
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)-এর আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি, বিদ্যমান সদস্যদের তথ্য যাচাই-বাছাই এবং সদস্যভিত্তিক তথ্য হালনাগাদের জন্য সাত সদস্যের একটি সহায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বাণিজ্য সংগঠন-২-এর নির্দেশনার আলোকে অস্থায়ী প্রশাসকের মাধ্যমে কমিটিটি মনোনীত করা হয়েছে। নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা এবং বিদ্যমান সদস্যদের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে হালনাগাদ ও নির্ভুল সদস্যভিত্তি তৈরিতে প্রশাসককে সহায়তা করবে কমিটি।
বেসিস প্রশাসক ড. খাদিজা নাজনীনকে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য গঠিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন ট্রাস্ট-আইটি (বিডি) লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জুয়েল, সলিউশন ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ ইবনে নূরুল ইসলাম, এজিএস কোয়ালিটি অ্যাকশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আহসান হাবিব, এটোভা টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ফেরদৌস আলম, রেড স্প্যারো লিমিটেডের পরিচালক মো. ফুয়াদ হাসান, লেমিসে লিমিটেডের সিইও মো. রাশেদ উল হক সরকার এবং গ্লোবাল আইটি অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ইনস্টিটিউট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ তাপিত হাসান চৌধুরী।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কমিটির কার্যপরিধি মূলত সদস্য অন্তর্ভুক্তি এবং সদস্যদের তথ্য যাচাই ও হালনাগাদকরণে সীমাবদ্ধ থাকবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অন্য কোনো বিষয়ে কমিটির স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার থাকবে না।
কমিটির কোনো সদস্য বেসিসের আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাইলে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার দিন তাকে সহায়ক কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্য স্বার্থের সংঘাত এড়াতেই এ বিধান রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ডিজিটাল উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার নাজমীনের স্বাক্ষরে জারি করা নির্দেশনায় সদস্য তালিকা হালনাগাদ, তথ্য যাচাই এবং স্বচ্ছ সদস্যভিত্তি তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে নির্দেশনার পূর্ণাঙ্গ নথি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বেসিসের সদস্যপদ ও ভোটার তালিকা নিয়ে অতীতে বিভিন্ন পক্ষের প্রশ্ন ও অভিযোগ রয়েছে। কয়েকটি সূত্রের দাবি, কিছু প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ, বন্ধ বা নিষ্ক্রিয় প্রতিষ্ঠানের ভোটাধিকার এবং সদস্যদের নির্বাচনী অংশগ্রহণ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সবকটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
কিছু সূত্রের আরও দাবি, অতীতে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে কিছু প্রতিষ্ঠান বেসিসে বাড়তি সুবিধা পেয়েছে এবং কার্যক্রম চালু থাকা কিছু প্রতিষ্ঠানের ভোটার হওয়ার সুযোগ নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর ভিন্ন বক্তব্য থাকতে পারে। নতুন সহায়ক কমিটির কার্যক্রমের মাধ্যমে সদস্যপদ ও ভোটার তালিকা নিয়ে বিদ্যমান বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে যাচাইযোগ্য ও হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতে সদস্য তালিকা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
বেসিসের সাধারণ সদস্যদের একটি অংশ আশা করছেন, কমিটি নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করবে। সক্রিয় ও বৈধ সদস্যদের তথ্য যাচাই, নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তিতে সমান সুযোগ এবং ভোটার তালিকা নিয়ে ভবিষ্যৎ বিতর্ক কমাতে কমিটির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা মনে করছেন।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বেসিসের সদস্যভিত্তিক তথ্য আরও নির্ভুল হবে এবং আসন্ন নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা নিয়ে সদস্যদের আস্থা বাড়বে।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)-এর আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি, বিদ্যমান সদস্যদের তথ্য যাচাই-বাছাই এবং সদস্যভিত্তিক তথ্য হালনাগাদের জন্য সাত সদস্যের একটি সহায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বাণিজ্য সংগঠন-২-এর নির্দেশনার আলোকে অস্থায়ী প্রশাসকের মাধ্যমে কমিটিটি মনোনীত করা হয়েছে। নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা এবং বিদ্যমান সদস্যদের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে হালনাগাদ ও নির্ভুল সদস্যভিত্তি তৈরিতে প্রশাসককে সহায়তা করবে কমিটি।
বেসিস প্রশাসক ড. খাদিজা নাজনীনকে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য গঠিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন ট্রাস্ট-আইটি (বিডি) লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জুয়েল, সলিউশন ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ ইবনে নূরুল ইসলাম, এজিএস কোয়ালিটি অ্যাকশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আহসান হাবিব, এটোভা টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ফেরদৌস আলম, রেড স্প্যারো লিমিটেডের পরিচালক মো. ফুয়াদ হাসান, লেমিসে লিমিটেডের সিইও মো. রাশেদ উল হক সরকার এবং গ্লোবাল আইটি অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ইনস্টিটিউট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ তাপিত হাসান চৌধুরী।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কমিটির কার্যপরিধি মূলত সদস্য অন্তর্ভুক্তি এবং সদস্যদের তথ্য যাচাই ও হালনাগাদকরণে সীমাবদ্ধ থাকবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অন্য কোনো বিষয়ে কমিটির স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার থাকবে না।
