কিছু আসনের ভোট গণনা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পরও নির্বাচনের সামগ্রিক ফলাফল প্রত্যাখান করছেন না ডা. শফিকুর রহমান। যেসব আসন নিয়ে জামায়াত জোট প্রশ্ন তুলেছে, সেগুলো আইনি পথে নিষ্পত্তির চেষ্টা চালানোর পাশাপাশি তিনি ফলাফলকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘বিএনপি জোট সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন অর্জন করেছে। আমরা এই ফলাফলকে স্বীকৃতি দেই এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে সম্মান করি। তবে জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল আরও গভীর ও জটিল বাস্তবতার কথাও তুলে ধরে।’
জামায়াত আমির উল্লেখ করেছেন, প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পেয়ে জামায়াত শক্তিশালী জাতীয় শক্তি হিসেবে উপস্থিত হয়েছে। বর্তমান নির্বাচন পদ্ধতিতে লাখ লাখ ভোট কাঠামোগতভাবে যথাযথ মূল্যায়ন পাচ্ছে না। ৫৩টি আসনে বিএনপি জোট কয়েক শত থেকে কয়েক হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছে।
তিনি বলেন, ‘কয়েকটি আসনের ফলাফল নির্বাচন কমিশনে পর্যালোচনাধীন রয়েছে এবং আমরা আইনের আওতায় বৈধ সকল পন্থায় প্রচেষ্টা চালাবো। এটি জাতীয় ফলাফল প্রত্যাখ্যান নয়, বরং নির্দিষ্ট যেসব আসনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, সেখানে ভোটের স্বচ্ছতা ও সততা রক্ষার দায়িত্বশীল প্রচেষ্টা।’
শফিকুর রহমান আরও লিখেছেন, যেখানেই ভোট গণনায় বিলম্ব, অনিয়ম বা বিরোধের অভিযোগ উঠেছে, সেখানে জামাত জোটের প্রতিনিধিরা আইনগত কাঠামোর মধ্যে পুনর্গণনা ও আইনি প্রতিকারের চেষ্টা করছেন। প্রতিটি ভোট সঠিকভাবে গণনা করা এবং সকল উদ্বেগ গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা জরুরি।
নতুন সরকার গণভোটের ফলাফলকে সম্মান করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রায় ৬৮ শতাংশ ভোটার সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন। আশা করি নতুন সরকার এই ম্যান্ডেটকে সম্মান করবে, আইনের শাসন সমুন্নত রাখবে এবং সংযম ও জবাবদিহিতার সঙ্গে শাসন পরিচালনা করবে। সংস্কার কোনো স্লোগান নয়, এটি আমানত।’
জামায়াত আমির নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সহিংসতা, ভয়ভীতি বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পাওয়া গেলে শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আইনের শাসন সবার জন্য সমান হতে হবে।’ সরকার গঠন করতে যাওয়া বিএনপির প্রতি তিনি বলেছেন, ‘সংবিধানের নিয়মের মধ্যে থেকে দেশ পরিচালনা করতে হবে এবং আইন লঙ্ঘনকারী যে কোনো কর্মীকে পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।’
শফিকুর রহমান শেষ করে বলেন, ‘শান্ত ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাই। প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষা করি, জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান করি এবং এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ অব্যাহত রাখি, যেখানে ক্ষমতার প্রয়োগ সততা, সংযম ও জবাবদিহিতার সঙ্গে হবে।’
কিছু আসনের ভোট গণনা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পরও নির্বাচনের সামগ্রিক ফলাফল প্রত্যাখান করছেন না ডা. শফিকুর রহমান। যেসব আসন নিয়ে জামায়াত জোট প্রশ্ন তুলেছে, সেগুলো আইনি পথে নিষ্পত্তির চেষ্টা চালানোর পাশাপাশি তিনি ফলাফলকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘বিএনপি জোট সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন অর্জন করেছে। আমরা এই ফলাফলকে স্বীকৃতি দেই এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে সম্মান করি। তবে জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল আরও গভীর ও জটিল বাস্তবতার কথাও তুলে ধরে।’
জামায়াত আমির উল্লেখ করেছেন, প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পেয়ে জামায়াত শক্তিশালী জাতীয় শক্তি হিসেবে উপস্থিত হয়েছে। বর্তমান নির্বাচন পদ্ধতিতে লাখ লাখ ভোট কাঠামোগতভাবে যথাযথ মূল্যায়ন পাচ্ছে না। ৫৩টি আসনে বিএনপি জোট কয়েক শত থেকে কয়েক হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছে।
