জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ‘আগামীর বাংলাদেশে নতুন করে আর কাউকে শেখ হাসিনা হতে দেবো না। ক্ষমতায় এসে কেউ যদি চাঁদাবাজি, সিন্ডিকেট, মাদক ব্যবসা কিংবা সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন করে, তার দায় নেতৃত্বকেই নিতে হবে।’
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত পদযাত্রা শেষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, ‘অভ্যুত্থানের পর আপনি দেশে এসেছেন, প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আপনার জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মীরা যদি অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডে জড়ায়, তাহলে এর দায় আপনারও রয়েছে।’
পুলিশের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশকে অতীতে ক্ষমতা ধরে রাখার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমরা চাই, পুলিশসহ সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পেশাদারিত্বের মাধ্যমে জনগণের আস্থা ও নিজেদের সম্মান পুনরুদ্ধার করুক।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেক রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় গিয়ে পুলিশকে ব্যবহার করতে চাইবে। কিন্তু পেশাদারিত্ব বিসর্জন দিলে নিজের বিবেকের কাছেও মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো যাবে না।’
দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশপন্থি সরকার চাই। সীমান্তে আবার হত্যাকাণ্ড ঘটলে বা পুশ-ইনের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়লে আমরা দেখব না কে ক্ষমতায় আছে; আমরা দেখব রাষ্ট্রের পক্ষে কে অবস্থান নিয়েছে। জনগণের অধিকার ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় আপসহীন সরকারের পক্ষেই আমরা থাকব।’
সভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, উত্তরাঞ্চলের ডেপুটি মুখ্য সংগঠক সাইফুল্লাহ হায়দার, টাঙ্গাইল জেলা এনসিপির আহ্বায়ক কামরুজ্জমান শাওন এবং সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান রাসেল।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ‘আগামীর বাংলাদেশে নতুন করে আর কাউকে শেখ হাসিনা হতে দেবো না। ক্ষমতায় এসে কেউ যদি চাঁদাবাজি, সিন্ডিকেট, মাদক ব্যবসা কিংবা সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন করে, তার দায় নেতৃত্বকেই নিতে হবে।’
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত পদযাত্রা শেষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, ‘অভ্যুত্থানের পর আপনি দেশে এসেছেন, প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আপনার জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মীরা যদি অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডে জড়ায়, তাহলে এর দায় আপনারও রয়েছে।’
পুলিশের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশকে অতীতে ক্ষমতা ধরে রাখার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমরা চাই, পুলিশসহ সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পেশাদারিত্বের মাধ্যমে জনগণের আস্থা ও নিজেদের সম্মান পুনরুদ্ধার করুক।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেক রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় গিয়ে পুলিশকে ব্যবহার করতে চাইবে। কিন্তু পেশাদারিত্ব বিসর্জন দিলে নিজের বিবেকের কাছেও মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো যাবে না।’
দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশপন্থি সরকার চাই। সীমান্তে আবার হত্যাকাণ্ড ঘটলে বা পুশ-ইনের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়লে আমরা দেখব না কে ক্ষমতায় আছে; আমরা দেখব রাষ্ট্রের পক্ষে কে অবস্থান নিয়েছে। জনগণের অধিকার ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় আপসহীন সরকারের পক্ষেই আমরা থাকব।’
সভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, উত্তরাঞ্চলের ডেপুটি মুখ্য সংগঠক সাইফুল্লাহ হায়দার, টাঙ্গাইল জেলা এনসিপির আহ্বায়ক কামরুজ্জমান শাওন এবং সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান রাসেল।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ‘আগামীর বাংলাদেশে নতুন করে আর কাউকে শেখ হাসিনা হতে দেবো না। ক্ষমতায় এসে কেউ যদি চাঁদাবাজি, সিন্ডিকেট, মাদক ব্যবসা কিংবা সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন করে, তার দায় নেতৃত্বকেই নিতে হবে।’
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত পদযাত্রা শেষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, ‘অভ্যুত্থানের পর আপনি দেশে এসেছেন, প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আপনার জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মীরা যদি অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডে জড়ায়, তাহলে এর দায় আপনারও রয়েছে।’
পুলিশের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশকে অতীতে ক্ষমতা ধরে রাখার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমরা চাই, পুলিশসহ সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পেশাদারিত্বের মাধ্যমে জনগণের আস্থা ও নিজেদের সম্মান পুনরুদ্ধার করুক।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেক রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় গিয়ে পুলিশকে ব্যবহার করতে চাইবে। কিন্তু পেশাদারিত্ব বিসর্জন দিলে নিজের বিবেকের কাছেও মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো যাবে না।’
দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশপন্থি সরকার চাই। সীমান্তে আবার হত্যাকাণ্ড ঘটলে বা পুশ-ইনের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়লে আমরা দেখব না কে ক্ষমতায় আছে; আমরা দেখব রাষ্ট্রের পক্ষে কে অবস্থান নিয়েছে। জনগণের অধিকার ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় আপসহীন সরকারের পক্ষেই আমরা থাকব।’
সভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, উত্তরাঞ্চলের ডেপুটি মুখ্য সংগঠক সাইফুল্লাহ হায়দার, টাঙ্গাইল জেলা এনসিপির আহ্বায়ক কামরুজ্জমান শাওন এবং সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান রাসেল।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ‘আগামীর বাংলাদেশে নতুন করে আর কাউকে শেখ হাসিনা হতে দেবো না। ক্ষমতায় এসে কেউ যদি চাঁদাবাজি, সিন্ডিকেট, মাদক ব্যবসা কিংবা সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন করে, তার দায় নেতৃত্বকেই নিতে হবে।’
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত পদযাত্রা শেষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, ‘অভ্যুত্থানের পর আপনি দেশে এসেছেন, প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আপনার জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মীরা যদি অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডে জড়ায়, তাহলে এর দায় আপনারও রয়েছে।’
পুলিশের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশকে অতীতে ক্ষমতা ধরে রাখার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমরা চাই, পুলিশসহ সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পেশাদারিত্বের মাধ্যমে জনগণের আস্থা ও নিজেদের সম্মান পুনরুদ্ধার করুক।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেক রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় গিয়ে পুলিশকে ব্যবহার করতে চাইবে। কিন্তু পেশাদারিত্ব বিসর্জন দিলে নিজের বিবেকের কাছেও মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো যাবে না।’
দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশপন্থি সরকার চাই। সীমান্তে আবার হত্যাকাণ্ড ঘটলে বা পুশ-ইনের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়লে আমরা দেখব না কে ক্ষমতায় আছে; আমরা দেখব রাষ্ট্রের পক্ষে কে অবস্থান নিয়েছে। জনগণের অধিকার ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় আপসহীন সরকারের পক্ষেই আমরা থাকব।’
সভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, উত্তরাঞ্চলের ডেপুটি মুখ্য সংগঠক সাইফুল্লাহ হায়দার, টাঙ্গাইল জেলা এনসিপির আহ্বায়ক কামরুজ্জমান শাওন এবং সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান রাসেল।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
জাতীয়