বাংলাদেশি পাসপোর্ট আবারও বিশ্বের সপ্তম দুর্বলতম পাসপোর্টের তালিকায় স্থান পেয়েছে। ভিসা ছাড়াই বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা বর্তমানে বিশ্বের ২২৭টি গন্তব্যের মধ্যে মাত্র ৩৭টিতে ভ্রমণ করতে পারেন।
হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স প্রকাশিত হেনলি পাসপোর্ট সূচক ২০২৬ (জানুয়ারি সংস্করণ) অনুযায়ী, বাংলাদেশ ১০১টি দেশের মধ্যে ৯৫তম অবস্থানে রয়েছে। এর ঠিক ওপরে ৯৪তম স্থানে রয়েছে উত্তর কোরিয়া ও ফিলিস্তিন, যাদের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া ৩৮টি দেশে প্রবেশের সুযোগ পান।
আগের সংস্করণে বাংলাদেশ ছিল ১০৬টি দেশের মধ্যে ১০০তম অবস্থানে। নতুন সূচকে কিছুটা উন্নতি হলেও বৈশ্বিক মানদণ্ডে দেশটির পাসপোর্ট এখনো দুর্বল অবস্থানে রয়েছে।
হেনলি পাসপোর্ট সূচকে একটি দেশের পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়া কতগুলো গন্তব্যে প্রবেশ করতে পারেন-এই সক্ষমতার ভিত্তিতেই র্যাঙ্কিং নির্ধারণ করা হয়। সর্বশেষ সূচকে মোট ১৯৯টি পাসপোর্ট ও ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
সূচক অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই ১৯২টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া, যাদের পাসপোর্ট দিয়ে ১৮৮টি দেশে প্রবেশ সম্ভব। এরপর রয়েছে ইউরোপের পাঁচ দেশ—ডেনমার্ক, লুক্সেমবার্গ, স্পেন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড, যাদের পাসপোর্টধারীরা ১৮৬টি দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার পান।
অন্যদিকে তালিকার একেবারে নিচের দিকে রয়েছে আফগানিস্তান (১০১তম), এরপর সিরিয়া, ইরাক, ইয়েমেন ও পাকিস্তান।
দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের দেশ মালদ্বীপ, যা রয়েছে ৫২তম অবস্থানে। মালদ্বীপের পাসপোর্ট দিয়ে ভিসা ছাড়া ৯২টি দেশে যাওয়া যায়। এরপর রয়েছে ভারত (৮০তম), ভুটান (৮৫তম) ও শ্রীলঙ্কা (৯৩তম)। এই অঞ্চলে বাংলাদেশ (৯৫তম) পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের পর নেপাল (৯৬তম), পাকিস্তান (৯৮তম) এবং আফগানিস্তান (১০১তম) অবস্থান করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, ভিসা চুক্তি সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পাসপোর্টের মানোন্নয়ন সম্ভব হলেও বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে এখনও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।
বাংলাদেশি পাসপোর্ট আবারও বিশ্বের সপ্তম দুর্বলতম পাসপোর্টের তালিকায় স্থান পেয়েছে। ভিসা ছাড়াই বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা বর্তমানে বিশ্বের ২২৭টি গন্তব্যের মধ্যে মাত্র ৩৭টিতে ভ্রমণ করতে পারেন।
হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স প্রকাশিত হেনলি পাসপোর্ট সূচক ২০২৬ (জানুয়ারি সংস্করণ) অনুযায়ী, বাংলাদেশ ১০১টি দেশের মধ্যে ৯৫তম অবস্থানে রয়েছে। এর ঠিক ওপরে ৯৪তম স্থানে রয়েছে উত্তর কোরিয়া ও ফিলিস্তিন, যাদের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া ৩৮টি দেশে প্রবেশের সুযোগ পান।
আগের সংস্করণে বাংলাদেশ ছিল ১০৬টি দেশের মধ্যে ১০০তম অবস্থানে। নতুন সূচকে কিছুটা উন্নতি হলেও বৈশ্বিক মানদণ্ডে দেশটির পাসপোর্ট এখনো দুর্বল অবস্থানে রয়েছে।
