
নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণে ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী এই খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এরপর স্থানীয় এক সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যরা।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যশোরের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী এয়ারলাইন্সটি যশোর বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে তাকে স্বাগত জানান যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।
১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর শার্শা উপজেলার উলসী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল স্বেচ্ছাশ্রমে খনন করেছিলেন জিয়াউর রহমান, যা ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিত। পাঁচ দশক পর খালটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে পুনঃখনন করা হচ্ছে।
উলশী-যদুনাথপুর খাল খনন প্রকল্পের জিয়াউর রহমানের সেই ফলক এখনও আছে। তাতে লেখা রয়েছে ‘উলসী-যদুনাথপুর বেতনা নদীর সংযোগ প্রকল্প। দেশব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রম ভিত্তিক গণউপযোগ অনুগামী প্রকল্প বাস্তবায়নে সামাজিক আন্দোলনের প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে উদ্বোধন করেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। ১ নভেম্বর ১৯৭৬।’

নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণে ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী এই খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এরপর স্থানীয় এক সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যরা।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যশোরের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী এয়ারলাইন্সটি যশোর বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে তাকে স্বাগত জানান যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।
১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর শার্শা উপজেলার উলসী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল স্বেচ্ছাশ্রমে খনন করেছিলেন জিয়াউর রহমান, যা ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিত। পাঁচ দশক পর খালটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে পুনঃখনন করা হচ্ছে।
উলশী-যদুনাথপুর খাল খনন প্রকল্পের জিয়াউর রহমানের সেই ফলক এখনও আছে। তাতে লেখা রয়েছে ‘উলসী-যদুনাথপুর বেতনা নদীর সংযোগ প্রকল্প। দেশব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রম ভিত্তিক গণউপযোগ অনুগামী প্রকল্প বাস্তবায়নে সামাজিক আন্দোলনের প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে উদ্বোধন করেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। ১ নভেম্বর ১৯৭৬।’

নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণে ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী এই খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এরপর স্থানীয় এক সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যরা।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যশোরের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী এয়ারলাইন্সটি যশোর বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে তাকে স্বাগত জানান যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।
১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর শার্শা উপজেলার উলসী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল স্বেচ্ছাশ্রমে খনন করেছিলেন জিয়াউর রহমান, যা ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিত। পাঁচ দশক পর খালটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে পুনঃখনন করা হচ্ছে।
উলশী-যদুনাথপুর খাল খনন প্রকল্পের জিয়াউর রহমানের সেই ফলক এখনও আছে। তাতে লেখা রয়েছে ‘উলসী-যদুনাথপুর বেতনা নদীর সংযোগ প্রকল্প। দেশব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রম ভিত্তিক গণউপযোগ অনুগামী প্রকল্প বাস্তবায়নে সামাজিক আন্দোলনের প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে উদ্বোধন করেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। ১ নভেম্বর ১৯৭৬।’

নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণে ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী এই খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এরপর স্থানীয় এক সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যরা।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যশোরের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী এয়ারলাইন্সটি যশোর বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে তাকে স্বাগত জানান যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।
১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর শার্শা উপজেলার উলসী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল স্বেচ্ছাশ্রমে খনন করেছিলেন জিয়াউর রহমান, যা ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিত। পাঁচ দশক পর খালটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে পুনঃখনন করা হচ্ছে।
উলশী-যদুনাথপুর খাল খনন প্রকল্পের জিয়াউর রহমানের সেই ফলক এখনও আছে। তাতে লেখা রয়েছে ‘উলসী-যদুনাথপুর বেতনা নদীর সংযোগ প্রকল্প। দেশব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রম ভিত্তিক গণউপযোগ অনুগামী প্রকল্প বাস্তবায়নে সামাজিক আন্দোলনের প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে উদ্বোধন করেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। ১ নভেম্বর ১৯৭৬।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!