কমিটির কোনো সদস্য বেসিসের আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাইলে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার দিন তাকে সহায়ক কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্য স্বার্থের সংঘাত এড়াতেই এ বিধান রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ডিজিটাল উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার নাজমীনের স্বাক্ষরে জারি করা নির্দেশনায় সদস্য তালিকা হালনাগাদ, তথ্য যাচাই এবং স্বচ্ছ সদস্যভিত্তি তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে নির্দেশনার পূর্ণাঙ্গ নথি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বেসিসের সদস্যপদ ও ভোটার তালিকা নিয়ে অতীতে বিভিন্ন পক্ষের প্রশ্ন ও অভিযোগ রয়েছে। কয়েকটি সূত্রের দাবি, কিছু প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ, বন্ধ বা নিষ্ক্রিয় প্রতিষ্ঠানের ভোটাধিকার এবং সদস্যদের নির্বাচনী অংশগ্রহণ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সবকটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
কিছু সূত্রের আরও দাবি, অতীতে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে কিছু প্রতিষ্ঠান বেসিসে বাড়তি সুবিধা পেয়েছে এবং কার্যক্রম চালু থাকা কিছু প্রতিষ্ঠানের ভোটার হওয়ার সুযোগ নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর ভিন্ন বক্তব্য থাকতে পারে। নতুন সহায়ক কমিটির কার্যক্রমের মাধ্যমে সদস্যপদ ও ভোটার তালিকা নিয়ে বিদ্যমান বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে যাচাইযোগ্য ও হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতে সদস্য তালিকা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
বেসিসের সাধারণ সদস্যদের একটি অংশ আশা করছেন, কমিটি নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করবে। সক্রিয় ও বৈধ সদস্যদের তথ্য যাচাই, নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তিতে সমান সুযোগ এবং ভোটার তালিকা নিয়ে ভবিষ্যৎ বিতর্ক কমাতে কমিটির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা মনে করছেন।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বেসিসের সদস্যভিত্তিক তথ্য আরও নির্ভুল হবে এবং আসন্ন নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা নিয়ে সদস্যদের আস্থা বাড়বে।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)-এর আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি, বিদ্যমান সদস্যদের তথ্য যাচাই-বাছাই এবং সদস্যভিত্তিক তথ্য হালনাগাদের জন্য সাত সদস্যের একটি সহায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বাণিজ্য সংগঠন-২-এর নির্দেশনার আলোকে অস্থায়ী প্রশাসকের মাধ্যমে কমিটিটি মনোনীত করা হয়েছে। নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা এবং বিদ্যমান সদস্যদের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে হালনাগাদ ও নির্ভুল সদস্যভিত্তি তৈরিতে প্রশাসককে সহায়তা করবে কমিটি।
বেসিস প্রশাসক ড. খাদিজা নাজনীনকে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য গঠিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন ট্রাস্ট-আইটি (বিডি) লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জুয়েল, সলিউশন ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ ইবনে নূরুল ইসলাম, এজিএস কোয়ালিটি অ্যাকশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আহসান হাবিব, এটোভা টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ফেরদৌস আলম, রেড স্প্যারো লিমিটেডের পরিচালক মো. ফুয়াদ হাসান, লেমিসে লিমিটেডের সিইও মো. রাশেদ উল হক সরকার এবং গ্লোবাল আইটি অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ইনস্টিটিউট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ তাপিত হাসান চৌধুরী।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কমিটির কার্যপরিধি মূলত সদস্য অন্তর্ভুক্তি এবং সদস্যদের তথ্য যাচাই ও হালনাগাদকরণে সীমাবদ্ধ থাকবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অন্য কোনো বিষয়ে কমিটির স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার থাকবে না।
কমিটির কোনো সদস্য বেসিসের আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাইলে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার দিন তাকে সহায়ক কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্য স্বার্থের সংঘাত এড়াতেই এ বিধান রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ডিজিটাল উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার নাজমীনের স্বাক্ষরে জারি করা নির্দেশনায় সদস্য তালিকা হালনাগাদ, তথ্য যাচাই এবং স্বচ্ছ সদস্যভিত্তি তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে নির্দেশনার পূর্ণাঙ্গ নথি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বেসিসের সদস্যপদ ও ভোটার তালিকা নিয়ে অতীতে বিভিন্ন পক্ষের প্রশ্ন ও অভিযোগ রয়েছে। কয়েকটি সূত্রের দাবি, কিছু প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ, বন্ধ বা নিষ্ক্রিয় প্রতিষ্ঠানের ভোটাধিকার এবং সদস্যদের নির্বাচনী অংশগ্রহণ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সবকটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
