নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জন করে দ্রুত জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, পুনর্গঠন ও নৈতিকতা উন্নয়নের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘প্রায় দেড় যুগ পর স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সরকার গঠিত হয়েছে। তাই জনগণের প্রত্যাশা অনেক। সেই প্রত্যাশা পূরণে আমরা দ্রুত নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে চাই। পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে জনগণের চাওয়া অনুযায়ী গণতান্ত্রিক সংস্কার অগ্রাধিকারে থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বাজেট মঞ্জুরির প্রক্রিয়াও চলছে। নতুন জনবল নিয়োগ এবং সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আমরা সুশাসন নিশ্চিত করতে চাই।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যুগোপযোগী উন্নয়নের জন্য একটি সুসংহত পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সকল দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের দ্রুত পরামর্শ ও সুপারিশমালা তৈরি করার নির্দেশও দিয়েছেন।
সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বিপিএমসহ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জন করে দ্রুত জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, পুনর্গঠন ও নৈতিকতা উন্নয়নের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘প্রায় দেড় যুগ পর স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সরকার গঠিত হয়েছে। তাই জনগণের প্রত্যাশা অনেক। সেই প্রত্যাশা পূরণে আমরা দ্রুত নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে চাই। পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে জনগণের চাওয়া অনুযায়ী গণতান্ত্রিক সংস্কার অগ্রাধিকারে থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বাজেট মঞ্জুরির প্রক্রিয়াও চলছে। নতুন জনবল নিয়োগ এবং সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আমরা সুশাসন নিশ্চিত করতে চাই।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যুগোপযোগী উন্নয়নের জন্য একটি সুসংহত পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সকল দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের দ্রুত পরামর্শ ও সুপারিশমালা তৈরি করার নির্দেশও দিয়েছেন।
সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বিপিএমসহ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জন করে দ্রুত জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, পুনর্গঠন ও নৈতিকতা উন্নয়নের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘প্রায় দেড় যুগ পর স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সরকার গঠিত হয়েছে। তাই জনগণের প্রত্যাশা অনেক। সেই প্রত্যাশা পূরণে আমরা দ্রুত নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে চাই। পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে জনগণের চাওয়া অনুযায়ী গণতান্ত্রিক সংস্কার অগ্রাধিকারে থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বাজেট মঞ্জুরির প্রক্রিয়াও চলছে। নতুন জনবল নিয়োগ এবং সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আমরা সুশাসন নিশ্চিত করতে চাই।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যুগোপযোগী উন্নয়নের জন্য একটি সুসংহত পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সকল দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের দ্রুত পরামর্শ ও সুপারিশমালা তৈরি করার নির্দেশও দিয়েছেন।
সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বিপিএমসহ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জন করে দ্রুত জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, পুনর্গঠন ও নৈতিকতা উন্নয়নের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘প্রায় দেড় যুগ পর স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সরকার গঠিত হয়েছে। তাই জনগণের প্রত্যাশা অনেক। সেই প্রত্যাশা পূরণে আমরা দ্রুত নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে চাই। পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে জনগণের চাওয়া অনুযায়ী গণতান্ত্রিক সংস্কার অগ্রাধিকারে থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বাজেট মঞ্জুরির প্রক্রিয়াও চলছে। নতুন জনবল নিয়োগ এবং সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আমরা সুশাসন নিশ্চিত করতে চাই।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যুগোপযোগী উন্নয়নের জন্য একটি সুসংহত পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সকল দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের দ্রুত পরামর্শ ও সুপারিশমালা তৈরি করার নির্দেশও দিয়েছেন।
সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বিপিএমসহ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!