
পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচির একটি শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন। এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন, চলছে উদ্ধার অভিযান।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে করাচির এমএ জিন্নাহ রোডে অবস্থিত গুল প্লাজা নামের ওই শপিং মলে আগুন লাগে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এ তথ্য জানিয়েছে।
করাচির দক্ষিণাঞ্চলের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) সৈয়দ আসাদ রাজা জানান, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী অগ্নিকাণ্ডে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে সিভিল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. সাবির মেমন জানান, তিনটি মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়, যাদের সবাই আগেই মারা গিয়েছিলেন।
রেসকিউ ১১২২-এর মুখপাত্র হাসানুল হাসিব খান নিহতের সংখ্যা পাঁচজন বলে নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। রোববার ভোর পর্যন্ত আগুন মাত্র ৩০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা জানান, শপিং মলটিতে প্রায় এক হাজার ২০০টি দোকান রয়েছে। ক্রোকারিজ, পোশাক, বৈদ্যুতিক সামগ্রী, প্রসাধনী ও পারফিউমসহ বিপুল পরিমাণ দাহ্য পণ্য থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভয়াবহ রূপ নেয়।
রোববার সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বিভিন্ন সংস্থার অন্তত ২০টি ফায়ার টেন্ডার কাজ করছিল। তবে ভবনটি অত্যন্ত পুরোনো হওয়ায় আগুনের তাপে যেকোনো সময় ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে উদ্ধার অভিযান সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করা হচ্ছে।
এদিকে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া এধি ফাউন্ডেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আগুনের তীব্রতায় ভবনের একটি অংশ ধসে পড়েছে।
গার্ডেন সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার (এসডিপিও) মোহসিন রাজা প্রাথমিকভাবে জানান, কোনো একটি দোকানে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সিন্ধুর গভর্নর কামরান তেসোরি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম ও ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদনও চেয়েছেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন গভর্নর।

পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচির একটি শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন। এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন, চলছে উদ্ধার অভিযান।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে করাচির এমএ জিন্নাহ রোডে অবস্থিত গুল প্লাজা নামের ওই শপিং মলে আগুন লাগে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এ তথ্য জানিয়েছে।
করাচির দক্ষিণাঞ্চলের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) সৈয়দ আসাদ রাজা জানান, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী অগ্নিকাণ্ডে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে সিভিল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. সাবির মেমন জানান, তিনটি মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়, যাদের সবাই আগেই মারা গিয়েছিলেন।
রেসকিউ ১১২২-এর মুখপাত্র হাসানুল হাসিব খান নিহতের সংখ্যা পাঁচজন বলে নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। রোববার ভোর পর্যন্ত আগুন মাত্র ৩০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা জানান, শপিং মলটিতে প্রায় এক হাজার ২০০টি দোকান রয়েছে। ক্রোকারিজ, পোশাক, বৈদ্যুতিক সামগ্রী, প্রসাধনী ও পারফিউমসহ বিপুল পরিমাণ দাহ্য পণ্য থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভয়াবহ রূপ নেয়।
রোববার সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বিভিন্ন সংস্থার অন্তত ২০টি ফায়ার টেন্ডার কাজ করছিল। তবে ভবনটি অত্যন্ত পুরোনো হওয়ায় আগুনের তাপে যেকোনো সময় ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে উদ্ধার অভিযান সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করা হচ্ছে।
এদিকে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া এধি ফাউন্ডেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আগুনের তীব্রতায় ভবনের একটি অংশ ধসে পড়েছে।
গার্ডেন সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার (এসডিপিও) মোহসিন রাজা প্রাথমিকভাবে জানান, কোনো একটি দোকানে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সিন্ধুর গভর্নর কামরান তেসোরি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম ও ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদনও চেয়েছেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন গভর্নর।

পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচির একটি শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন। এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন, চলছে উদ্ধার অভিযান।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে করাচির এমএ জিন্নাহ রোডে অবস্থিত গুল প্লাজা নামের ওই শপিং মলে আগুন লাগে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এ তথ্য জানিয়েছে।
করাচির দক্ষিণাঞ্চলের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) সৈয়দ আসাদ রাজা জানান, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী অগ্নিকাণ্ডে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে সিভিল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. সাবির মেমন জানান, তিনটি মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়, যাদের সবাই আগেই মারা গিয়েছিলেন।
রেসকিউ ১১২২-এর মুখপাত্র হাসানুল হাসিব খান নিহতের সংখ্যা পাঁচজন বলে নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। রোববার ভোর পর্যন্ত আগুন মাত্র ৩০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা জানান, শপিং মলটিতে প্রায় এক হাজার ২০০টি দোকান রয়েছে। ক্রোকারিজ, পোশাক, বৈদ্যুতিক সামগ্রী, প্রসাধনী ও পারফিউমসহ বিপুল পরিমাণ দাহ্য পণ্য থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভয়াবহ রূপ নেয়।
রোববার সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বিভিন্ন সংস্থার অন্তত ২০টি ফায়ার টেন্ডার কাজ করছিল। তবে ভবনটি অত্যন্ত পুরোনো হওয়ায় আগুনের তাপে যেকোনো সময় ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে উদ্ধার অভিযান সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করা হচ্ছে।
এদিকে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া এধি ফাউন্ডেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আগুনের তীব্রতায় ভবনের একটি অংশ ধসে পড়েছে।
গার্ডেন সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার (এসডিপিও) মোহসিন রাজা প্রাথমিকভাবে জানান, কোনো একটি দোকানে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সিন্ধুর গভর্নর কামরান তেসোরি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম ও ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদনও চেয়েছেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন গভর্নর।

পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচির একটি শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন। এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন, চলছে উদ্ধার অভিযান।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে করাচির এমএ জিন্নাহ রোডে অবস্থিত গুল প্লাজা নামের ওই শপিং মলে আগুন লাগে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এ তথ্য জানিয়েছে।
করাচির দক্ষিণাঞ্চলের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) সৈয়দ আসাদ রাজা জানান, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী অগ্নিকাণ্ডে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে সিভিল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. সাবির মেমন জানান, তিনটি মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়, যাদের সবাই আগেই মারা গিয়েছিলেন।
রেসকিউ ১১২২-এর মুখপাত্র হাসানুল হাসিব খান নিহতের সংখ্যা পাঁচজন বলে নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। রোববার ভোর পর্যন্ত আগুন মাত্র ৩০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা জানান, শপিং মলটিতে প্রায় এক হাজার ২০০টি দোকান রয়েছে। ক্রোকারিজ, পোশাক, বৈদ্যুতিক সামগ্রী, প্রসাধনী ও পারফিউমসহ বিপুল পরিমাণ দাহ্য পণ্য থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভয়াবহ রূপ নেয়।
রোববার সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বিভিন্ন সংস্থার অন্তত ২০টি ফায়ার টেন্ডার কাজ করছিল। তবে ভবনটি অত্যন্ত পুরোনো হওয়ায় আগুনের তাপে যেকোনো সময় ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে উদ্ধার অভিযান সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করা হচ্ছে।
এদিকে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া এধি ফাউন্ডেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আগুনের তীব্রতায় ভবনের একটি অংশ ধসে পড়েছে।
গার্ডেন সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার (এসডিপিও) মোহসিন রাজা প্রাথমিকভাবে জানান, কোনো একটি দোকানে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সিন্ধুর গভর্নর কামরান তেসোরি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম ও ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদনও চেয়েছেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন গভর্নর।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!