ভুল তথ্য, অপতথ্য ও ফেক ভিডিও ছড়িয়ে দেশের বহু নিরপরাধ ও সম্মানিত মানুষকে হেয় করা হচ্ছে। এগুলো রোধ করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এ জন্য সরকার একটি আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডিজিটাল ফ্ল্যাটফরম ব্যবহার করে সাইবার বুলিং করা হচ্ছে। সরকারের দায়িত্ব রয়েছে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়ার। সরকার সেই উদ্যোগ নিয়েছে। সরকার এ ক্ষেত্রে আইন যথাযথ প্রয়োগ করবে।
সরকারের ১৮০ দিন সামনে রেখে মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে বলে এক ধরণের আলোচনা হচ্ছে। এটার বাস্তবতা কতটুকু? এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, আমিও জানি না, আমিও মিডিয়াতে দেখছি। এর বেশি কিছু না। তবে একটা জিনিস গ্রসলি আমরা মনে করতে পারি, এটা শুধু ১৮০ দিনের কথা বলছি না। সেই পুরোনো কথা, যে একটা ফ্যাসিস্ট বা মাফিয়া রেজিম দেখাতে চায় তিনি যা করেছেন, সঠিক করেছেন। আমি ভুল নিতে পারি না, আমি নিজে ভুল না, আমার সব ঠিক আছে। ফলে তারা তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন না।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী একটা মন্ত্রিসভা তৈরি করেছেন, একটা উপদেষ্টা পরিষদ তৈরি করেছেন। এটুকু ওনার সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে আমি যতটুকু বুঝি- ওনার যদি কখনো মনে হয় যে কেউ ভালো পারফর্ম করতে পারছেন না, তার জায়গায় দপ্তর পুনর্বণ্টন অথবা নতুন কাউকে দেওয়া, এগুলো যদি প্রয়োজন মনে করেন তিনি সেটা করবেন। কারণ, দিনের শেষে জনগণের কল্যাণ করা।
উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওনার কোনো চয়েস বা কোনো সিদ্ধান্ত আরো বেটার করার সুযোগ যদি থাকে, তিনি সেটা করবেন। তার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে মনে হয়েছে। এটা এখন ১৮০ দিনের পরপর হবে, না তার চেয়েও একটু সময় লাগবে, সেটা আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না।
ভুল তথ্য, অপতথ্য ও ফেক ভিডিও ছড়িয়ে দেশের বহু নিরপরাধ ও সম্মানিত মানুষকে হেয় করা হচ্ছে। এগুলো রোধ করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এ জন্য সরকার একটি আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডিজিটাল ফ্ল্যাটফরম ব্যবহার করে সাইবার বুলিং করা হচ্ছে। সরকারের দায়িত্ব রয়েছে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়ার। সরকার সেই উদ্যোগ নিয়েছে। সরকার এ ক্ষেত্রে আইন যথাযথ প্রয়োগ করবে।
সরকারের ১৮০ দিন সামনে রেখে মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে বলে এক ধরণের আলোচনা হচ্ছে। এটার বাস্তবতা কতটুকু? এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, আমিও জানি না, আমিও মিডিয়াতে দেখছি। এর বেশি কিছু না। তবে একটা জিনিস গ্রসলি আমরা মনে করতে পারি, এটা শুধু ১৮০ দিনের কথা বলছি না। সেই পুরোনো কথা, যে একটা ফ্যাসিস্ট বা মাফিয়া রেজিম দেখাতে চায় তিনি যা করেছেন, সঠিক করেছেন। আমি ভুল নিতে পারি না, আমি নিজে ভুল না, আমার সব ঠিক আছে। ফলে তারা তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন না।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী একটা মন্ত্রিসভা তৈরি করেছেন, একটা উপদেষ্টা পরিষদ তৈরি করেছেন। এটুকু ওনার সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে আমি যতটুকু বুঝি- ওনার যদি কখনো মনে হয় যে কেউ ভালো পারফর্ম করতে পারছেন না, তার জায়গায় দপ্তর পুনর্বণ্টন অথবা নতুন কাউকে দেওয়া, এগুলো যদি প্রয়োজন মনে করেন তিনি সেটা করবেন। কারণ, দিনের শেষে জনগণের কল্যাণ করা।
উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওনার কোনো চয়েস বা কোনো সিদ্ধান্ত আরো বেটার করার সুযোগ যদি থাকে, তিনি সেটা করবেন। তার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে মনে হয়েছে। এটা এখন ১৮০ দিনের পরপর হবে, না তার চেয়েও একটু সময় লাগবে, সেটা আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না।
