লক্ষ্মীপুরে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল আমিনের ঘুস গ্রহণ ও কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ।
নুরুল আমিন লক্ষ্মীপুরের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পিডিবির কুমিল্লা বিতরণ অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) শেখ ফিরোজ কবির। তিনি জানান, নুরুল আমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ময়মনসিংহ অঞ্চলের পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেল-১-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এসএম ইকবালকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এর আগে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ঘুস লেনদেনের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ৮ মিনিট ৫০ সেকেন্ডের ভিডিওটি প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। তবে ভিডিওটি ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভাইরাল ভিডিওর একটি অংশে নুরুল আমিনকে দুই কোটি টাকা চাওয়ার কথা বলতে শোনা যায়। সেখানে তাকে বলতে শোনা যায়, একটি বিলের জন্য দুই কোটি টাকা নিলে তিনি সংশ্লিষ্ট কাজের কাগজপত্রে স্বাক্ষর করে দেবেন। একই অংশে তিনি কাজের মালামাল ও অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে কথোপকথন করেন।
ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে নুরুল আমিনের সরকারি বাসভবনে টাকা গ্রহণের দৃশ্যও দেখা যায়। তবে ওই ব্যক্তিদের মুখ স্পষ্ট নয় এবং তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কী প্রেক্ষাপটে টাকা লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভিডিওর আরেকটি অংশে টাকা নিয়ে কথোপকথন শোনা যায়। সেখানে একজন ব্যক্তিকে টাকার পরিমাণ বলতে এবং নুরুল আমিনকে ওই অর্থের বিষয়ে কথা বলতে শোনা যায়।
এদিকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সোমবার কার্যালয়ে আসেননি নুরুল আমিন। তার বক্তব্য জানতে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। এ বিষয়ে কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
অন্যদিকে লক্ষ্মীপুর সদরের কয়েকজন ঠিকাদার অভিযোগ করেন, নুরুল আমিন লক্ষ্মীপুরে যোগ দেওয়ার পর থেকে কমিশন বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন। তাদের দাবি, ঘুস না দিলে বিল আটকে রাখা, কাজের অনুমোদন না দেওয়া এবং বিভিন্ন জটিলতার কথা বলে টাকা আদায় করা হতো। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ ঘটনায় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
লক্ষ্মীপুরে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল আমিনের ঘুস গ্রহণ ও কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ।
নুরুল আমিন লক্ষ্মীপুরের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পিডিবির কুমিল্লা বিতরণ অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) শেখ ফিরোজ কবির। তিনি জানান, নুরুল আমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ময়মনসিংহ অঞ্চলের পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেল-১-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এসএম ইকবালকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এর আগে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ঘুস লেনদেনের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ৮ মিনিট ৫০ সেকেন্ডের ভিডিওটি প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। তবে ভিডিওটি ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভাইরাল ভিডিওর একটি অংশে নুরুল আমিনকে দুই কোটি টাকা চাওয়ার কথা বলতে শোনা যায়। সেখানে তাকে বলতে শোনা যায়, একটি বিলের জন্য দুই কোটি টাকা নিলে তিনি সংশ্লিষ্ট কাজের কাগজপত্রে স্বাক্ষর করে দেবেন। একই অংশে তিনি কাজের মালামাল ও অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে কথোপকথন করেন।
ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে নুরুল আমিনের সরকারি বাসভবনে টাকা গ্রহণের দৃশ্যও দেখা যায়। তবে ওই ব্যক্তিদের মুখ স্পষ্ট নয় এবং তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কী প্রেক্ষাপটে টাকা লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভিডিওর আরেকটি অংশে টাকা নিয়ে কথোপকথন শোনা যায়। সেখানে একজন ব্যক্তিকে টাকার পরিমাণ বলতে এবং নুরুল আমিনকে ওই অর্থের বিষয়ে কথা বলতে শোনা যায়।
এদিকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সোমবার কার্যালয়ে আসেননি নুরুল আমিন। তার বক্তব্য জানতে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। এ বিষয়ে কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
অন্যদিকে লক্ষ্মীপুর সদরের কয়েকজন ঠিকাদার অভিযোগ করেন, নুরুল আমিন লক্ষ্মীপুরে যোগ দেওয়ার পর থেকে কমিশন বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন। তাদের দাবি, ঘুস না দিলে বিল আটকে রাখা, কাজের অনুমোদন না দেওয়া এবং বিভিন্ন জটিলতার কথা বলে টাকা আদায় করা হতো। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ ঘটনায় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