হেনলি পাসপোর্ট সূচকে একটি দেশের পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়া কতগুলো গন্তব্যে প্রবেশ করতে পারেন-এই সক্ষমতার ভিত্তিতেই র্যাঙ্কিং নির্ধারণ করা হয়। সর্বশেষ সূচকে মোট ১৯৯টি পাসপোর্ট ও ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
সূচক অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই ১৯২টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া, যাদের পাসপোর্ট দিয়ে ১৮৮টি দেশে প্রবেশ সম্ভব। এরপর রয়েছে ইউরোপের পাঁচ দেশ—ডেনমার্ক, লুক্সেমবার্গ, স্পেন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড, যাদের পাসপোর্টধারীরা ১৮৬টি দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার পান।
অন্যদিকে তালিকার একেবারে নিচের দিকে রয়েছে আফগানিস্তান (১০১তম), এরপর সিরিয়া, ইরাক, ইয়েমেন ও পাকিস্তান।
দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের দেশ মালদ্বীপ, যা রয়েছে ৫২তম অবস্থানে। মালদ্বীপের পাসপোর্ট দিয়ে ভিসা ছাড়া ৯২টি দেশে যাওয়া যায়। এরপর রয়েছে ভারত (৮০তম), ভুটান (৮৫তম) ও শ্রীলঙ্কা (৯৩তম)। এই অঞ্চলে বাংলাদেশ (৯৫তম) পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের পর নেপাল (৯৬তম), পাকিস্তান (৯৮তম) এবং আফগানিস্তান (১০১তম) অবস্থান করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, ভিসা চুক্তি সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পাসপোর্টের মানোন্নয়ন সম্ভব হলেও বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে এখনও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।
বাংলাদেশি পাসপোর্ট আবারও বিশ্বের সপ্তম দুর্বলতম পাসপোর্টের তালিকায় স্থান পেয়েছে। ভিসা ছাড়াই বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা বর্তমানে বিশ্বের ২২৭টি গন্তব্যের মধ্যে মাত্র ৩৭টিতে ভ্রমণ করতে পারেন।
হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স প্রকাশিত হেনলি পাসপোর্ট সূচক ২০২৬ (জানুয়ারি সংস্করণ) অনুযায়ী, বাংলাদেশ ১০১টি দেশের মধ্যে ৯৫তম অবস্থানে রয়েছে। এর ঠিক ওপরে ৯৪তম স্থানে রয়েছে উত্তর কোরিয়া ও ফিলিস্তিন, যাদের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া ৩৮টি দেশে প্রবেশের সুযোগ পান।
আগের সংস্করণে বাংলাদেশ ছিল ১০৬টি দেশের মধ্যে ১০০তম অবস্থানে। নতুন সূচকে কিছুটা উন্নতি হলেও বৈশ্বিক মানদণ্ডে দেশটির পাসপোর্ট এখনো দুর্বল অবস্থানে রয়েছে।
হেনলি পাসপোর্ট সূচকে একটি দেশের পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়া কতগুলো গন্তব্যে প্রবেশ করতে পারেন-এই সক্ষমতার ভিত্তিতেই র্যাঙ্কিং নির্ধারণ করা হয়। সর্বশেষ সূচকে মোট ১৯৯টি পাসপোর্ট ও ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
সূচক অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই ১৯২টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া, যাদের পাসপোর্ট দিয়ে ১৮৮টি দেশে প্রবেশ সম্ভব। এরপর রয়েছে ইউরোপের পাঁচ দেশ—ডেনমার্ক, লুক্সেমবার্গ, স্পেন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড, যাদের পাসপোর্টধারীরা ১৮৬টি দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার পান।
