
পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকদের সঙ্গে হঠাৎ সাক্ষাৎ করে তাদের দাবি-দাওয়া শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ সচিবালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পদোন্নতি বঞ্চিত বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের একদল চিকিৎসক প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের আবেদন করতে সচিবালয়ে গেলে অনানুষ্ঠানিকভাবে তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান।
সাক্ষাতের সময় চিকিৎসকরা তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, প্রশাসনিক জটিলতা এবং ন্যায়সংগত দাবিগুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তারা লিখিত আবেদনও প্রধানমন্ত্রীর হাতে প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চিকিৎসকরা প্রশাসনিক বৈষম্য, পদোন্নতি জটিলতা ও মানবিক সংকটের বিষয়গুলো সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে তাদের বক্তব্য শোনেন এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে তাদের লিখিত আবেদন গ্রহণ করেন।
আবেদনপত্র অনুযায়ী, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের মোট ১ হাজার ৮২১ জন কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি বঞ্চনার অভিযোগ করে আসছেন। তাদের দাবি, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও বিগত সময়েও যৌক্তিক কারণ ছাড়া পদোন্নতি দেওয়া হয়নি।
এতে প্রশাসনিক কাঠামোয় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা, যেখানে অনেক ক্ষেত্রে জুনিয়র কর্মকর্তারা পদোন্নতি পেয়ে সিনিয়রদের ওপর দায়িত্ব পালন করছেন।

পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকদের সঙ্গে হঠাৎ সাক্ষাৎ করে তাদের দাবি-দাওয়া শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ সচিবালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পদোন্নতি বঞ্চিত বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের একদল চিকিৎসক প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের আবেদন করতে সচিবালয়ে গেলে অনানুষ্ঠানিকভাবে তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান।
সাক্ষাতের সময় চিকিৎসকরা তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, প্রশাসনিক জটিলতা এবং ন্যায়সংগত দাবিগুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তারা লিখিত আবেদনও প্রধানমন্ত্রীর হাতে প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চিকিৎসকরা প্রশাসনিক বৈষম্য, পদোন্নতি জটিলতা ও মানবিক সংকটের বিষয়গুলো সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে তাদের বক্তব্য শোনেন এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে তাদের লিখিত আবেদন গ্রহণ করেন।
আবেদনপত্র অনুযায়ী, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের মোট ১ হাজার ৮২১ জন কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি বঞ্চনার অভিযোগ করে আসছেন। তাদের দাবি, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও বিগত সময়েও যৌক্তিক কারণ ছাড়া পদোন্নতি দেওয়া হয়নি।
এতে প্রশাসনিক কাঠামোয় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা, যেখানে অনেক ক্ষেত্রে জুনিয়র কর্মকর্তারা পদোন্নতি পেয়ে সিনিয়রদের ওপর দায়িত্ব পালন করছেন।

পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকদের সঙ্গে হঠাৎ সাক্ষাৎ করে তাদের দাবি-দাওয়া শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ সচিবালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পদোন্নতি বঞ্চিত বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের একদল চিকিৎসক প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের আবেদন করতে সচিবালয়ে গেলে অনানুষ্ঠানিকভাবে তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান।
সাক্ষাতের সময় চিকিৎসকরা তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, প্রশাসনিক জটিলতা এবং ন্যায়সংগত দাবিগুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তারা লিখিত আবেদনও প্রধানমন্ত্রীর হাতে প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চিকিৎসকরা প্রশাসনিক বৈষম্য, পদোন্নতি জটিলতা ও মানবিক সংকটের বিষয়গুলো সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে তাদের বক্তব্য শোনেন এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে তাদের লিখিত আবেদন গ্রহণ করেন।
আবেদনপত্র অনুযায়ী, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের মোট ১ হাজার ৮২১ জন কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি বঞ্চনার অভিযোগ করে আসছেন। তাদের দাবি, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও বিগত সময়েও যৌক্তিক কারণ ছাড়া পদোন্নতি দেওয়া হয়নি।
এতে প্রশাসনিক কাঠামোয় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা, যেখানে অনেক ক্ষেত্রে জুনিয়র কর্মকর্তারা পদোন্নতি পেয়ে সিনিয়রদের ওপর দায়িত্ব পালন করছেন।

পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকদের সঙ্গে হঠাৎ সাক্ষাৎ করে তাদের দাবি-দাওয়া শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ সচিবালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পদোন্নতি বঞ্চিত বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের একদল চিকিৎসক প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের আবেদন করতে সচিবালয়ে গেলে অনানুষ্ঠানিকভাবে তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান।
সাক্ষাতের সময় চিকিৎসকরা তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, প্রশাসনিক জটিলতা এবং ন্যায়সংগত দাবিগুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তারা লিখিত আবেদনও প্রধানমন্ত্রীর হাতে প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চিকিৎসকরা প্রশাসনিক বৈষম্য, পদোন্নতি জটিলতা ও মানবিক সংকটের বিষয়গুলো সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে তাদের বক্তব্য শোনেন এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে তাদের লিখিত আবেদন গ্রহণ করেন।
আবেদনপত্র অনুযায়ী, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের মোট ১ হাজার ৮২১ জন কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি বঞ্চনার অভিযোগ করে আসছেন। তাদের দাবি, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও বিগত সময়েও যৌক্তিক কারণ ছাড়া পদোন্নতি দেওয়া হয়নি।
এতে প্রশাসনিক কাঠামোয় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা, যেখানে অনেক ক্ষেত্রে জুনিয়র কর্মকর্তারা পদোন্নতি পেয়ে সিনিয়রদের ওপর দায়িত্ব পালন করছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!