আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মঙ্গলবার সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। সংগৃহীত ছবি
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্কের মধ্যে তার নিয়োগ বা শপথ গ্রহণে কোনো আইনি ব্যত্যয় ঘটেনি বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে তিনি সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন এবং তার শপথ গ্রহণে কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।
এর আগে সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-সূচক কোনো উত্তর দেননি।
অনুষ্ঠানে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, প্রত্যেক মানুষের মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
আইনমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৪ সালে খালেদা জিয়ার সরকারের সময় দেশে লিগ্যাল এইড বা আইনগত সহায়তার ধারণা চালু করা হয়। একজন ব্যক্তি যত বড় অপরাধই করুন না কেন, তার আইনগত অধিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে গুম ও ক্রসফায়ারের ঘটনা বন্ধ করা হয়েছে। বাগেরহাটে গুমের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি নিয়ে সরকার কাজ করছে।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মঙ্গলবার সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। সংগৃহীত ছবি
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্কের মধ্যে তার নিয়োগ বা শপথ গ্রহণে কোনো আইনি ব্যত্যয় ঘটেনি বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে তিনি সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন এবং তার শপথ গ্রহণে কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।
এর আগে সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-সূচক কোনো উত্তর দেননি।
অনুষ্ঠানে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, প্রত্যেক মানুষের মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
আইনমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৪ সালে খালেদা জিয়ার সরকারের সময় দেশে লিগ্যাল এইড বা আইনগত সহায়তার ধারণা চালু করা হয়। একজন ব্যক্তি যত বড় অপরাধই করুন না কেন, তার আইনগত অধিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে গুম ও ক্রসফায়ারের ঘটনা বন্ধ করা হয়েছে। বাগেরহাটে গুমের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি নিয়ে সরকার কাজ করছে।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মঙ্গলবার সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। সংগৃহীত ছবি
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্কের মধ্যে তার নিয়োগ বা শপথ গ্রহণে কোনো আইনি ব্যত্যয় ঘটেনি বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে তিনি সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন এবং তার শপথ গ্রহণে কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।
এর আগে সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-সূচক কোনো উত্তর দেননি।
অনুষ্ঠানে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, প্রত্যেক মানুষের মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
আইনমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৪ সালে খালেদা জিয়ার সরকারের সময় দেশে লিগ্যাল এইড বা আইনগত সহায়তার ধারণা চালু করা হয়। একজন ব্যক্তি যত বড় অপরাধই করুন না কেন, তার আইনগত অধিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে গুম ও ক্রসফায়ারের ঘটনা বন্ধ করা হয়েছে। বাগেরহাটে গুমের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি নিয়ে সরকার কাজ করছে।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মঙ্গলবার সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। সংগৃহীত ছবি
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্কের মধ্যে তার নিয়োগ বা শপথ গ্রহণে কোনো আইনি ব্যত্যয় ঘটেনি বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে তিনি সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন এবং তার শপথ গ্রহণে কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।
এর আগে সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-সূচক কোনো উত্তর দেননি।
অনুষ্ঠানে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, প্রত্যেক মানুষের মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
আইনমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৪ সালে খালেদা জিয়ার সরকারের সময় দেশে লিগ্যাল এইড বা আইনগত সহায়তার ধারণা চালু করা হয়। একজন ব্যক্তি যত বড় অপরাধই করুন না কেন, তার আইনগত অধিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে গুম ও ক্রসফায়ারের ঘটনা বন্ধ করা হয়েছে। বাগেরহাটে গুমের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি নিয়ে সরকার কাজ করছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!