রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত সহপাঠী ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু মুসাব্বির মাকিনকে এক বছর পরও ভুলতে পারেনি সূর্য সময় বিশ্বাস। তার ভাষায়, ‘চোখ বুজলেই এখনো বন্ধুর আর্তনাদ শুনি, ওটা কখনো ভুলতে পারবো না।’
গত বছরের ২৫ জুলাই জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মুসাব্বির মাকিন। দুর্ঘটনার সময় একই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল সে এবং সূর্য। এখন সূর্য অষ্টম শ্রেণিতে উঠলেও তার ভাষায়, ‘আমি ক্লাস এইটে, কিন্তু মাকিনের জীবন ক্লাস সেভেনেই থেমে গেছে।’
রোববার (১৯ জুলাই) মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে কথা বলতে গিয়ে সূর্য জানায়, স্কুলে এলেই বন্ধু মাকিনের কথা মনে পড়ে। ক্লাসে, খেলাধুলায়, এমনকি জন্মদিনের স্মৃতিতেও সে আজও বন্ধুকে খুঁজে বেড়ায়।
দুর্ঘটনার দিনটির বর্ণনা দিতে গিয়ে সূর্য বলে, হঠাৎ বিকট শব্দ, আগুন ও ধোঁয়ায় চারপাশ ছেয়ে যায়। পরে লোহার গ্রিল ভেঙে তাকে উদ্ধার করা হয়। শারীরিকভাবে অক্ষত থাকলেও সেই দিনের আতঙ্ক ও পাশের কক্ষে আটকে পড়া সহপাঠীদের আর্তনাদ আজও তাকে তাড়া করে ফেরে।
প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুর খবর শুনে অনেক কেঁদেছিল বলে জানিয়ে সূর্য বলে, শেষবারের মতো মাকিনকে আর দেখা হয়নি। এক বছর পেরিয়ে গেলেও সেই শোক ও দুঃসহ স্মৃতি এখনো তার মন থেকে মুছে যায়নি।
রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত সহপাঠী ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু মুসাব্বির মাকিনকে এক বছর পরও ভুলতে পারেনি সূর্য সময় বিশ্বাস। তার ভাষায়, ‘চোখ বুজলেই এখনো বন্ধুর আর্তনাদ শুনি, ওটা কখনো ভুলতে পারবো না।’
গত বছরের ২৫ জুলাই জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মুসাব্বির মাকিন। দুর্ঘটনার সময় একই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল সে এবং সূর্য। এখন সূর্য অষ্টম শ্রেণিতে উঠলেও তার ভাষায়, ‘আমি ক্লাস এইটে, কিন্তু মাকিনের জীবন ক্লাস সেভেনেই থেমে গেছে।’
রোববার (১৯ জুলাই) মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে কথা বলতে গিয়ে সূর্য জানায়, স্কুলে এলেই বন্ধু মাকিনের কথা মনে পড়ে। ক্লাসে, খেলাধুলায়, এমনকি জন্মদিনের স্মৃতিতেও সে আজও বন্ধুকে খুঁজে বেড়ায়।
দুর্ঘটনার দিনটির বর্ণনা দিতে গিয়ে সূর্য বলে, হঠাৎ বিকট শব্দ, আগুন ও ধোঁয়ায় চারপাশ ছেয়ে যায়। পরে লোহার গ্রিল ভেঙে তাকে উদ্ধার করা হয়। শারীরিকভাবে অক্ষত থাকলেও সেই দিনের আতঙ্ক ও পাশের কক্ষে আটকে পড়া সহপাঠীদের আর্তনাদ আজও তাকে তাড়া করে ফেরে।
প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুর খবর শুনে অনেক কেঁদেছিল বলে জানিয়ে সূর্য বলে, শেষবারের মতো মাকিনকে আর দেখা হয়নি। এক বছর পেরিয়ে গেলেও সেই শোক ও দুঃসহ স্মৃতি এখনো তার মন থেকে মুছে যায়নি।
রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত সহপাঠী ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু মুসাব্বির মাকিনকে এক বছর পরও ভুলতে পারেনি সূর্য সময় বিশ্বাস। তার ভাষায়, ‘চোখ বুজলেই এখনো বন্ধুর আর্তনাদ শুনি, ওটা কখনো ভুলতে পারবো না।’
গত বছরের ২৫ জুলাই জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মুসাব্বির মাকিন। দুর্ঘটনার সময় একই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল সে এবং সূর্য। এখন সূর্য অষ্টম শ্রেণিতে উঠলেও তার ভাষায়, ‘আমি ক্লাস এইটে, কিন্তু মাকিনের জীবন ক্লাস সেভেনেই থেমে গেছে।’
রোববার (১৯ জুলাই) মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে কথা বলতে গিয়ে সূর্য জানায়, স্কুলে এলেই বন্ধু মাকিনের কথা মনে পড়ে। ক্লাসে, খেলাধুলায়, এমনকি জন্মদিনের স্মৃতিতেও সে আজও বন্ধুকে খুঁজে বেড়ায়।
দুর্ঘটনার দিনটির বর্ণনা দিতে গিয়ে সূর্য বলে, হঠাৎ বিকট শব্দ, আগুন ও ধোঁয়ায় চারপাশ ছেয়ে যায়। পরে লোহার গ্রিল ভেঙে তাকে উদ্ধার করা হয়। শারীরিকভাবে অক্ষত থাকলেও সেই দিনের আতঙ্ক ও পাশের কক্ষে আটকে পড়া সহপাঠীদের আর্তনাদ আজও তাকে তাড়া করে ফেরে।
প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুর খবর শুনে অনেক কেঁদেছিল বলে জানিয়ে সূর্য বলে, শেষবারের মতো মাকিনকে আর দেখা হয়নি। এক বছর পেরিয়ে গেলেও সেই শোক ও দুঃসহ স্মৃতি এখনো তার মন থেকে মুছে যায়নি।
রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত সহপাঠী ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু মুসাব্বির মাকিনকে এক বছর পরও ভুলতে পারেনি সূর্য সময় বিশ্বাস। তার ভাষায়, ‘চোখ বুজলেই এখনো বন্ধুর আর্তনাদ শুনি, ওটা কখনো ভুলতে পারবো না।’
গত বছরের ২৫ জুলাই জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মুসাব্বির মাকিন। দুর্ঘটনার সময় একই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল সে এবং সূর্য। এখন সূর্য অষ্টম শ্রেণিতে উঠলেও তার ভাষায়, ‘আমি ক্লাস এইটে, কিন্তু মাকিনের জীবন ক্লাস সেভেনেই থেমে গেছে।’
রোববার (১৯ জুলাই) মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে কথা বলতে গিয়ে সূর্য জানায়, স্কুলে এলেই বন্ধু মাকিনের কথা মনে পড়ে। ক্লাসে, খেলাধুলায়, এমনকি জন্মদিনের স্মৃতিতেও সে আজও বন্ধুকে খুঁজে বেড়ায়।
দুর্ঘটনার দিনটির বর্ণনা দিতে গিয়ে সূর্য বলে, হঠাৎ বিকট শব্দ, আগুন ও ধোঁয়ায় চারপাশ ছেয়ে যায়। পরে লোহার গ্রিল ভেঙে তাকে উদ্ধার করা হয়। শারীরিকভাবে অক্ষত থাকলেও সেই দিনের আতঙ্ক ও পাশের কক্ষে আটকে পড়া সহপাঠীদের আর্তনাদ আজও তাকে তাড়া করে ফেরে।
প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুর খবর শুনে অনেক কেঁদেছিল বলে জানিয়ে সূর্য বলে, শেষবারের মতো মাকিনকে আর দেখা হয়নি। এক বছর পেরিয়ে গেলেও সেই শোক ও দুঃসহ স্মৃতি এখনো তার মন থেকে মুছে যায়নি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!