
দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ এবং ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সম্ভাব্য সময়সূচি ঘিরে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর প্রস্তুতি চলছে।
গেজেট ও শপথ প্রক্রিয়া
নির্বাচনের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার গেজেট জারি করা হবে। এরপর নবনির্বাচিত সদস্যরা শপথ নেবেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা জোট সংসদ নেতা নির্বাচন করে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।
সংবিধান অনুযায়ী, কোনো দল বা জোট কমপক্ষে ১৫১টি আসন পেলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। সাধারণত নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের প্রধানকেই সরকার গঠনের আহ্বান জানানো হয়।
শপথ পড়াবেন কে?
বর্তমানে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য থাকায় শপথ আয়োজন নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়। তবে সংবিধান অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার অথবা রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি (যেমন প্রধান বিচারপতি) নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াতে পারেন। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। রাষ্ট্রপতি প্রথমে সরকারপ্রধানকে এবং পরে পর্যায়ক্রমে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন।
প্রধানমন্ত্রী ও নতুন মন্ত্রিসভা
সংসদীয় দলের সভায় নেতা নির্বাচনের পর সরকারপ্রধানের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হবে। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পাওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন—এমনটাই দলীয় সূত্রে জানা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে এবং এর মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব শেষ হবে।
সংসদের চিত্র
এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি জোট পেয়েছে ২১২টি আসন। জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমন্বয়ে গঠিত জোট পেয়েছে ৭৭টি আসন। স্বতন্ত্র ও অন্যান্য প্রার্থীরা পেয়েছেন ৮টি আসন। সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের ভূমিকা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রস্তুতি চলছে বঙ্গভবনে
নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সরকারি পরিবহন পুল প্রায় ৫০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর জন্য গাড়ি প্রস্তুত রাখছে। বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতিও প্রায় শেষ পর্যায়ে। সব মিলিয়ে গেজেট প্রকাশ, শপথ ও মন্ত্রিসভা গঠনের মধ্য দিয়ে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ এবং ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সম্ভাব্য সময়সূচি ঘিরে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর প্রস্তুতি চলছে।
গেজেট ও শপথ প্রক্রিয়া
নির্বাচনের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার গেজেট জারি করা হবে। এরপর নবনির্বাচিত সদস্যরা শপথ নেবেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা জোট সংসদ নেতা নির্বাচন করে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।
সংবিধান অনুযায়ী, কোনো দল বা জোট কমপক্ষে ১৫১টি আসন পেলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। সাধারণত নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের প্রধানকেই সরকার গঠনের আহ্বান জানানো হয়।
শপথ পড়াবেন কে?
বর্তমানে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য থাকায় শপথ আয়োজন নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়। তবে সংবিধান অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার অথবা রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি (যেমন প্রধান বিচারপতি) নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াতে পারেন। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। রাষ্ট্রপতি প্রথমে সরকারপ্রধানকে এবং পরে পর্যায়ক্রমে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন।
প্রধানমন্ত্রী ও নতুন মন্ত্রিসভা
সংসদীয় দলের সভায় নেতা নির্বাচনের পর সরকারপ্রধানের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হবে। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পাওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন—এমনটাই দলীয় সূত্রে জানা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে এবং এর মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব শেষ হবে।
সংসদের চিত্র
এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি জোট পেয়েছে ২১২টি আসন। জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমন্বয়ে গঠিত জোট পেয়েছে ৭৭টি আসন। স্বতন্ত্র ও অন্যান্য প্রার্থীরা পেয়েছেন ৮টি আসন। সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের ভূমিকা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রস্তুতি চলছে বঙ্গভবনে
নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সরকারি পরিবহন পুল প্রায় ৫০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর জন্য গাড়ি প্রস্তুত রাখছে। বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতিও প্রায় শেষ পর্যায়ে। সব মিলিয়ে গেজেট প্রকাশ, শপথ ও মন্ত্রিসভা গঠনের মধ্য দিয়ে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ এবং ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সম্ভাব্য সময়সূচি ঘিরে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর প্রস্তুতি চলছে।
গেজেট ও শপথ প্রক্রিয়া
নির্বাচনের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার গেজেট জারি করা হবে। এরপর নবনির্বাচিত সদস্যরা শপথ নেবেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা জোট সংসদ নেতা নির্বাচন করে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।
সংবিধান অনুযায়ী, কোনো দল বা জোট কমপক্ষে ১৫১টি আসন পেলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। সাধারণত নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের প্রধানকেই সরকার গঠনের আহ্বান জানানো হয়।
শপথ পড়াবেন কে?
