
রাজধানীতে ছিনতাইকারী ও মলম পার্টির সদস্যদের ধরিয়ে দিতে পরিবহন শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে পুরস্কার ঘোষণা করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর গুলিস্তান বাস টার্মিনালে গণপরিবহনের চালক ও শ্রমিকদের নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ ও মালিক সমিতির উদ্বুদ্ধকরণ সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার চালকদের উদ্দেশে বলেন, যাত্রার নির্ধারিত সময়সূচি বজায় রাখতে হবে। কোনো কারণে সময়সূচি মানা সম্ভব না হলে যাত্রীদের আগে থেকেই জানিয়ে দিতে হবে কখন বাস আসবে। নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেওয়া যাবে না। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষসহ ঢাকা মহানগর পুলিশের ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যাত্রীদের কোনোভাবে হয়রানি করা যাবে না। একটি আসন একাধিক যাত্রীর কাছে বিক্রি করা যাবে না। বাসের ছাদে কিংবা ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী বহন করা যাবে না। যানবাহন চালানোর সময় নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলতে হবে এবং ওভারটেকিং থেকে বিরত থাকতে হবে, বিশেষ করে বাঁক বা সেতুর কাছাকাছি এলাকায়।
মো. সরওয়ার বলেন, নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করে, ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে কিংবা অসুস্থ অবস্থায় গাড়ি চালানো যাবে না। একটানা পাঁচ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালানো থেকেও বিরত থাকতে হবে। গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলা বা হেডফোন ব্যবহার করা যাবে না। উচ্চস্বরে গান বাজানো এবং কালো ধোঁয়া নির্গত করে এমন গাড়ি রাস্তায় নামানো থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
তিনি চালকদের আরও বলেন, বাস যাতে রাস্তায় নষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ রাস্তায় গাড়ি নষ্ট হলে যানজট তৈরি হয়। ট্রাফিক সৃষ্টি করে এমন বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ঈদের সময় ফিটনেস বা নম্বর প্লেটের মতো কিছু বিষয়ে কঠোরতা কমিয়ে মূলত যানজট নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
সভায় পরিবহন শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের ছোটখাটো অপরাধে জড়িত ছিনতাইকারী ও মলম পার্টির সদস্যদের চিহ্নিত করতে চালকরাই সবচেয়ে বেশি সক্ষম। তারা চাইলে এসব অপরাধীকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে পারেন। কেউ যদি ঝুঁকি মনে করেন, তবে গোপনে পুলিশকে দেখিয়ে দিলেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি যেকোনো সমস্যা হলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে পরিবহন শ্রমিকদের অনুরোধ করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার।

রাজধানীতে ছিনতাইকারী ও মলম পার্টির সদস্যদের ধরিয়ে দিতে পরিবহন শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে পুরস্কার ঘোষণা করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর গুলিস্তান বাস টার্মিনালে গণপরিবহনের চালক ও শ্রমিকদের নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ ও মালিক সমিতির উদ্বুদ্ধকরণ সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার চালকদের উদ্দেশে বলেন, যাত্রার নির্ধারিত সময়সূচি বজায় রাখতে হবে। কোনো কারণে সময়সূচি মানা সম্ভব না হলে যাত্রীদের আগে থেকেই জানিয়ে দিতে হবে কখন বাস আসবে। নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেওয়া যাবে না। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষসহ ঢাকা মহানগর পুলিশের ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যাত্রীদের কোনোভাবে হয়রানি করা যাবে না। একটি আসন একাধিক যাত্রীর কাছে বিক্রি করা যাবে না। বাসের ছাদে কিংবা ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী বহন করা যাবে না। যানবাহন চালানোর সময় নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলতে হবে এবং ওভারটেকিং থেকে বিরত থাকতে হবে, বিশেষ করে বাঁক বা সেতুর কাছাকাছি এলাকায়।
মো. সরওয়ার বলেন, নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করে, ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে কিংবা অসুস্থ অবস্থায় গাড়ি চালানো যাবে না। একটানা পাঁচ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালানো থেকেও বিরত থাকতে হবে। গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলা বা হেডফোন ব্যবহার করা যাবে না। উচ্চস্বরে গান বাজানো এবং কালো ধোঁয়া নির্গত করে এমন গাড়ি রাস্তায় নামানো থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
তিনি চালকদের আরও বলেন, বাস যাতে রাস্তায় নষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ রাস্তায় গাড়ি নষ্ট হলে যানজট তৈরি হয়। ট্রাফিক সৃষ্টি করে এমন বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ঈদের সময় ফিটনেস বা নম্বর প্লেটের মতো কিছু বিষয়ে কঠোরতা কমিয়ে মূলত যানজট নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
সভায় পরিবহন শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের ছোটখাটো অপরাধে জড়িত ছিনতাইকারী ও মলম পার্টির সদস্যদের চিহ্নিত করতে চালকরাই সবচেয়ে বেশি সক্ষম। তারা চাইলে এসব অপরাধীকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে পারেন। কেউ যদি ঝুঁকি মনে করেন, তবে গোপনে পুলিশকে দেখিয়ে দিলেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি যেকোনো সমস্যা হলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে পরিবহন শ্রমিকদের অনুরোধ করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার।