ভুল তথ্য, অপতথ্য ও ফেক ভিডিও ছড়িয়ে দেশের বহু নিরপরাধ ও সম্মানিত মানুষকে হেয় করা হচ্ছে। এগুলো রোধ করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এ জন্য সরকার একটি আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডিজিটাল ফ্ল্যাটফরম ব্যবহার করে সাইবার বুলিং করা হচ্ছে। সরকারের দায়িত্ব রয়েছে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়ার। সরকার সেই উদ্যোগ নিয়েছে। সরকার এ ক্ষেত্রে আইন যথাযথ প্রয়োগ করবে।
সরকারের ১৮০ দিন সামনে রেখে মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে বলে এক ধরণের আলোচনা হচ্ছে। এটার বাস্তবতা কতটুকু? এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, আমিও জানি না, আমিও মিডিয়াতে দেখছি। এর বেশি কিছু না। তবে একটা জিনিস গ্রসলি আমরা মনে করতে পারি, এটা শুধু ১৮০ দিনের কথা বলছি না। সেই পুরোনো কথা, যে একটা ফ্যাসিস্ট বা মাফিয়া রেজিম দেখাতে চায় তিনি যা করেছেন, সঠিক করেছেন। আমি ভুল নিতে পারি না, আমি নিজে ভুল না, আমার সব ঠিক আছে। ফলে তারা তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন না।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী একটা মন্ত্রিসভা তৈরি করেছেন, একটা উপদেষ্টা পরিষদ তৈরি করেছেন। এটুকু ওনার সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে আমি যতটুকু বুঝি- ওনার যদি কখনো মনে হয় যে কেউ ভালো পারফর্ম করতে পারছেন না, তার জায়গায় দপ্তর পুনর্বণ্টন অথবা নতুন কাউকে দেওয়া, এগুলো যদি প্রয়োজন মনে করেন তিনি সেটা করবেন। কারণ, দিনের শেষে জনগণের কল্যাণ করা।
উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওনার কোনো চয়েস বা কোনো সিদ্ধান্ত আরো বেটার করার সুযোগ যদি থাকে, তিনি সেটা করবেন। তার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে মনে হয়েছে। এটা এখন ১৮০ দিনের পরপর হবে, না তার চেয়েও একটু সময় লাগবে, সেটা আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না।
ভুল তথ্য, অপতথ্য ও ফেক ভিডিও ছড়িয়ে দেশের বহু নিরপরাধ ও সম্মানিত মানুষকে হেয় করা হচ্ছে। এগুলো রোধ করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এ জন্য সরকার একটি আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডিজিটাল ফ্ল্যাটফরম ব্যবহার করে সাইবার বুলিং করা হচ্ছে। সরকারের দায়িত্ব রয়েছে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়ার। সরকার সেই উদ্যোগ নিয়েছে। সরকার এ ক্ষেত্রে আইন যথাযথ প্রয়োগ করবে।
সরকারের ১৮০ দিন সামনে রেখে মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে বলে এক ধরণের আলোচনা হচ্ছে। এটার বাস্তবতা কতটুকু? এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, আমিও জানি না, আমিও মিডিয়াতে দেখছি। এর বেশি কিছু না। তবে একটা জিনিস গ্রসলি আমরা মনে করতে পারি, এটা শুধু ১৮০ দিনের কথা বলছি না। সেই পুরোনো কথা, যে একটা ফ্যাসিস্ট বা মাফিয়া রেজিম দেখাতে চায় তিনি যা করেছেন, সঠিক করেছেন। আমি ভুল নিতে পারি না, আমি নিজে ভুল না, আমার সব ঠিক আছে। ফলে তারা তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন না।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী একটা মন্ত্রিসভা তৈরি করেছেন, একটা উপদেষ্টা পরিষদ তৈরি করেছেন। এটুকু ওনার সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে আমি যতটুকু বুঝি- ওনার যদি কখনো মনে হয় যে কেউ ভালো পারফর্ম করতে পারছেন না, তার জায়গায় দপ্তর পুনর্বণ্টন অথবা নতুন কাউকে দেওয়া, এগুলো যদি প্রয়োজন মনে করেন তিনি সেটা করবেন। কারণ, দিনের শেষে জনগণের কল্যাণ করা।
উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওনার কোনো চয়েস বা কোনো সিদ্ধান্ত আরো বেটার করার সুযোগ যদি থাকে, তিনি সেটা করবেন। তার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে মনে হয়েছে। এটা এখন ১৮০ দিনের পরপর হবে, না তার চেয়েও একটু সময় লাগবে, সেটা আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!