
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার দাবির পর পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদরদফতরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইরানের তেল অবকাঠামোর ওপর সামান্য আঘাত এলেও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
মুখপাত্র বলেন, ইরানের তেল অবকাঠামোর ওপর হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে যেসব তেল ও জ্বালানি স্থাপনায় মার্কিন কোম্পানির অংশীদারত্ব রয়েছে বা যারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করে-সেসব স্থাপনাকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ জড়িত প্রতিটি স্থাপনাই আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই হুমকি মূলত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের মতো দেশে থাকা মার্কিন বিনিয়োগকৃত তেলক্ষেত্রগুলোর দিকে ইঙ্গিত করছে।
এর আগে স্থানীয় সময় শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। তিনি বলেন, ইরানের ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। দ্বীপটি ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
ট্রাম্প আরও বলেন, এখনো দ্বীপটির মূল তেল অবকাঠামো ধ্বংসের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে ইরান যদি হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা ব্যাহত করার চেষ্টা করে, তাহলে সে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হবে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বিমানবাহিনীর পাঁচটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ওই ঘাঁটিতে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। হামলার সময় রানওয়ে ও হ্যাঙ্গারে থাকা মার্কিন বিমানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে সেগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়নি এবং বর্তমানে মেরামতের কাজ চলছে। এই হামলায় কোনো মার্কিন সেনা বা বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হুমকির প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ইতিমধ্যে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি সত্যিই আঞ্চলিক তেলক্ষেত্রগুলোতে হামলা চালায়, তবে তা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা সৃষ্টি করতে পারে।
তাদের মতে, ইরান এখন এমন এক কৌশল গ্রহণ করেছে, যেখানে নিজেদের ওপর আঘাত এলে আঞ্চলিক মিত্রদের লক্ষ্য করেও পাল্টা হামলা চালাতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার দাবির পর পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদরদফতরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইরানের তেল অবকাঠামোর ওপর সামান্য আঘাত এলেও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
মুখপাত্র বলেন, ইরানের তেল অবকাঠামোর ওপর হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে যেসব তেল ও জ্বালানি স্থাপনায় মার্কিন কোম্পানির অংশীদারত্ব রয়েছে বা যারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করে-সেসব স্থাপনাকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ জড়িত প্রতিটি স্থাপনাই আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই হুমকি মূলত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের মতো দেশে থাকা মার্কিন বিনিয়োগকৃত তেলক্ষেত্রগুলোর দিকে ইঙ্গিত করছে।
এর আগে স্থানীয় সময় শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। তিনি বলেন, ইরানের ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। দ্বীপটি ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
ট্রাম্প আরও বলেন, এখনো দ্বীপটির মূল তেল অবকাঠামো ধ্বংসের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে ইরান যদি হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা ব্যাহত করার চেষ্টা করে, তাহলে সে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হবে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বিমানবাহিনীর পাঁচটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ওই ঘাঁটিতে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। হামলার সময় রানওয়ে ও হ্যাঙ্গারে থাকা মার্কিন বিমানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে সেগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়নি এবং বর্তমানে মেরামতের কাজ চলছে। এই হামলায় কোনো মার্কিন সেনা বা বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হুমকির প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ইতিমধ্যে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি সত্যিই আঞ্চলিক তেলক্ষেত্রগুলোতে হামলা চালায়, তবে তা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা সৃষ্টি করতে পারে।
তাদের মতে, ইরান এখন এমন এক কৌশল গ্রহণ করেছে, যেখানে নিজেদের ওপর আঘাত এলে আঞ্চলিক মিত্রদের লক্ষ্য করেও পাল্টা হামলা চালাতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার দাবির পর পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদরদফতরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইরানের তেল অবকাঠামোর ওপর সামান্য আঘাত এলেও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
মুখপাত্র বলেন, ইরানের তেল অবকাঠামোর ওপর হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে যেসব তেল ও জ্বালানি স্থাপনায় মার্কিন কোম্পানির অংশীদারত্ব রয়েছে বা যারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করে-সেসব স্থাপনাকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ জড়িত প্রতিটি স্থাপনাই আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই হুমকি মূলত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের মতো দেশে থাকা মার্কিন বিনিয়োগকৃত তেলক্ষেত্রগুলোর দিকে ইঙ্গিত করছে।
এর আগে স্থানীয় সময় শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। তিনি বলেন, ইরানের ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। দ্বীপটি ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
ট্রাম্প আরও বলেন, এখনো দ্বীপটির মূল তেল অবকাঠামো ধ্বংসের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে ইরান যদি হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা ব্যাহত করার চেষ্টা করে, তাহলে সে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হবে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বিমানবাহিনীর পাঁচটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ওই ঘাঁটিতে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। হামলার সময় রানওয়ে ও হ্যাঙ্গারে থাকা মার্কিন বিমানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে সেগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়নি এবং বর্তমানে মেরামতের কাজ চলছে। এই হামলায় কোনো মার্কিন সেনা বা বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হুমকির প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ইতিমধ্যে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি সত্যিই আঞ্চলিক তেলক্ষেত্রগুলোতে হামলা চালায়, তবে তা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা সৃষ্টি করতে পারে।
তাদের মতে, ইরান এখন এমন এক কৌশল গ্রহণ করেছে, যেখানে নিজেদের ওপর আঘাত এলে আঞ্চলিক মিত্রদের লক্ষ্য করেও পাল্টা হামলা চালাতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার দাবির পর পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদরদফতরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইরানের তেল অবকাঠামোর ওপর সামান্য আঘাত এলেও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
মুখপাত্র বলেন, ইরানের তেল অবকাঠামোর ওপর হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে যেসব তেল ও জ্বালানি স্থাপনায় মার্কিন কোম্পানির অংশীদারত্ব রয়েছে বা যারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করে-সেসব স্থাপনাকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ জড়িত প্রতিটি স্থাপনাই আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই হুমকি মূলত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের মতো দেশে থাকা মার্কিন বিনিয়োগকৃত তেলক্ষেত্রগুলোর দিকে ইঙ্গিত করছে।
এর আগে স্থানীয় সময় শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। তিনি বলেন, ইরানের ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। দ্বীপটি ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
ট্রাম্প আরও বলেন, এখনো দ্বীপটির মূল তেল অবকাঠামো ধ্বংসের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে ইরান যদি হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা ব্যাহত করার চেষ্টা করে, তাহলে সে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হবে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বিমানবাহিনীর পাঁচটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ওই ঘাঁটিতে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। হামলার সময় রানওয়ে ও হ্যাঙ্গারে থাকা মার্কিন বিমানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে সেগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়নি এবং বর্তমানে মেরামতের কাজ চলছে। এই হামলায় কোনো মার্কিন সেনা বা বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হুমকির প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ইতিমধ্যে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি সত্যিই আঞ্চলিক তেলক্ষেত্রগুলোতে হামলা চালায়, তবে তা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা সৃষ্টি করতে পারে।
তাদের মতে, ইরান এখন এমন এক কৌশল গ্রহণ করেছে, যেখানে নিজেদের ওপর আঘাত এলে আঞ্চলিক মিত্রদের লক্ষ্য করেও পাল্টা হামলা চালাতে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!