তিনি বলেন, ‘কয়েকটি আসনের ফলাফল নির্বাচন কমিশনে পর্যালোচনাধীন রয়েছে এবং আমরা আইনের আওতায় বৈধ সকল পন্থায় প্রচেষ্টা চালাবো। এটি জাতীয় ফলাফল প্রত্যাখ্যান নয়, বরং নির্দিষ্ট যেসব আসনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, সেখানে ভোটের স্বচ্ছতা ও সততা রক্ষার দায়িত্বশীল প্রচেষ্টা।’
শফিকুর রহমান আরও লিখেছেন, যেখানেই ভোট গণনায় বিলম্ব, অনিয়ম বা বিরোধের অভিযোগ উঠেছে, সেখানে জামাত জোটের প্রতিনিধিরা আইনগত কাঠামোর মধ্যে পুনর্গণনা ও আইনি প্রতিকারের চেষ্টা করছেন। প্রতিটি ভোট সঠিকভাবে গণনা করা এবং সকল উদ্বেগ গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা জরুরি।
নতুন সরকার গণভোটের ফলাফলকে সম্মান করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রায় ৬৮ শতাংশ ভোটার সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন। আশা করি নতুন সরকার এই ম্যান্ডেটকে সম্মান করবে, আইনের শাসন সমুন্নত রাখবে এবং সংযম ও জবাবদিহিতার সঙ্গে শাসন পরিচালনা করবে। সংস্কার কোনো স্লোগান নয়, এটি আমানত।’
জামায়াত আমির নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সহিংসতা, ভয়ভীতি বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পাওয়া গেলে শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আইনের শাসন সবার জন্য সমান হতে হবে।’ সরকার গঠন করতে যাওয়া বিএনপির প্রতি তিনি বলেছেন, ‘সংবিধানের নিয়মের মধ্যে থেকে দেশ পরিচালনা করতে হবে এবং আইন লঙ্ঘনকারী যে কোনো কর্মীকে পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।’
শফিকুর রহমান শেষ করে বলেন, ‘শান্ত ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাই। প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষা করি, জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান করি এবং এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ অব্যাহত রাখি, যেখানে ক্ষমতার প্রয়োগ সততা, সংযম ও জবাবদিহিতার সঙ্গে হবে।’
কিছু আসনের ভোট গণনা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পরও নির্বাচনের সামগ্রিক ফলাফল প্রত্যাখান করছেন না ডা. শফিকুর রহমান। যেসব আসন নিয়ে জামায়াত জোট প্রশ্ন তুলেছে, সেগুলো আইনি পথে নিষ্পত্তির চেষ্টা চালানোর পাশাপাশি তিনি ফলাফলকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘বিএনপি জোট সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন অর্জন করেছে। আমরা এই ফলাফলকে স্বীকৃতি দেই এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে সম্মান করি। তবে জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল আরও গভীর ও জটিল বাস্তবতার কথাও তুলে ধরে।’
জামায়াত আমির উল্লেখ করেছেন, প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পেয়ে জামায়াত শক্তিশালী জাতীয় শক্তি হিসেবে উপস্থিত হয়েছে। বর্তমান নির্বাচন পদ্ধতিতে লাখ লাখ ভোট কাঠামোগতভাবে যথাযথ মূল্যায়ন পাচ্ছে না। ৫৩টি আসনে বিএনপি জোট কয়েক শত থেকে কয়েক হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছে।
তিনি বলেন, ‘কয়েকটি আসনের ফলাফল নির্বাচন কমিশনে পর্যালোচনাধীন রয়েছে এবং আমরা আইনের আওতায় বৈধ সকল পন্থায় প্রচেষ্টা চালাবো। এটি জাতীয় ফলাফল প্রত্যাখ্যান নয়, বরং নির্দিষ্ট যেসব আসনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, সেখানে ভোটের স্বচ্ছতা ও সততা রক্ষার দায়িত্বশীল প্রচেষ্টা।’
শফিকুর রহমান আরও লিখেছেন, যেখানেই ভোট গণনায় বিলম্ব, অনিয়ম বা বিরোধের অভিযোগ উঠেছে, সেখানে জামাত জোটের প্রতিনিধিরা আইনগত কাঠামোর মধ্যে পুনর্গণনা ও আইনি প্রতিকারের চেষ্টা করছেন। প্রতিটি ভোট সঠিকভাবে গণনা করা এবং সকল উদ্বেগ গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা জরুরি।
নতুন সরকার গণভোটের ফলাফলকে সম্মান করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রায় ৬৮ শতাংশ ভোটার সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন। আশা করি নতুন সরকার এই ম্যান্ডেটকে সম্মান করবে, আইনের শাসন সমুন্নত রাখবে এবং সংযম ও জবাবদিহিতার সঙ্গে শাসন পরিচালনা করবে। সংস্কার কোনো স্লোগান নয়, এটি আমানত।’