বর্তমানে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য থাকায় শপথ আয়োজন নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়। তবে সংবিধান অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার অথবা রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি (যেমন প্রধান বিচারপতি) নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াতে পারেন। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। রাষ্ট্রপতি প্রথমে সরকারপ্রধানকে এবং পরে পর্যায়ক্রমে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন।
প্রধানমন্ত্রী ও নতুন মন্ত্রিসভা
সংসদীয় দলের সভায় নেতা নির্বাচনের পর সরকারপ্রধানের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হবে। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পাওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন—এমনটাই দলীয় সূত্রে জানা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে এবং এর মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব শেষ হবে।
সংসদের চিত্র
এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি জোট পেয়েছে ২১২টি আসন। জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমন্বয়ে গঠিত জোট পেয়েছে ৭৭টি আসন। স্বতন্ত্র ও অন্যান্য প্রার্থীরা পেয়েছেন ৮টি আসন। সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের ভূমিকা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রস্তুতি চলছে বঙ্গভবনে
নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সরকারি পরিবহন পুল প্রায় ৫০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর জন্য গাড়ি প্রস্তুত রাখছে। বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতিও প্রায় শেষ পর্যায়ে। সব মিলিয়ে গেজেট প্রকাশ, শপথ ও মন্ত্রিসভা গঠনের মধ্য দিয়ে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ এবং ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সম্ভাব্য সময়সূচি ঘিরে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর প্রস্তুতি চলছে।
গেজেট ও শপথ প্রক্রিয়া
নির্বাচনের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার গেজেট জারি করা হবে। এরপর নবনির্বাচিত সদস্যরা শপথ নেবেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা জোট সংসদ নেতা নির্বাচন করে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।
সংবিধান অনুযায়ী, কোনো দল বা জোট কমপক্ষে ১৫১টি আসন পেলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। সাধারণত নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের প্রধানকেই সরকার গঠনের আহ্বান জানানো হয়।
শপথ পড়াবেন কে?
বর্তমানে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য থাকায় শপথ আয়োজন নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়। তবে সংবিধান অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার অথবা রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি (যেমন প্রধান বিচারপতি) নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াতে পারেন। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। রাষ্ট্রপতি প্রথমে সরকারপ্রধানকে এবং পরে পর্যায়ক্রমে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন।
প্রধানমন্ত্রী ও নতুন মন্ত্রিসভা
সংসদীয় দলের সভায় নেতা নির্বাচনের পর সরকারপ্রধানের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হবে। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পাওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন—এমনটাই দলীয় সূত্রে জানা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে এবং এর মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব শেষ হবে।
সংসদের চিত্র
এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি জোট পেয়েছে ২১২টি আসন। জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমন্বয়ে গঠিত জোট পেয়েছে ৭৭টি আসন। স্বতন্ত্র ও অন্যান্য প্রার্থীরা পেয়েছেন ৮টি আসন। সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের ভূমিকা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রস্তুতি চলছে বঙ্গভবনে
নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সরকারি পরিবহন পুল প্রায় ৫০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর জন্য গাড়ি প্রস্তুত রাখছে। বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতিও প্রায় শেষ পর্যায়ে। সব মিলিয়ে গেজেট প্রকাশ, শপথ ও মন্ত্রিসভা গঠনের মধ্য দিয়ে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!