিয়ে সেখানে এ কর্মসূচি চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, নারীদের জন্য বিদ্যমান কোনো কর্মসূচিকে এই কার্ডের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না, তা পর্যালোচনা করবে কমিটি। পাশাপাশি সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ তৈরির জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেইজের মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপন করে একটি ডিজিটাল এমআইএস (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম) প্রণয়নের সুপারিশ করা হবে।
সরকার আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ্যে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রয়োজন অনুসারে কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে। প্রয়োজনে কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।

দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলটিং) ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। এছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও মাহ্দী আমিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সাতটি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সদস্য করা হয়েছে।
কমিটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের জন্য উপযুক্ত নকশা (ডিজাইন) প্রণয়ন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি নির্ধারণ করবে। প্রাথমিকভাবে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলা বেছে নিয়ে সেখানে এ কর্মসূচি চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, নারীদের জন্য বিদ্যমান কোনো কর্মসূচিকে এই কার্ডের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না, তা পর্যালোচনা করবে কমিটি। পাশাপাশি সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ তৈরির জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেইজের মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপন করে একটি ডিজিটাল এমআইএস (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম) প্রণয়নের সুপারিশ করা হবে।
সরকার আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ্যে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রয়োজন অনুসারে কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে। প্রয়োজনে কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।

দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলটিং) ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। এছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও মাহ্দী আমিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সাতটি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সদস্য করা হয়েছে।
কমিটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের জন্য উপযুক্ত নকশা (ডিজাইন) প্রণয়ন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি নির্ধারণ করবে। প্রাথমিকভাবে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলা বেছে নিয়ে সেখানে এ কর্মসূচি চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, নারীদের জন্য বিদ্যমান কোনো কর্মসূচিকে এই কার্ডের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না, তা পর্যালোচনা করবে কমিটি। পাশাপাশি সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ তৈরির জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেইজের মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপন করে একটি ডিজিটাল এমআইএস (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম) প্রণয়নের সুপারিশ করা হবে।
সরকার আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ্যে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রয়োজন অনুসারে কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে। প্রয়োজনে কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।

দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলটিং) ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। এছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও মাহ্দী আমিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সাতটি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সদস্য করা হয়েছে।
কমিটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের জন্য উপযুক্ত নকশা (ডিজাইন) প্রণয়ন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি নির্ধারণ করবে। প্রাথমিকভাবে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলা বেছে নিয়ে সেখানে এ কর্মসূচি চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, নারীদের জন্য বিদ্যমান কোনো কর্মসূচিকে এই কার্ডের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না, তা পর্যালোচনা করবে কমিটি। পাশাপাশি সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ তৈরির জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেইজের মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপন করে একটি ডিজিটাল এমআইএস (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম) প্রণয়নের সুপারিশ করা হবে।
সরকার আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ্যে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রয়োজন অনুসারে কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে। প্রয়োজনে কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!