বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ। ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ৫৫৪ দিন কারাবন্দি থাকার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
এর আগে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ জরুরি বিধিমালার আওতায় যৌথবাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। সে সময় তিনি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করা হয়। বিএনপির অভিযোগ, এসব মামলা ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে তারেক রহমানের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ করে বিএনপি। দলটির দাবি, কারাবন্দি অবস্থায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে লন্ডনে নেওয়া হয়। তার সঙ্গে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানও যান।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের পর থেকেই তারেক রহমান দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন। ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় তাকে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ারও চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে পরিচালিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। তার দাবি, সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংস্থা দেশে-বিদেশে অনুসন্ধান চালিয়েও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি।
বিএনপি সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সারা দেশে ৮৩টির মতো মামলা করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এসব মামলার নিষ্পত্তি হয় বলে দাবি দলটির। বিএনপির ভাষ্য, এতে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল বলে প্রমাণিত হয়েছে।
দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। দেশে ফেরার পর এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান।’
কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবারের’ আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন বলেন, তারেক রহমানকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছিল। সেই নির্যাতনের স্মৃতিচিহ্ন এখনো তিনি বহন করছেন। তবে তারেক রহমান নিজেই বলেছেন, তিনি সেই দিনগুলোর কথা মনে রাখতে চান না।
আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘আমরা যদি সেই দিনগুলোর কথা মনে রাখি, প্রতিশোধ নিতে যাই, তাহলে পাঁচ বছরেও শেষ হবে না।’ দেশের উন্নয়ন ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ। ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ৫৫৪ দিন কারাবন্দি থাকার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
এর আগে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ জরুরি বিধিমালার আওতায় যৌথবাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। সে সময় তিনি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করা হয়। বিএনপির অভিযোগ, এসব মামলা ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে তারেক রহমানের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ করে বিএনপি। দলটির দাবি, কারাবন্দি অবস্থায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে লন্ডনে নেওয়া হয়। তার সঙ্গে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানও যান।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের পর থেকেই তারেক রহমান দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন। ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় তাকে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ারও চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে পরিচালিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। তার দাবি, সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংস্থা দেশে-বিদেশে অনুসন্ধান চালিয়েও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি।
বিএনপি সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সারা দেশে ৮৩টির মতো মামলা করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এসব মামলার নিষ্পত্তি হয় বলে দাবি দলটির। বিএনপির ভাষ্য, এতে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল বলে প্রমাণিত হয়েছে।
দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। দেশে ফেরার পর এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান।’
কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবারের’ আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন বলেন, তারেক রহমানকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছিল। সেই নির্যাতনের স্মৃতিচিহ্ন এখনো তিনি বহন করছেন। তবে তারেক রহমান নিজেই বলেছেন, তিনি সেই দিনগুলোর কথা মনে রাখতে চান না।
আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘আমরা যদি সেই দিনগুলোর কথা মনে রাখি, প্রতিশোধ নিতে যাই, তাহলে পাঁচ বছরেও শেষ হবে না।’ দেশের উন্নয়ন ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ। ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ৫৫৪ দিন কারাবন্দি থাকার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
এর আগে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ জরুরি বিধিমালার আওতায় যৌথবাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। সে সময় তিনি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করা হয়। বিএনপির অভিযোগ, এসব মামলা ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে তারেক রহমানের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ করে বিএনপি। দলটির দাবি, কারাবন্দি অবস্থায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে লন্ডনে নেওয়া হয়। তার সঙ্গে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানও যান।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের পর থেকেই তারেক রহমান দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন। ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় তাকে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ারও চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে পরিচালিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। তার দাবি, সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংস্থা দেশে-বিদেশে অনুসন্ধান চালিয়েও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি।
বিএনপি সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সারা দেশে ৮৩টির মতো মামলা করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এসব মামলার নিষ্পত্তি হয় বলে দাবি দলটির। বিএনপির ভাষ্য, এতে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল বলে প্রমাণিত হয়েছে।
দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। দেশে ফেরার পর এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান।’
কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবারের’ আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন বলেন, তারেক রহমানকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছিল। সেই নির্যাতনের স্মৃতিচিহ্ন এখনো তিনি বহন করছেন। তবে তারেক রহমান নিজেই বলেছেন, তিনি সেই দিনগুলোর কথা মনে রাখতে চান না।
আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘আমরা যদি সেই দিনগুলোর কথা মনে রাখি, প্রতিশোধ নিতে যাই, তাহলে পাঁচ বছরেও শেষ হবে না।’ দেশের উন্নয়ন ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ। ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ৫৫৪ দিন কারাবন্দি থাকার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
এর আগে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ জরুরি বিধিমালার আওতায় যৌথবাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। সে সময় তিনি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করা হয়। বিএনপির অভিযোগ, এসব মামলা ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে তারেক রহমানের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ করে বিএনপি। দলটির দাবি, কারাবন্দি অবস্থায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে লন্ডনে নেওয়া হয়। তার সঙ্গে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানও যান।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের পর থেকেই তারেক রহমান দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন। ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় তাকে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ারও চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে পরিচালিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। তার দাবি, সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংস্থা দেশে-বিদেশে অনুসন্ধান চালিয়েও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি।
বিএনপি সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সারা দেশে ৮৩টির মতো মামলা করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এসব মামলার নিষ্পত্তি হয় বলে দাবি দলটির। বিএনপির ভাষ্য, এতে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল বলে প্রমাণিত হয়েছে।
দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। দেশে ফেরার পর এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান।’
কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবারের’ আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন বলেন, তারেক রহমানকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছিল। সেই নির্যাতনের স্মৃতিচিহ্ন এখনো তিনি বহন করছেন। তবে তারেক রহমান নিজেই বলেছেন, তিনি সেই দিনগুলোর কথা মনে রাখতে চান না।
আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘আমরা যদি সেই দিনগুলোর কথা মনে রাখি, প্রতিশোধ নিতে যাই, তাহলে পাঁচ বছরেও শেষ হবে না।’ দেশের উন্নয়ন ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!