জামায়াত আমির নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সহিংসতা, ভয়ভীতি বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পাওয়া গেলে শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আইনের শাসন সবার জন্য সমান হতে হবে।’ সরকার গঠন করতে যাওয়া বিএনপির প্রতি তিনি বলেছেন, ‘সংবিধানের নিয়মের মধ্যে থেকে দেশ পরিচালনা করতে হবে এবং আইন লঙ্ঘনকারী যে কোনো কর্মীকে পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।’
শফিকুর রহমান শেষ করে বলেন, ‘শান্ত ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাই। প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষা করি, জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান করি এবং এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ অব্যাহত রাখি, যেখানে ক্ষমতার প্রয়োগ সততা, সংযম ও জবাবদিহিতার সঙ্গে হবে।’
কিছু আসনের ভোট গণনা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পরও নির্বাচনের সামগ্রিক ফলাফল প্রত্যাখান করছেন না ডা. শফিকুর রহমান। যেসব আসন নিয়ে জামায়াত জোট প্রশ্ন তুলেছে, সেগুলো আইনি পথে নিষ্পত্তির চেষ্টা চালানোর পাশাপাশি তিনি ফলাফলকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘বিএনপি জোট সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন অর্জন করেছে। আমরা এই ফলাফলকে স্বীকৃতি দেই এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে সম্মান করি। তবে জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল আরও গভীর ও জটিল বাস্তবতার কথাও তুলে ধরে।’
জামায়াত আমির উল্লেখ করেছেন, প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পেয়ে জামায়াত শক্তিশালী জাতীয় শক্তি হিসেবে উপস্থিত হয়েছে। বর্তমান নির্বাচন পদ্ধতিতে লাখ লাখ ভোট কাঠামোগতভাবে যথাযথ মূল্যায়ন পাচ্ছে না। ৫৩টি আসনে বিএনপি জোট কয়েক শত থেকে কয়েক হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছে।
তিনি বলেন, ‘কয়েকটি আসনের ফলাফল নির্বাচন কমিশনে পর্যালোচনাধীন রয়েছে এবং আমরা আইনের আওতায় বৈধ সকল পন্থায় প্রচেষ্টা চালাবো। এটি জাতীয় ফলাফল প্রত্যাখ্যান নয়, বরং নির্দিষ্ট যেসব আসনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, সেখানে ভোটের স্বচ্ছতা ও সততা রক্ষার দায়িত্বশীল প্রচেষ্টা।’
শফিকুর রহমান আরও লিখেছেন, যেখানেই ভোট গণনায় বিলম্ব, অনিয়ম বা বিরোধের অভিযোগ উঠেছে, সেখানে জামাত জোটের প্রতিনিধিরা আইনগত কাঠামোর মধ্যে পুনর্গণনা ও আইনি প্রতিকারের চেষ্টা করছেন। প্রতিটি ভোট সঠিকভাবে গণনা করা এবং সকল উদ্বেগ গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা জরুরি।
নতুন সরকার গণভোটের ফলাফলকে সম্মান করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রায় ৬৮ শতাংশ ভোটার সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন। আশা করি নতুন সরকার এই ম্যান্ডেটকে সম্মান করবে, আইনের শাসন সমুন্নত রাখবে এবং সংযম ও জবাবদিহিতার সঙ্গে শাসন পরিচালনা করবে। সংস্কার কোনো স্লোগান নয়, এটি আমানত।’
জামায়াত আমির নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সহিংসতা, ভয়ভীতি বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পাওয়া গেলে শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আইনের শাসন সবার জন্য সমান হতে হবে।’ সরকার গঠন করতে যাওয়া বিএনপির প্রতি তিনি বলেছেন, ‘সংবিধানের নিয়মের মধ্যে থেকে দেশ পরিচালনা করতে হবে এবং আইন লঙ্ঘনকারী যে কোনো কর্মীকে পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।’
শফিকুর রহমান শেষ করে বলেন, ‘শান্ত ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাই। প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষা করি, জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান করি এবং এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ অব্যাহত রাখি, যেখানে ক্ষমতার প্রয়োগ সততা, সংযম ও জবাবদিহিতার সঙ্গে হবে।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!