রাজধানীতে ছিনতাইকারী ও মলম পার্টির সদস্যদের ধরিয়ে দিতে পরিবহন শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে পুরস্কার ঘোষণা করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর গুলিস্তান বাস টার্মিনালে গণপরিবহনের চালক ও শ্রমিকদের নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ ও মালিক সমিতির উদ্বুদ্ধকরণ সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার চালকদের উদ্দেশে বলেন, যাত্রার নির্ধারিত সময়সূচি বজায় রাখতে হবে। কোনো কারণে সময়সূচি মানা সম্ভব না হলে যাত্রীদের আগে থেকেই জানিয়ে দিতে হবে কখন বাস আসবে। নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেওয়া যাবে না। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষসহ ঢাকা মহানগর পুলিশের ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যাত্রীদের কোনোভাবে হয়রানি করা যাবে না। একটি আসন একাধিক যাত্রীর কাছে বিক্রি করা যাবে না। বাসের ছাদে কিংবা ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী বহন করা যাবে না। যানবাহন চালানোর সময় নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলতে হবে এবং ওভারটেকিং থেকে বিরত থাকতে হবে, বিশেষ করে বাঁক বা সেতুর কাছাকাছি এলাকায়।
মো. সরওয়ার বলেন, নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করে, ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে কিংবা অসুস্থ অবস্থায় গাড়ি চালানো যাবে না। একটানা পাঁচ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালানো থেকেও বিরত থাকতে হবে। গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলা বা হেডফোন ব্যবহার করা যাবে না। উচ্চস্বরে গান বাজানো এবং কালো ধোঁয়া নির্গত করে এমন গাড়ি রাস্তায় নামানো থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
তিনি চালকদের আরও বলেন, বাস যাতে রাস্তায় নষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ রাস্তায় গাড়ি নষ্ট হলে যানজট তৈরি হয়। ট্রাফিক সৃষ্টি করে এমন বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ঈদের সময় ফিটনেস বা নম্বর প্লেটের মতো কিছু বিষয়ে কঠোরতা কমিয়ে মূলত যানজট নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
সভায় পরিবহন শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের ছোটখাটো অপরাধে জড়িত ছিনতাইকারী ও মলম পার্টির সদস্যদের চিহ্নিত করতে চালকরাই সবচেয়ে বেশি সক্ষম। তারা চাইলে এসব অপরাধীকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে পারেন। কেউ যদি ঝুঁকি মনে করেন, তবে গোপনে পুলিশকে দেখিয়ে দিলেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি যেকোনো সমস্যা হলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে পরিবহন শ্রমিকদের অনুরোধ করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার।

রাজধানীতে ছিনতাইকারী ও মলম পার্টির সদস্যদের ধরিয়ে দিতে পরিবহন শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে পুরস্কার ঘোষণা করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর গুলিস্তান বাস টার্মিনালে গণপরিবহনের চালক ও শ্রমিকদের নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ ও মালিক সমিতির উদ্বুদ্ধকরণ সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার চালকদের উদ্দেশে বলেন, যাত্রার নির্ধারিত সময়সূচি বজায় রাখতে হবে। কোনো কারণে সময়সূচি মানা সম্ভব না হলে যাত্রীদের আগে থেকেই জানিয়ে দিতে হবে কখন বাস আসবে। নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেওয়া যাবে না। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষসহ ঢাকা মহানগর পুলিশের ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যাত্রীদের কোনোভাবে হয়রানি করা যাবে না। একটি আসন একাধিক যাত্রীর কাছে বিক্রি করা যাবে না। বাসের ছাদে কিংবা ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী বহন করা যাবে না। যানবাহন চালানোর সময় নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলতে হবে এবং ওভারটেকিং থেকে বিরত থাকতে হবে, বিশেষ করে বাঁক বা সেতুর কাছাকাছি এলাকায়।
মো. সরওয়ার বলেন, নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করে, ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে কিংবা অসুস্থ অবস্থায় গাড়ি চালানো যাবে না। একটানা পাঁচ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালানো থেকেও বিরত থাকতে হবে। গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলা বা হেডফোন ব্যবহার করা যাবে না। উচ্চস্বরে গান বাজানো এবং কালো ধোঁয়া নির্গত করে এমন গাড়ি রাস্তায় নামানো থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
তিনি চালকদের আরও বলেন, বাস যাতে রাস্তায় নষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ রাস্তায় গাড়ি নষ্ট হলে যানজট তৈরি হয়। ট্রাফিক সৃষ্টি করে এমন বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ঈদের সময় ফিটনেস বা নম্বর প্লেটের মতো কিছু বিষয়ে কঠোরতা কমিয়ে মূলত যানজট নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
সভায় পরিবহন শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের ছোটখাটো অপরাধে জড়িত ছিনতাইকারী ও মলম পার্টির সদস্যদের চিহ্নিত করতে চালকরাই সবচেয়ে বেশি সক্ষম। তারা চাইলে এসব অপরাধীকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে পারেন। কেউ যদি ঝুঁকি মনে করেন, তবে গোপনে পুলিশকে দেখিয়ে দিলেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি যেকোনো সমস্যা হলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে পরিবহন শ্রমিকদের অনুরোধ করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!