
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে। সাধারণ মানুষ যেন নিরাপদ বোধ করেন, সেটিই হবে তাদের প্রধান লক্ষ্য।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে রাজধানীর গুলশান মডেল হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোট দেন তারেক রহমান। ভোট প্রদান শেষে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘আমি ইনশাআল্লাহ আশাবাদী, জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদী।’ একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দেশের মানুষ এ দিনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
সারাদেশ থেকে গত রাতে পাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যা তার কাছে আশাব্যঞ্জক বলে মনে হয়েছে।
ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান, শেষ পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করতে। তিনি বলেন, মানুষ যদি সারাদিন কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, তাহলে যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব।
নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নারীর মূল্যায়ন ও ক্ষমতায়নের কাজ সরকার গঠনের প্রথম দিন থেকেই শুরু করা হবে।
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর, গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বক্তব্য শেষ করেন তারেক রহমান।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে। সাধারণ মানুষ যেন নিরাপদ বোধ করেন, সেটিই হবে তাদের প্রধান লক্ষ্য।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে রাজধানীর গুলশান মডেল হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোট দেন তারেক রহমান। ভোট প্রদান শেষে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘আমি ইনশাআল্লাহ আশাবাদী, জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদী।’ একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দেশের মানুষ এ দিনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
সারাদেশ থেকে গত রাতে পাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যা তার কাছে আশাব্যঞ্জক বলে মনে হয়েছে।
ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান, শেষ পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করতে। তিনি বলেন, মানুষ যদি সারাদিন কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, তাহলে যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব।
নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নারীর মূল্যায়ন ও ক্ষমতায়নের কাজ সরকার গঠনের প্রথম দিন থেকেই শুরু করা হবে।
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর, গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বক্তব্য শেষ করেন তারেক রহমান।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে। সাধারণ মানুষ যেন নিরাপদ বোধ করেন, সেটিই হবে তাদের প্রধান লক্ষ্য।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে রাজধানীর গুলশান মডেল হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোট দেন তারেক রহমান। ভোট প্রদান শেষে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘আমি ইনশাআল্লাহ আশাবাদী, জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদী।’ একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দেশের মানুষ এ দিনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
সারাদেশ থেকে গত রাতে পাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যা তার কাছে আশাব্যঞ্জক বলে মনে হয়েছে।
ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান, শেষ পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করতে। তিনি বলেন, মানুষ যদি সারাদিন কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, তাহলে যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব।
নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নারীর মূল্যায়ন ও ক্ষমতায়নের কাজ সরকার গঠনের প্রথম দিন থেকেই শুরু করা হবে।
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর, গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বক্তব্য শেষ করেন তারেক রহমান।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে। সাধারণ মানুষ যেন নিরাপদ বোধ করেন, সেটিই হবে তাদের প্রধান লক্ষ্য।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে রাজধানীর গুলশান মডেল হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোট দেন তারেক রহমান। ভোট প্রদান শেষে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘আমি ইনশাআল্লাহ আশাবাদী, জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদী।’ একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দেশের মানুষ এ দিনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
সারাদেশ থেকে গত রাতে পাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যা তার কাছে আশাব্যঞ্জক বলে মনে হয়েছে।
ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান, শেষ পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করতে। তিনি বলেন, মানুষ যদি সারাদিন কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, তাহলে যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব।
নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নারীর মূল্যায়ন ও ক্ষমতায়নের কাজ সরকার গঠনের প্রথম দিন থেকেই শুরু করা হবে।
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর, গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বক্তব্য শেষ করেন তারেক রহমান।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!