
বাংলাদেশ জামায়তে ইসলামী অভিযোগ করেছে, নির্বাচনে ভরাডুবি-এমন হতাশার কারণে একটি দলের কিছু কর্মী ভোটার ও এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দিচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ নিয়ে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের উপস্থিতি আরও বাড়বে এবং তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনে যারা আছেন, তারা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
অ্যাডভোকেট জুবায়ের জানান, নির্বাচনে ২৯৯ আসনে ভোট হচ্ছে এবং একই সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি বলেন, নতুন ও ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট অপরিহার্য। এছাড়া জামায়াতের আমির ও অন্যান্য নেতারা নিজ নিজ আসনে ভোট দিয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, কিছু কেন্দ্রে নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে এবং এজেন্টদের কাজ করতে দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে ভোলা-২ ও কুমিল্লা-৮ কেন্দ্রে এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং ভোটারদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। “যারা এগুলো করছে, তারা হতাশাগ্রস্ত এবং নিজেদের দেউলিয়াত্ব প্রকাশ করছে,” বলেন তিনি।
জুবায়ের প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘নির্বাচনকে সুন্দর, সুষ্ঠু ও প্রত্যাশিত করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনো অবস্থায় দায়িত্বশীলরা হেলে না পড়ুক এবং সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করুক। ব্যত্যয় হলে জনগণ তাদের কাঠগড়ায় জবাবদিহি করবে।’
মিডিয়ার ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কিছু মিডিয়ার ভূমিকা ভোটের আগের দিন হতাশাব্যঞ্জক ছিল। আমরা প্রত্যাশা করি, মিডিয়া তার নিরপেক্ষতা, বস্তুনিষ্ঠতা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখবে। মিডিয়া কোনো দলের মুখপাত্রে পরিণত হোক না।’
জুবায়ের বলেন, ‘আমরা এ বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণে রেখেছি এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আশা করছি। দিনের কার্যক্রম আমরা প্রত্যক্ষ ও পর্যালোচনা করব এবং প্রয়োজনীয় বক্তব্য পরবর্তী সময়ে উপস্থাপন করব।’

বাংলাদেশ জামায়তে ইসলামী অভিযোগ করেছে, নির্বাচনে ভরাডুবি-এমন হতাশার কারণে একটি দলের কিছু কর্মী ভোটার ও এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দিচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ নিয়ে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের উপস্থিতি আরও বাড়বে এবং তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনে যারা আছেন, তারা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
অ্যাডভোকেট জুবায়ের জানান, নির্বাচনে ২৯৯ আসনে ভোট হচ্ছে এবং একই সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি বলেন, নতুন ও ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট অপরিহার্য। এছাড়া জামায়াতের আমির ও অন্যান্য নেতারা নিজ নিজ আসনে ভোট দিয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, কিছু কেন্দ্রে নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে এবং এজেন্টদের কাজ করতে দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে ভোলা-২ ও কুমিল্লা-৮ কেন্দ্রে এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং ভোটারদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। “যারা এগুলো করছে, তারা হতাশাগ্রস্ত এবং নিজেদের দেউলিয়াত্ব প্রকাশ করছে,” বলেন তিনি।
জুবায়ের প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘নির্বাচনকে সুন্দর, সুষ্ঠু ও প্রত্যাশিত করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনো অবস্থায় দায়িত্বশীলরা হেলে না পড়ুক এবং সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করুক। ব্যত্যয় হলে জনগণ তাদের কাঠগড়ায় জবাবদিহি করবে।’
মিডিয়ার ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কিছু মিডিয়ার ভূমিকা ভোটের আগের দিন হতাশাব্যঞ্জক ছিল। আমরা প্রত্যাশা করি, মিডিয়া তার নিরপেক্ষতা, বস্তুনিষ্ঠতা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখবে। মিডিয়া কোনো দলের মুখপাত্রে পরিণত হোক না।’
জুবায়ের বলেন, ‘আমরা এ বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণে রেখেছি এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আশা করছি। দিনের কার্যক্রম আমরা প্রত্যক্ষ ও পর্যালোচনা করব এবং প্রয়োজনীয় বক্তব্য পরবর্তী সময়ে উপস্থাপন করব।’

