রাজধানী ঢাকা ও শহরতলীর রুটে চলাচলকারী বাসগুলোতে ই-টিকিট ছাড়া যাত্রা করা যাবে না। বাসস্টপেজে স্থাপিত কিউআর কোড স্ক্যান করে যাত্রীরা অ্যাপের মাধ্যমে নিজেরাই টিকিট কাটতে পারবেন। স্মার্টফোন ব্যবহার না করা যাত্রীদের জন্য থাকবেন সাড়ে তিন হাজারের বেশি টিকিটমাস্টার।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যবস্থার উদ্বোধন করা হয়। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই ই-টিকিটিং ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহন যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নসহ একাধিক শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে আরবানমুভ টেক নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বলেন, বিভিন্ন রুটের পরিবহন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে আরবানমুভ টেক ই-টিকিটিং ব্যবস্থাপনার সার্বিক দায়িত্ব নিয়েছে। এই কার্যক্রম পরিচালনা ও তদারকিতে মালিক সমিতি, শ্রমিক ফেডারেশন এবং পুলিশ প্রশাসন একসঙ্গে কাজ করবে। তিনি বলেন, এ পদ্ধতিতে সব বাস নির্ধারিত স্টপেজে যাত্রী ওঠানো-নামানো করবে। যাত্রীদের অবশ্যই অ্যাপ বা ডিভাইসের মাধ্যমে ই-টিকিট সংগ্রহ করে ভ্রমণ করতে হবে। সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া নেওয়া যাবে না এবং শিক্ষার্থীদের জন্য অর্ধেক ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।
সাইফুল আলম আরও বলেন, ই-টিকিটিং চালু হলে রাস্তায় যানজট কমবে, দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে, যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত হবে এবং চাঁদাবাজি বন্ধ হবে। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা শহরের বাস চলাচলে যে বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে তা অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে আরবানমুভ টেক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুনায়েদ আবদুল্লাহ জানান, ঢাকার ৮০০টির বেশি বাসস্টপেজে কিউআর কোড বসানো হবে। যাত্রীরা সেটি স্ক্যান করে অ্যাপ ডাউনলোড করে টিকিট কাটতে পারবেন। স্মার্টফোন না থাকা যাত্রীদের সহায়তায় মাঠে কাজ করবেন টিকিটমাস্টাররা।
সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) সরওয়ার হোসেন, অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আনিসুর রহমান এবং ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহন যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানী ঢাকা ও শহরতলীর রুটে চলাচলকারী বাসগুলোতে ই-টিকিট ছাড়া যাত্রা করা যাবে না। বাসস্টপেজে স্থাপিত কিউআর কোড স্ক্যান করে যাত্রীরা অ্যাপের মাধ্যমে নিজেরাই টিকিট কাটতে পারবেন। স্মার্টফোন ব্যবহার না করা যাত্রীদের জন্য থাকবেন সাড়ে তিন হাজারের বেশি টিকিটমাস্টার।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যবস্থার উদ্বোধন করা হয়। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই ই-টিকিটিং ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহন যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নসহ একাধিক শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে আরবানমুভ টেক নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বলেন, বিভিন্ন রুটের পরিবহন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে আরবানমুভ টেক ই-টিকিটিং ব্যবস্থাপনার সার্বিক দায়িত্ব নিয়েছে। এই কার্যক্রম পরিচালনা ও তদারকিতে মালিক সমিতি, শ্রমিক ফেডারেশন এবং পুলিশ প্রশাসন একসঙ্গে কাজ করবে। তিনি বলেন, এ পদ্ধতিতে সব বাস নির্ধারিত স্টপেজে যাত্রী ওঠানো-নামানো করবে। যাত্রীদের অবশ্যই অ্যাপ বা ডিভাইসের মাধ্যমে ই-টিকিট সংগ্রহ করে ভ্রমণ করতে হবে। সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া নেওয়া যাবে না এবং শিক্ষার্থীদের জন্য অর্ধেক ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।
সাইফুল আলম আরও বলেন, ই-টিকিটিং চালু হলে রাস্তায় যানজট কমবে, দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে, যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত হবে এবং চাঁদাবাজি বন্ধ হবে। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা শহরের বাস চলাচলে যে বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে তা অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে আরবানমুভ টেক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুনায়েদ আবদুল্লাহ জানান, ঢাকার ৮০০টির বেশি বাসস্টপেজে কিউআর কোড বসানো হবে। যাত্রীরা সেটি স্ক্যান করে অ্যাপ ডাউনলোড করে টিকিট কাটতে পারবেন। স্মার্টফোন না থাকা যাত্রীদের সহায়তায় মাঠে কাজ করবেন টিকিটমাস্টাররা।
সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) সরওয়ার হোসেন, অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আনিসুর রহমান এবং ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহন যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানী ঢাকা ও শহরতলীর রুটে চলাচলকারী বাসগুলোতে ই-টিকিট ছাড়া যাত্রা করা যাবে না। বাসস্টপেজে স্থাপিত কিউআর কোড স্ক্যান করে যাত্রীরা অ্যাপের মাধ্যমে নিজেরাই টিকিট কাটতে পারবেন। স্মার্টফোন ব্যবহার না করা যাত্রীদের জন্য থাকবেন সাড়ে তিন হাজারের বেশি টিকিটমাস্টার।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যবস্থার উদ্বোধন করা হয়। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই ই-টিকিটিং ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহন যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নসহ একাধিক শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে আরবানমুভ টেক নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বলেন, বিভিন্ন রুটের পরিবহন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে আরবানমুভ টেক ই-টিকিটিং ব্যবস্থাপনার সার্বিক দায়িত্ব নিয়েছে। এই কার্যক্রম পরিচালনা ও তদারকিতে মালিক সমিতি, শ্রমিক ফেডারেশন এবং পুলিশ প্রশাসন একসঙ্গে কাজ করবে। তিনি বলেন, এ পদ্ধতিতে সব বাস নির্ধারিত স্টপেজে যাত্রী ওঠানো-নামানো করবে। যাত্রীদের অবশ্যই অ্যাপ বা ডিভাইসের মাধ্যমে ই-টিকিট সংগ্রহ করে ভ্রমণ করতে হবে। সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া নেওয়া যাবে না এবং শিক্ষার্থীদের জন্য অর্ধেক ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।
সাইফুল আলম আরও বলেন, ই-টিকিটিং চালু হলে রাস্তায় যানজট কমবে, দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে, যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত হবে এবং চাঁদাবাজি বন্ধ হবে। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা শহরের বাস চলাচলে যে বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে তা অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে আরবানমুভ টেক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুনায়েদ আবদুল্লাহ জানান, ঢাকার ৮০০টির বেশি বাসস্টপেজে কিউআর কোড বসানো হবে। যাত্রীরা সেটি স্ক্যান করে অ্যাপ ডাউনলোড করে টিকিট কাটতে পারবেন। স্মার্টফোন না থাকা যাত্রীদের সহায়তায় মাঠে কাজ করবেন টিকিটমাস্টাররা।
সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) সরওয়ার হোসেন, অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আনিসুর রহমান এবং ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহন যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানী ঢাকা ও শহরতলীর রুটে চলাচলকারী বাসগুলোতে ই-টিকিট ছাড়া যাত্রা করা যাবে না। বাসস্টপেজে স্থাপিত কিউআর কোড স্ক্যান করে যাত্রীরা অ্যাপের মাধ্যমে নিজেরাই টিকিট কাটতে পারবেন। স্মার্টফোন ব্যবহার না করা যাত্রীদের জন্য থাকবেন সাড়ে তিন হাজারের বেশি টিকিটমাস্টার।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যবস্থার উদ্বোধন করা হয়। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই ই-টিকিটিং ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহন যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নসহ একাধিক শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে আরবানমুভ টেক নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বলেন, বিভিন্ন রুটের পরিবহন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে আরবানমুভ টেক ই-টিকিটিং ব্যবস্থাপনার সার্বিক দায়িত্ব নিয়েছে। এই কার্যক্রম পরিচালনা ও তদারকিতে মালিক সমিতি, শ্রমিক ফেডারেশন এবং পুলিশ প্রশাসন একসঙ্গে কাজ করবে। তিনি বলেন, এ পদ্ধতিতে সব বাস নির্ধারিত স্টপেজে যাত্রী ওঠানো-নামানো করবে। যাত্রীদের অবশ্যই অ্যাপ বা ডিভাইসের মাধ্যমে ই-টিকিট সংগ্রহ করে ভ্রমণ করতে হবে। সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া নেওয়া যাবে না এবং শিক্ষার্থীদের জন্য অর্ধেক ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।
সাইফুল আলম আরও বলেন, ই-টিকিটিং চালু হলে রাস্তায় যানজট কমবে, দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে, যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত হবে এবং চাঁদাবাজি বন্ধ হবে। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা শহরের বাস চলাচলে যে বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে তা অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে আরবানমুভ টেক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুনায়েদ আবদুল্লাহ জানান, ঢাকার ৮০০টির বেশি বাসস্টপেজে কিউআর কোড বসানো হবে। যাত্রীরা সেটি স্ক্যান করে অ্যাপ ডাউনলোড করে টিকিট কাটতে পারবেন। স্মার্টফোন না থাকা যাত্রীদের সহায়তায় মাঠে কাজ করবেন টিকিটমাস্টাররা।
সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) সরওয়ার হোসেন, অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আনিসুর রহমান এবং ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহন যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম উপস্থিত ছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!