কিছু সূত্রের আরও দাবি, অতীতে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে কিছু প্রতিষ্ঠান বেসিসে বাড়তি সুবিধা পেয়েছে এবং কার্যক্রম চালু থাকা কিছু প্রতিষ্ঠানের ভোটার হওয়ার সুযোগ নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর ভিন্ন বক্তব্য থাকতে পারে। নতুন সহায়ক কমিটির কার্যক্রমের মাধ্যমে সদস্যপদ ও ভোটার তালিকা নিয়ে বিদ্যমান বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে যাচাইযোগ্য ও হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতে সদস্য তালিকা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
বেসিসের সাধারণ সদস্যদের একটি অংশ আশা করছেন, কমিটি নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করবে। সক্রিয় ও বৈধ সদস্যদের তথ্য যাচাই, নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তিতে সমান সুযোগ এবং ভোটার তালিকা নিয়ে ভবিষ্যৎ বিতর্ক কমাতে কমিটির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা মনে করছেন।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বেসিসের সদস্যভিত্তিক তথ্য আরও নির্ভুল হবে এবং আসন্ন নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা নিয়ে সদস্যদের আস্থা বাড়বে।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)-এর আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি, বিদ্যমান সদস্যদের তথ্য যাচাই-বাছাই এবং সদস্যভিত্তিক তথ্য হালনাগাদের জন্য সাত সদস্যের একটি সহায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বাণিজ্য সংগঠন-২-এর নির্দেশনার আলোকে অস্থায়ী প্রশাসকের মাধ্যমে কমিটিটি মনোনীত করা হয়েছে। নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা এবং বিদ্যমান সদস্যদের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে হালনাগাদ ও নির্ভুল সদস্যভিত্তি তৈরিতে প্রশাসককে সহায়তা করবে কমিটি।
বেসিস প্রশাসক ড. খাদিজা নাজনীনকে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য গঠিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন ট্রাস্ট-আইটি (বিডি) লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জুয়েল, সলিউশন ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ ইবনে নূরুল ইসলাম, এজিএস কোয়ালিটি অ্যাকশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আহসান হাবিব, এটোভা টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ফেরদৌস আলম, রেড স্প্যারো লিমিটেডের পরিচালক মো. ফুয়াদ হাসান, লেমিসে লিমিটেডের সিইও মো. রাশেদ উল হক সরকার এবং গ্লোবাল আইটি অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ইনস্টিটিউট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ তাপিত হাসান চৌধুরী।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কমিটির কার্যপরিধি মূলত সদস্য অন্তর্ভুক্তি এবং সদস্যদের তথ্য যাচাই ও হালনাগাদকরণে সীমাবদ্ধ থাকবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অন্য কোনো বিষয়ে কমিটির স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার থাকবে না।
কমিটির কোনো সদস্য বেসিসের আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাইলে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার দিন তাকে সহায়ক কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্য স্বার্থের সংঘাত এড়াতেই এ বিধান রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ডিজিটাল উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার নাজমীনের স্বাক্ষরে জারি করা নির্দেশনায় সদস্য তালিকা হালনাগাদ, তথ্য যাচাই এবং স্বচ্ছ সদস্যভিত্তি তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে নির্দেশনার পূর্ণাঙ্গ নথি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বেসিসের সদস্যপদ ও ভোটার তালিকা নিয়ে অতীতে বিভিন্ন পক্ষের প্রশ্ন ও অভিযোগ রয়েছে। কয়েকটি সূত্রের দাবি, কিছু প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ, বন্ধ বা নিষ্ক্রিয় প্রতিষ্ঠানের ভোটাধিকার এবং সদস্যদের নির্বাচনী অংশগ্রহণ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সবকটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
কিছু সূত্রের আরও দাবি, অতীতে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে কিছু প্রতিষ্ঠান বেসিসে বাড়তি সুবিধা পেয়েছে এবং কার্যক্রম চালু থাকা কিছু প্রতিষ্ঠানের ভোটার হওয়ার সুযোগ নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর ভিন্ন বক্তব্য থাকতে পারে। নতুন সহায়ক কমিটির কার্যক্রমের মাধ্যমে সদস্যপদ ও ভোটার তালিকা নিয়ে বিদ্যমান বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে যাচাইযোগ্য ও হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতে সদস্য তালিকা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
বেসিসের সাধারণ সদস্যদের একটি অংশ আশা করছেন, কমিটি নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করবে। সক্রিয় ও বৈধ সদস্যদের তথ্য যাচাই, নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তিতে সমান সুযোগ এবং ভোটার তালিকা নিয়ে ভবিষ্যৎ বিতর্ক কমাতে কমিটির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা মনে করছেন।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বেসিসের সদস্যভিত্তিক তথ্য আরও নির্ভুল হবে এবং আসন্ন নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা নিয়ে সদস্যদের আস্থা বাড়বে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!