অন্যদিকে তালিকার একেবারে নিচের দিকে রয়েছে আফগানিস্তান (১০১তম), এরপর সিরিয়া, ইরাক, ইয়েমেন ও পাকিস্তান।
দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের দেশ মালদ্বীপ, যা রয়েছে ৫২তম অবস্থানে। মালদ্বীপের পাসপোর্ট দিয়ে ভিসা ছাড়া ৯২টি দেশে যাওয়া যায়। এরপর রয়েছে ভারত (৮০তম), ভুটান (৮৫তম) ও শ্রীলঙ্কা (৯৩তম)। এই অঞ্চলে বাংলাদেশ (৯৫তম) পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের পর নেপাল (৯৬তম), পাকিস্তান (৯৮তম) এবং আফগানিস্তান (১০১তম) অবস্থান করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, ভিসা চুক্তি সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পাসপোর্টের মানোন্নয়ন সম্ভব হলেও বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে এখনও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।
বাংলাদেশি পাসপোর্ট আবারও বিশ্বের সপ্তম দুর্বলতম পাসপোর্টের তালিকায় স্থান পেয়েছে। ভিসা ছাড়াই বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা বর্তমানে বিশ্বের ২২৭টি গন্তব্যের মধ্যে মাত্র ৩৭টিতে ভ্রমণ করতে পারেন।
হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স প্রকাশিত হেনলি পাসপোর্ট সূচক ২০২৬ (জানুয়ারি সংস্করণ) অনুযায়ী, বাংলাদেশ ১০১টি দেশের মধ্যে ৯৫তম অবস্থানে রয়েছে। এর ঠিক ওপরে ৯৪তম স্থানে রয়েছে উত্তর কোরিয়া ও ফিলিস্তিন, যাদের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া ৩৮টি দেশে প্রবেশের সুযোগ পান।
আগের সংস্করণে বাংলাদেশ ছিল ১০৬টি দেশের মধ্যে ১০০তম অবস্থানে। নতুন সূচকে কিছুটা উন্নতি হলেও বৈশ্বিক মানদণ্ডে দেশটির পাসপোর্ট এখনো দুর্বল অবস্থানে রয়েছে।
হেনলি পাসপোর্ট সূচকে একটি দেশের পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়া কতগুলো গন্তব্যে প্রবেশ করতে পারেন-এই সক্ষমতার ভিত্তিতেই র্যাঙ্কিং নির্ধারণ করা হয়। সর্বশেষ সূচকে মোট ১৯৯টি পাসপোর্ট ও ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
সূচক অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই ১৯২টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া, যাদের পাসপোর্ট দিয়ে ১৮৮টি দেশে প্রবেশ সম্ভব। এরপর রয়েছে ইউরোপের পাঁচ দেশ—ডেনমার্ক, লুক্সেমবার্গ, স্পেন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড, যাদের পাসপোর্টধারীরা ১৮৬টি দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার পান।
অন্যদিকে তালিকার একেবারে নিচের দিকে রয়েছে আফগানিস্তান (১০১তম), এরপর সিরিয়া, ইরাক, ইয়েমেন ও পাকিস্তান।
দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের দেশ মালদ্বীপ, যা রয়েছে ৫২তম অবস্থানে। মালদ্বীপের পাসপোর্ট দিয়ে ভিসা ছাড়া ৯২টি দেশে যাওয়া যায়। এরপর রয়েছে ভারত (৮০তম), ভুটান (৮৫তম) ও শ্রীলঙ্কা (৯৩তম)। এই অঞ্চলে বাংলাদেশ (৯৫তম) পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের পর নেপাল (৯৬তম), পাকিস্তান (৯৮তম) এবং আফগানিস্তান (১০১তম) অবস্থান করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, ভিসা চুক্তি সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পাসপোর্টের মানোন্নয়ন সম্ভব হলেও বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে এখনও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!