বাংলাদেশ জামায়তে ইসলামী অভিযোগ করেছে, নির্বাচনে ভরাডুবি-এমন হতাশার কারণে একটি দলের কিছু কর্মী ভোটার ও এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দিচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ নিয়ে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের উপস্থিতি আরও বাড়বে এবং তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনে যারা আছেন, তারা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
অ্যাডভোকেট জুবায়ের জানান, নির্বাচনে ২৯৯ আসনে ভোট হচ্ছে এবং একই সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি বলেন, নতুন ও ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট অপরিহার্য। এছাড়া জামায়াতের আমির ও অন্যান্য নেতারা নিজ নিজ আসনে ভোট দিয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, কিছু কেন্দ্রে নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে এবং এজেন্টদের কাজ করতে দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে ভোলা-২ ও কুমিল্লা-৮ কেন্দ্রে এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং ভোটারদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। “যারা এগুলো করছে, তারা হতাশাগ্রস্ত এবং নিজেদের দেউলিয়াত্ব প্রকাশ করছে,” বলেন তিনি।
জুবায়ের প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘নির্বাচনকে সুন্দর, সুষ্ঠু ও প্রত্যাশিত করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনো অবস্থায় দায়িত্বশীলরা হেলে না পড়ুক এবং সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করুক। ব্যত্যয় হলে জনগণ তাদের কাঠগড়ায় জবাবদিহি করবে।’
মিডিয়ার ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কিছু মিডিয়ার ভূমিকা ভোটের আগের দিন হতাশাব্যঞ্জক ছিল। আমরা প্রত্যাশা করি, মিডিয়া তার নিরপেক্ষতা, বস্তুনিষ্ঠতা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখবে। মিডিয়া কোনো দলের মুখপাত্রে পরিণত হোক না।’
জুবায়ের বলেন, ‘আমরা এ বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণে রেখেছি এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আশা করছি। দিনের কার্যক্রম আমরা প্রত্যক্ষ ও পর্যালোচনা করব এবং প্রয়োজনীয় বক্তব্য পরবর্তী সময়ে উপস্থাপন করব।’

বাংলাদেশ জামায়তে ইসলামী অভিযোগ করেছে, নির্বাচনে ভরাডুবি-এমন হতাশার কারণে একটি দলের কিছু কর্মী ভোটার ও এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দিচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ নিয়ে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের উপস্থিতি আরও বাড়বে এবং তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনে যারা আছেন, তারা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
অ্যাডভোকেট জুবায়ের জানান, নির্বাচনে ২৯৯ আসনে ভোট হচ্ছে এবং একই সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি বলেন, নতুন ও ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট অপরিহার্য। এছাড়া জামায়াতের আমির ও অন্যান্য নেতারা নিজ নিজ আসনে ভোট দিয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, কিছু কেন্দ্রে নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে এবং এজেন্টদের কাজ করতে দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে ভোলা-২ ও কুমিল্লা-৮ কেন্দ্রে এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং ভোটারদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। “যারা এগুলো করছে, তারা হতাশাগ্রস্ত এবং নিজেদের দেউলিয়াত্ব প্রকাশ করছে,” বলেন তিনি।
জুবায়ের প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘নির্বাচনকে সুন্দর, সুষ্ঠু ও প্রত্যাশিত করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনো অবস্থায় দায়িত্বশীলরা হেলে না পড়ুক এবং সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করুক। ব্যত্যয় হলে জনগণ তাদের কাঠগড়ায় জবাবদিহি করবে।’
মিডিয়ার ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কিছু মিডিয়ার ভূমিকা ভোটের আগের দিন হতাশাব্যঞ্জক ছিল। আমরা প্রত্যাশা করি, মিডিয়া তার নিরপেক্ষতা, বস্তুনিষ্ঠতা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখবে। মিডিয়া কোনো দলের মুখপাত্রে পরিণত হোক না।’
জুবায়ের বলেন, ‘আমরা এ বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণে রেখেছি এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আশা করছি। দিনের কার্যক্রম আমরা প্রত্যক্ষ ও পর্যালোচনা করব এবং প্রয়োজনীয় বক্তব্য পরবর্তী সময়ে উপস্থাপন করব।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!