লক্ষ্মীপুরে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল আমিনের ঘুস গ্রহণ ও কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ।
নুরুল আমিন লক্ষ্মীপুরের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পিডিবির কুমিল্লা বিতরণ অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) শেখ ফিরোজ কবির। তিনি জানান, নুরুল আমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ময়মনসিংহ অঞ্চলের পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেল-১-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এসএম ইকবালকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এর আগে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ঘুস লেনদেনের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ৮ মিনিট ৫০ সেকেন্ডের ভিডিওটি প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। তবে ভিডিওটি ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভাইরাল ভিডিওর একটি অংশে নুরুল আমিনকে দুই কোটি টাকা চাওয়ার কথা বলতে শোনা যায়। সেখানে তাকে বলতে শোনা যায়, একটি বিলের জন্য দুই কোটি টাকা নিলে তিনি সংশ্লিষ্ট কাজের কাগজপত্রে স্বাক্ষর করে দেবেন। একই অংশে তিনি কাজের মালামাল ও অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে কথোপকথন করেন।
ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে নুরুল আমিনের সরকারি বাসভবনে টাকা গ্রহণের দৃশ্যও দেখা যায়। তবে ওই ব্যক্তিদের মুখ স্পষ্ট নয় এবং তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কী প্রেক্ষাপটে টাকা লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভিডিওর আরেকটি অংশে টাকা নিয়ে কথোপকথন শোনা যায়। সেখানে একজন ব্যক্তিকে টাকার পরিমাণ বলতে এবং নুরুল আমিনকে ওই অর্থের বিষয়ে কথা বলতে শোনা যায়।
এদিকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সোমবার কার্যালয়ে আসেননি নুরুল আমিন। তার বক্তব্য জানতে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। এ বিষয়ে কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
অন্যদিকে লক্ষ্মীপুর সদরের কয়েকজন ঠিকাদার অভিযোগ করেন, নুরুল আমিন লক্ষ্মীপুরে যোগ দেওয়ার পর থেকে কমিশন বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন। তাদের দাবি, ঘুস না দিলে বিল আটকে রাখা, কাজের অনুমোদন না দেওয়া এবং বিভিন্ন জটিলতার কথা বলে টাকা আদায় করা হতো। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ ঘটনায় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
লক্ষ্মীপুরে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল আমিনের ঘুস গ্রহণ ও কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ।
নুরুল আমিন লক্ষ্মীপুরের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পিডিবির কুমিল্লা বিতরণ অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) শেখ ফিরোজ কবির। তিনি জানান, নুরুল আমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ময়মনসিংহ অঞ্চলের পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেল-১-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এসএম ইকবালকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এর আগে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ঘুস লেনদেনের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ৮ মিনিট ৫০ সেকেন্ডের ভিডিওটি প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। তবে ভিডিওটি ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভাইরাল ভিডিওর একটি অংশে নুরুল আমিনকে দুই কোটি টাকা চাওয়ার কথা বলতে শোনা যায়। সেখানে তাকে বলতে শোনা যায়, একটি বিলের জন্য দুই কোটি টাকা নিলে তিনি সংশ্লিষ্ট কাজের কাগজপত্রে স্বাক্ষর করে দেবেন। একই অংশে তিনি কাজের মালামাল ও অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে কথোপকথন করেন।
ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে নুরুল আমিনের সরকারি বাসভবনে টাকা গ্রহণের দৃশ্যও দেখা যায়। তবে ওই ব্যক্তিদের মুখ স্পষ্ট নয় এবং তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কী প্রেক্ষাপটে টাকা লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভিডিওর আরেকটি অংশে টাকা নিয়ে কথোপকথন শোনা যায়। সেখানে একজন ব্যক্তিকে টাকার পরিমাণ বলতে এবং নুরুল আমিনকে ওই অর্থের বিষয়ে কথা বলতে শোনা যায়।
এদিকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সোমবার কার্যালয়ে আসেননি নুরুল আমিন। তার বক্তব্য জানতে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। এ বিষয়ে কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
অন্যদিকে লক্ষ্মীপুর সদরের কয়েকজন ঠিকাদার অভিযোগ করেন, নুরুল আমিন লক্ষ্মীপুরে যোগ দেওয়ার পর থেকে কমিশন বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন। তাদের দাবি, ঘুস না দিলে বিল আটকে রাখা, কাজের অনুমোদন না দেওয়া এবং বিভিন্ন জটিলতার কথা বলে টাকা আদায় করা হতো। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ ঘটনায় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!