
বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগামী গ্রীষ্ম মৌসুম শুরুর আগেই জাতীয় গ্রিডে ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত ছাদে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কেনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীতে ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কুইক রেন্টালের নামে লুটপাটের পরিবর্তে সাশ্রয়ী পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। বিগত সরকারগুলোর নীতিহীনতার কারণে দেশ আমদানিনির্ভর হয়ে পড়েছে। ফলে বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাবে বর্তমান সরকারকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বড় সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তিনি জানান, বিদ্যুৎ খাতের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণকে স্বস্তি দিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকার ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আরও ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার তহবিল
সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সম্প্রসারণ সহজ করতে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ-২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। সৌর প্যানেল, ইনভার্টার ও ব্যাটারির মতো সরঞ্জামের আমদানি এবং দেশীয় উৎপাদনে কর ও শুল্ক সুবিধাও দেওয়া হয়েছে।
নীতি সহায়তার পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ খাতে অর্থায়ন সহজ করতে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার তহবিল বরাদ্দ করেছে সরকার।
সরকারি-বেসরকারি কার্যালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, কারখানা ও বাসাবাড়ির অব্যবহৃত ছাদ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর বাড়তি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করলে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে তা কিনবে সরকার।
এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, নিজের বাসভবনেও সৌর প্যানেল স্থাপন করেছেন এবং সেখান থেকে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে পেরেছেন।
স্টার্টআপে বছরে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ
এক্সপোতে ৩০০-র বেশি তরুণ-তরুণী নতুন উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করায় তাদের সাধুবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জ্ঞান ও উদ্ভাবনী ধারণার প্রতিযোগিতা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ুক। অর্থের অভাবে যেন কোনো উদ্ভাবন হারিয়ে না যায়, সে জন্য চলতি বাজেটে স্টার্টআপ খাতে বছরে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানো ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্প পর্যায়ক্রমে সৌরচালিত পাম্পে রূপান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি হিমাগার, কৃষিপণ্য সংরক্ষণ এবং গ্রামীণ ক্ষুদ্র উদ্যোগে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
সৌরবিদ্যুৎ খাতে যুক্ত ৮ হাজারের বেশি নতুন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে শুধু বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া নয়, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলোকে সৌরবিদ্যুৎ উদ্যোক্তাদের সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এ ছাড়া দেশের উন্নয়ন সহযোগী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
দিনের বেলায় বিদ্যুতের অপচয় রোধে অপ্রয়োজনীয় বাতি ও পাখা বন্ধ রাখার জন্য দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আসুন, আমরা সবাই মিলে সূর্যের আলোকে দেশের সম্পদে পরিণত করি।’

বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগামী গ্রীষ্ম মৌসুম শুরুর আগেই জাতীয় গ্রিডে ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত ছাদে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কেনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীতে ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কুইক রেন্টালের নামে লুটপাটের পরিবর্তে সাশ্রয়ী পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। বিগত সরকারগুলোর নীতিহীনতার কারণে দেশ আমদানিনির্ভর হয়ে পড়েছে। ফলে বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাবে বর্তমান সরকারকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বড় সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তিনি জানান, বিদ্যুৎ খাতের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণকে স্বস্তি দিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকার ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আরও ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার তহবিল
সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সম্প্রসারণ সহজ করতে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ-২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। সৌর প্যানেল, ইনভার্টার ও ব্যাটারির মতো সরঞ্জামের আমদানি এবং দেশীয় উৎপাদনে কর ও শুল্ক সুবিধাও দেওয়া হয়েছে।
নীতি সহায়তার পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ খাতে অর্থায়ন সহজ করতে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার তহবিল বরাদ্দ করেছে সরকার।
সরকারি-বেসরকারি কার্যালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, কারখানা ও বাসাবাড়ির অব্যবহৃত ছাদ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর বাড়তি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করলে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে তা কিনবে সরকার।
এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, নিজের বাসভবনেও সৌর প্যানেল স্থাপন করেছেন এবং সেখান থেকে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে পেরেছেন।
স্টার্টআপে বছরে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ
এক্সপোতে ৩০০-র বেশি তরুণ-তরুণী নতুন উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করায় তাদের সাধুবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জ্ঞান ও উদ্ভাবনী ধারণার প্রতিযোগিতা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ুক। অর্থের অভাবে যেন কোনো উদ্ভাবন হারিয়ে না যায়, সে জন্য চলতি বাজেটে স্টার্টআপ খাতে বছরে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানো ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্প পর্যায়ক্রমে সৌরচালিত পাম্পে রূপান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি হিমাগার, কৃষিপণ্য সংরক্ষণ এবং গ্রামীণ ক্ষুদ্র উদ্যোগে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
সৌরবিদ্যুৎ খাতে যুক্ত ৮ হাজারের বেশি নতুন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে শুধু বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া নয়, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলোকে সৌরবিদ্যুৎ উদ্যোক্তাদের সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এ ছাড়া দেশের উন্নয়ন সহযোগী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
দিনের বেলায় বিদ্যুতের অপচয় রোধে অপ্রয়োজনীয় বাতি ও পাখা বন্ধ রাখার জন্য দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আসুন, আমরা সবাই মিলে সূর্যের আলোকে দেশের সম্পদে পরিণত করি।’

বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগামী গ্রীষ্ম মৌসুম শুরুর আগেই জাতীয় গ্রিডে ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত ছাদে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কেনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীতে ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কুইক রেন্টালের নামে লুটপাটের পরিবর্তে সাশ্রয়ী পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। বিগত সরকারগুলোর নীতিহীনতার কারণে দেশ আমদানিনির্ভর হয়ে পড়েছে। ফলে বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাবে বর্তমান সরকারকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বড় সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তিনি জানান, বিদ্যুৎ খাতের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণকে স্বস্তি দিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকার ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আরও ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার তহবিল
সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সম্প্রসারণ সহজ করতে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ-২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। সৌর প্যানেল, ইনভার্টার ও ব্যাটারির মতো সরঞ্জামের আমদানি এবং দেশীয় উৎপাদনে কর ও শুল্ক সুবিধাও দেওয়া হয়েছে।
নীতি সহায়তার পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ খাতে অর্থায়ন সহজ করতে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার তহবিল বরাদ্দ করেছে সরকার।
সরকারি-বেসরকারি কার্যালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, কারখানা ও বাসাবাড়ির অব্যবহৃত ছাদ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর বাড়তি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করলে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে তা কিনবে সরকার।
এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, নিজের বাসভবনেও সৌর প্যানেল স্থাপন করেছেন এবং সেখান থেকে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে পেরেছেন।
স্টার্টআপে বছরে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ
এক্সপোতে ৩০০-র বেশি তরুণ-তরুণী নতুন উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করায় তাদের সাধুবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জ্ঞান ও উদ্ভাবনী ধারণার প্রতিযোগিতা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ুক। অর্থের অভাবে যেন কোনো উদ্ভাবন হারিয়ে না যায়, সে জন্য চলতি বাজেটে স্টার্টআপ খাতে বছরে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানো ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্প পর্যায়ক্রমে সৌরচালিত পাম্পে রূপান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি হিমাগার, কৃষিপণ্য সংরক্ষণ এবং গ্রামীণ ক্ষুদ্র উদ্যোগে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
সৌরবিদ্যুৎ খাতে যুক্ত ৮ হাজারের বেশি নতুন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে শুধু বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া নয়, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলোকে সৌরবিদ্যুৎ উদ্যোক্তাদের সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এ ছাড়া দেশের উন্নয়ন সহযোগী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
দিনের বেলায় বিদ্যুতের অপচয় রোধে অপ্রয়োজনীয় বাতি ও পাখা বন্ধ রাখার জন্য দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আসুন, আমরা সবাই মিলে সূর্যের আলোকে দেশের সম্পদে পরিণত করি।’

বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগামী গ্রীষ্ম মৌসুম শুরুর আগেই জাতীয় গ্রিডে ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত ছাদে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কেনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীতে ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কুইক রেন্টালের নামে লুটপাটের পরিবর্তে সাশ্রয়ী পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। বিগত সরকারগুলোর নীতিহীনতার কারণে দেশ আমদানিনির্ভর হয়ে পড়েছে। ফলে বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাবে বর্তমান সরকারকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বড় সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তিনি জানান, বিদ্যুৎ খাতের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণকে স্বস্তি দিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকার ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আরও ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার তহবিল
সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সম্প্রসারণ সহজ করতে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ-২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। সৌর প্যানেল, ইনভার্টার ও ব্যাটারির মতো সরঞ্জামের আমদানি এবং দেশীয় উৎপাদনে কর ও শুল্ক সুবিধাও দেওয়া হয়েছে।
নীতি সহায়তার পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ খাতে অর্থায়ন সহজ করতে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার তহবিল বরাদ্দ করেছে সরকার।
সরকারি-বেসরকারি কার্যালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, কারখানা ও বাসাবাড়ির অব্যবহৃত ছাদ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর বাড়তি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করলে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে তা কিনবে সরকার।
এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, নিজের বাসভবনেও সৌর প্যানেল স্থাপন করেছেন এবং সেখান থেকে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে পেরেছেন।
স্টার্টআপে বছরে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ
এক্সপোতে ৩০০-র বেশি তরুণ-তরুণী নতুন উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করায় তাদের সাধুবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জ্ঞান ও উদ্ভাবনী ধারণার প্রতিযোগিতা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ুক। অর্থের অভাবে যেন কোনো উদ্ভাবন হারিয়ে না যায়, সে জন্য চলতি বাজেটে স্টার্টআপ খাতে বছরে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানো ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্প পর্যায়ক্রমে সৌরচালিত পাম্পে রূপান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি হিমাগার, কৃষিপণ্য সংরক্ষণ এবং গ্রামীণ ক্ষুদ্র উদ্যোগে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
সৌরবিদ্যুৎ খাতে যুক্ত ৮ হাজারের বেশি নতুন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে শুধু বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া নয়, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলোকে সৌরবিদ্যুৎ উদ্যোক্তাদের সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এ ছাড়া দেশের উন্নয়ন সহযোগী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
দিনের বেলায় বিদ্যুতের অপচয় রোধে অপ্রয়োজনীয় বাতি ও পাখা বন্ধ রাখার জন্য দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আসুন, আমরা সবাই মিলে সূর্যের আলোকে দেশের সম্পদে পরিণত করি।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!