সাভারের আশুলিয়ায় ভুয়া পত্রিকার সাইনবোর্ড ও সামাজিক সংগঠনের পরিচয়ের আড়ালে অবৈধভাবে নকল কনডম ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী প্যাকেটজাত ও মজুতের কারখানার সন্ধান পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় আশুলিয়ার বাইপাইলে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, প্রতিষ্ঠানটির বাইরে ‘দৈনিক অন্যায়ের চিত্র’ নামে একটি পত্রিকার সাইনবোর্ড ব্যবহার করা হচ্ছিল। একই সঙ্গে সামাজিক সংগঠনের পরিচয়ও দেওয়া হয়েছিল। তবে অভিযানে ভেতরে অনুমোদনহীন জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী অবৈধভাবে প্যাকেটজাত ও মজুতের প্রমাণ পাওয়া যায়।
অভিযান পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালানো হয়। এটি কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠান নয়। এখানে অনুমোদনহীন জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী অবৈধভাবে প্যাকেটজাত ও মজুত করা হচ্ছিল।
তিনি বলেন, এসব পণ্যের অধিকাংশ পাশের দেশ থেকে অবৈধভাবে আনা হয়েছে। এতে সরকার বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে। পাশাপাশি পণ্যের গুণগত মান যাচাইয়ের সুযোগ না থাকায় ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
প্রশাসন আরও জানায়, একই প্রতিষ্ঠানে এর আগে অভিযান চালিয়ে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল এবং ভবনটি সিলগালা করা হয়। পরে বৈধ ব্যবসা পরিচালনার শর্তে সিলগালা খুলে দেওয়া হলেও সেই শর্ত না মেনে গোপনে অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল মালিকপক্ষ।
অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল কনডম, জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ও অন্যান্য মালামাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা।
তবে অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানের মালিক ও মূল অভিযুক্ত শাহাদত হোসেন শান্তুকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তারসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
সাভারের আশুলিয়ায় ভুয়া পত্রিকার সাইনবোর্ড ও সামাজিক সংগঠনের পরিচয়ের আড়ালে অবৈধভাবে নকল কনডম ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী প্যাকেটজাত ও মজুতের কারখানার সন্ধান পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় আশুলিয়ার বাইপাইলে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, প্রতিষ্ঠানটির বাইরে ‘দৈনিক অন্যায়ের চিত্র’ নামে একটি পত্রিকার সাইনবোর্ড ব্যবহার করা হচ্ছিল। একই সঙ্গে সামাজিক সংগঠনের পরিচয়ও দেওয়া হয়েছিল। তবে অভিযানে ভেতরে অনুমোদনহীন জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী অবৈধভাবে প্যাকেটজাত ও মজুতের প্রমাণ পাওয়া যায়।
অভিযান পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালানো হয়। এটি কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠান নয়। এখানে অনুমোদনহীন জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী অবৈধভাবে প্যাকেটজাত ও মজুত করা হচ্ছিল।
তিনি বলেন, এসব পণ্যের অধিকাংশ পাশের দেশ থেকে অবৈধভাবে আনা হয়েছে। এতে সরকার বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে। পাশাপাশি পণ্যের গুণগত মান যাচাইয়ের সুযোগ না থাকায় ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
প্রশাসন আরও জানায়, একই প্রতিষ্ঠানে এর আগে অভিযান চালিয়ে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল এবং ভবনটি সিলগালা করা হয়। পরে বৈধ ব্যবসা পরিচালনার শর্তে সিলগালা খুলে দেওয়া হলেও সেই শর্ত না মেনে গোপনে অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল মালিকপক্ষ।
অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল কনডম, জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ও অন্যান্য মালামাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা।
তবে অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানের মালিক ও মূল অভিযুক্ত শাহাদত হোসেন শান্তুকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তারসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
সাভারের আশুলিয়ায় ভুয়া পত্রিকার সাইনবোর্ড ও সামাজিক সংগঠনের পরিচয়ের আড়ালে অবৈধভাবে নকল কনডম ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী প্যাকেটজাত ও মজুতের কারখানার সন্ধান পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় আশুলিয়ার বাইপাইলে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, প্রতিষ্ঠানটির বাইরে ‘দৈনিক অন্যায়ের চিত্র’ নামে একটি পত্রিকার সাইনবোর্ড ব্যবহার করা হচ্ছিল। একই সঙ্গে সামাজিক সংগঠনের পরিচয়ও দেওয়া হয়েছিল। তবে অভিযানে ভেতরে অনুমোদনহীন জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী অবৈধভাবে প্যাকেটজাত ও মজুতের প্রমাণ পাওয়া যায়।
অভিযান পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালানো হয়। এটি কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠান নয়। এখানে অনুমোদনহীন জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী অবৈধভাবে প্যাকেটজাত ও মজুত করা হচ্ছিল।
তিনি বলেন, এসব পণ্যের অধিকাংশ পাশের দেশ থেকে অবৈধভাবে আনা হয়েছে। এতে সরকার বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে। পাশাপাশি পণ্যের গুণগত মান যাচাইয়ের সুযোগ না থাকায় ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
প্রশাসন আরও জানায়, একই প্রতিষ্ঠানে এর আগে অভিযান চালিয়ে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল এবং ভবনটি সিলগালা করা হয়। পরে বৈধ ব্যবসা পরিচালনার শর্তে সিলগালা খুলে দেওয়া হলেও সেই শর্ত না মেনে গোপনে অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল মালিকপক্ষ।
অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল কনডম, জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ও অন্যান্য মালামাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা।
তবে অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানের মালিক ও মূল অভিযুক্ত শাহাদত হোসেন শান্তুকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তারসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
সাভারের আশুলিয়ায় ভুয়া পত্রিকার সাইনবোর্ড ও সামাজিক সংগঠনের পরিচয়ের আড়ালে অবৈধভাবে নকল কনডম ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী প্যাকেটজাত ও মজুতের কারখানার সন্ধান পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় আশুলিয়ার বাইপাইলে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, প্রতিষ্ঠানটির বাইরে ‘দৈনিক অন্যায়ের চিত্র’ নামে একটি পত্রিকার সাইনবোর্ড ব্যবহার করা হচ্ছিল। একই সঙ্গে সামাজিক সংগঠনের পরিচয়ও দেওয়া হয়েছিল। তবে অভিযানে ভেতরে অনুমোদনহীন জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী অবৈধভাবে প্যাকেটজাত ও মজুতের প্রমাণ পাওয়া যায়।
অভিযান পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালানো হয়। এটি কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠান নয়। এখানে অনুমোদনহীন জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী অবৈধভাবে প্যাকেটজাত ও মজুত করা হচ্ছিল।
তিনি বলেন, এসব পণ্যের অধিকাংশ পাশের দেশ থেকে অবৈধভাবে আনা হয়েছে। এতে সরকার বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে। পাশাপাশি পণ্যের গুণগত মান যাচাইয়ের সুযোগ না থাকায় ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
প্রশাসন আরও জানায়, একই প্রতিষ্ঠানে এর আগে অভিযান চালিয়ে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল এবং ভবনটি সিলগালা করা হয়। পরে বৈধ ব্যবসা পরিচালনার শর্তে সিলগালা খুলে দেওয়া হলেও সেই শর্ত না মেনে গোপনে অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল মালিকপক্ষ।
অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল কনডম, জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ও অন্যান্য মালামাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা।
তবে অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানের মালিক ও মূল অভিযুক্ত শাহাদত হোসেন শান্তুকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তারসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!