দেশের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা শামস সুমন আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে তার মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন।
শামস সুমন দীর্ঘ সময় একটি বেসরকারি রেডিওতে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি অভিনয়েও নিয়মিত দেখা যেত তাকে। সর্বশেষ মিশন এক্সট্রিম চলচ্চিত্রে একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।
তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে—‘মন জানেনা মনের ঠিকানা’, ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’, ‘চোখের দেখা’, ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’, ‘আয়না কাহিনী’, ‘বিদ্রোহী পদ্মা’, ‘জয়যাত্রা’, ‘নমুনা’ ও ‘হ্যালো অমিত’।
২০০৯ সালে শহীদুল ইসলাম খোকনের পরিচালনায় ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এই অভিনেতা।
তার মৃত্যুতে শোবিজ অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
দেশের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা শামস সুমন আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে তার মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন।
শামস সুমন দীর্ঘ সময় একটি বেসরকারি রেডিওতে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি অভিনয়েও নিয়মিত দেখা যেত তাকে। সর্বশেষ মিশন এক্সট্রিম চলচ্চিত্রে একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।
তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে—‘মন জানেনা মনের ঠিকানা’, ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’, ‘চোখের দেখা’, ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’, ‘আয়না কাহিনী’, ‘বিদ্রোহী পদ্মা’, ‘জয়যাত্রা’, ‘নমুনা’ ও ‘হ্যালো অমিত’।
২০০৯ সালে শহীদুল ইসলাম খোকনের পরিচালনায় ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এই অভিনেতা।
তার মৃত্যুতে শোবিজ অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
দেশের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা শামস সুমন আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে তার মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন।
শামস সুমন দীর্ঘ সময় একটি বেসরকারি রেডিওতে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি অভিনয়েও নিয়মিত দেখা যেত তাকে। সর্বশেষ মিশন এক্সট্রিম চলচ্চিত্রে একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।
তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে—‘মন জানেনা মনের ঠিকানা’, ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’, ‘চোখের দেখা’, ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’, ‘আয়না কাহিনী’, ‘বিদ্রোহী পদ্মা’, ‘জয়যাত্রা’, ‘নমুনা’ ও ‘হ্যালো অমিত’।
২০০৯ সালে শহীদুল ইসলাম খোকনের পরিচালনায় ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এই অভিনেতা।
তার মৃত্যুতে শোবিজ অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
দেশের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা শামস সুমন আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে তার মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন।
শামস সুমন দীর্ঘ সময় একটি বেসরকারি রেডিওতে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি অভিনয়েও নিয়মিত দেখা যেত তাকে। সর্বশেষ মিশন এক্সট্রিম চলচ্চিত্রে একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।
তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে—‘মন জানেনা মনের ঠিকানা’, ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’, ‘চোখের দেখা’, ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’, ‘আয়না কাহিনী’, ‘বিদ্রোহী পদ্মা’, ‘জয়যাত্রা’, ‘নমুনা’ ও ‘হ্যালো অমিত’।
২০০৯ সালে শহীদুল ইসলাম খোকনের পরিচালনায় ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এই অভিনেতা।
তার মৃত্যুতে শোবিজ অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!