নাটোরের বড়াইগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (জামায়াত) সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ধানাইদহ পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আসাব সরকার ও নগর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাসিনুর রহমান গুরুতর আহত হন।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ধানাইদহ বাজারে নির্বাচনে ভোট দেওয়া সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে জামায়াত কর্মী সাব্বিরকে মারধর করেন স্থানীয় বিএনপি কর্মীরা। এর জেরে শনিবার সকালে বিএনপি নেতা আসাব সরকারকে মারধর করেন জামায়াত কর্মীরা। এরপর দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ ও ৫-৬টি বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে হাসিনুর রহমানসহ দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ এবং বাকিদের ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, আনসার, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরে পুলিশ সুপার মো. আব্দুল ওয়াহাব ও জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব বলেন, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং এলাকায় যৌথবাহিনীর টহল অব্যাহত আছে।
নাটোরের বড়াইগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (জামায়াত) সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ধানাইদহ পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আসাব সরকার ও নগর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাসিনুর রহমান গুরুতর আহত হন।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ধানাইদহ বাজারে নির্বাচনে ভোট দেওয়া সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে জামায়াত কর্মী সাব্বিরকে মারধর করেন স্থানীয় বিএনপি কর্মীরা। এর জেরে শনিবার সকালে বিএনপি নেতা আসাব সরকারকে মারধর করেন জামায়াত কর্মীরা। এরপর দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ ও ৫-৬টি বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে হাসিনুর রহমানসহ দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ এবং বাকিদের ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, আনসার, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরে পুলিশ সুপার মো. আব্দুল ওয়াহাব ও জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব বলেন, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং এলাকায় যৌথবাহিনীর টহল অব্যাহত আছে।
নাটোরের বড়াইগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (জামায়াত) সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ধানাইদহ পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আসাব সরকার ও নগর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাসিনুর রহমান গুরুতর আহত হন।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ধানাইদহ বাজারে নির্বাচনে ভোট দেওয়া সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে জামায়াত কর্মী সাব্বিরকে মারধর করেন স্থানীয় বিএনপি কর্মীরা। এর জেরে শনিবার সকালে বিএনপি নেতা আসাব সরকারকে মারধর করেন জামায়াত কর্মীরা। এরপর দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ ও ৫-৬টি বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে হাসিনুর রহমানসহ দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ এবং বাকিদের ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, আনসার, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরে পুলিশ সুপার মো. আব্দুল ওয়াহাব ও জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব বলেন, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং এলাকায় যৌথবাহিনীর টহল অব্যাহত আছে।
নাটোরের বড়াইগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (জামায়াত) সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ধানাইদহ পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আসাব সরকার ও নগর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাসিনুর রহমান গুরুতর আহত হন।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ধানাইদহ বাজারে নির্বাচনে ভোট দেওয়া সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে জামায়াত কর্মী সাব্বিরকে মারধর করেন স্থানীয় বিএনপি কর্মীরা। এর জেরে শনিবার সকালে বিএনপি নেতা আসাব সরকারকে মারধর করেন জামায়াত কর্মীরা। এরপর দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ ও ৫-৬টি বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে হাসিনুর রহমানসহ দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ এবং বাকিদের ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, আনসার, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরে পুলিশ সুপার মো. আব্দুল ওয়াহাব ও জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব বলেন, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং এলাকায় যৌথবাহিনীর টহল অব্যাহত আছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!