ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গঠিত ২০টি পরিবীক্ষণ টিমকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সরকারি বাসস্থানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ বা এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে ফ্ল্যাটের বরাদ্দ বাতিল এবং নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বড় অঙ্কের জরিমানা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণবিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।
মীর শাহে আলম বলেন, ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য করতে প্রধানমন্ত্রী প্রথম দিন থেকেই সচেষ্ট। তিনি নিজে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও কোয়ার্টারের অবস্থা পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু বড় বড় সরকারি কোয়ার্টার, বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট ও হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে এডিস মশার লার্ভা এবং চরম অবহেলার চিত্র পাওয়া গেছে।
পরিবীক্ষণ কমিটির সদস্যদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে মাঠে কাজ করছেন। কোথাও অনিয়ম বা মশার লার্ভা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে এবং কঠোর জরিমানা করতে হবে। সরকারি কর্মচারীরা নিজেদের কোয়ার্টার পরিষ্কার রাখতে না পারলে সরকারি বাসায় থাকার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে বলে মন্তব্য করেন তিনি। লেক ও খাল পরিষ্কারে উদ্যোগ
ঢাকার সৌন্দর্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, হাতিরঝিল, ধানমণ্ডি, বনানী ও গুলশান লেক পরিষ্কার করে আগের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কাজ করছে।
এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৯টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬টি খাল পুনঃখনন, গাইড ওয়াল নির্মাণ ও নেটিংয়ের কাজ চলছে।
প্লাস্টিক বা লোহার ডাস্টবিন চুরি হয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ফাইবার বোর্ড দিয়ে নতুন ডাস্টবিন তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। দুই সিটি করপোরেশন পর্যায়ক্রমে এসব ডাস্টবিন স্থাপন করবে।
২০টি টিম সমন্বিতভাবে কঠোর ভূমিকা পালন করলে আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে ঢাকায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় ২০টি বিশেষ পরিবীক্ষণ কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের এলাকাভিত্তিক এসব কমিটি কাজ করবে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১০টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১০টি কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা এসব জোনাল কমিটির প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিবীক্ষণের দায়িত্বে থাকা ২০টি কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গঠিত ২০টি পরিবীক্ষণ টিমকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সরকারি বাসস্থানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ বা এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে ফ্ল্যাটের বরাদ্দ বাতিল এবং নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বড় অঙ্কের জরিমানা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণবিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।
মীর শাহে আলম বলেন, ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য করতে প্রধানমন্ত্রী প্রথম দিন থেকেই সচেষ্ট। তিনি নিজে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও কোয়ার্টারের অবস্থা পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু বড় বড় সরকারি কোয়ার্টার, বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট ও হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে এডিস মশার লার্ভা এবং চরম অবহেলার চিত্র পাওয়া গেছে।
পরিবীক্ষণ কমিটির সদস্যদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে মাঠে কাজ করছেন। কোথাও অনিয়ম বা মশার লার্ভা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে এবং কঠোর জরিমানা করতে হবে। সরকারি কর্মচারীরা নিজেদের কোয়ার্টার পরিষ্কার রাখতে না পারলে সরকারি বাসায় থাকার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে বলে মন্তব্য করেন তিনি। লেক ও খাল পরিষ্কারে উদ্যোগ
ঢাকার সৌন্দর্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, হাতিরঝিল, ধানমণ্ডি, বনানী ও গুলশান লেক পরিষ্কার করে আগের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কাজ করছে।
এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৯টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬টি খাল পুনঃখনন, গাইড ওয়াল নির্মাণ ও নেটিংয়ের কাজ চলছে।
প্লাস্টিক বা লোহার ডাস্টবিন চুরি হয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ফাইবার বোর্ড দিয়ে নতুন ডাস্টবিন তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। দুই সিটি করপোরেশন পর্যায়ক্রমে এসব ডাস্টবিন স্থাপন করবে।
২০টি টিম সমন্বিতভাবে কঠোর ভূমিকা পালন করলে আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে ঢাকায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় ২০টি বিশেষ পরিবীক্ষণ কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের এলাকাভিত্তিক এসব কমিটি কাজ করবে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১০টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১০টি কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা এসব জোনাল কমিটির প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিবীক্ষণের দায়িত্বে থাকা ২০টি কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গঠিত ২০টি পরিবীক্ষণ টিমকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সরকারি বাসস্থানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ বা এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে ফ্ল্যাটের বরাদ্দ বাতিল এবং নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বড় অঙ্কের জরিমানা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণবিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।
মীর শাহে আলম বলেন, ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য করতে প্রধানমন্ত্রী প্রথম দিন থেকেই সচেষ্ট। তিনি নিজে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও কোয়ার্টারের অবস্থা পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু বড় বড় সরকারি কোয়ার্টার, বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট ও হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে এডিস মশার লার্ভা এবং চরম অবহেলার চিত্র পাওয়া গেছে।
পরিবীক্ষণ কমিটির সদস্যদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে মাঠে কাজ করছেন। কোথাও অনিয়ম বা মশার লার্ভা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে এবং কঠোর জরিমানা করতে হবে। সরকারি কর্মচারীরা নিজেদের কোয়ার্টার পরিষ্কার রাখতে না পারলে সরকারি বাসায় থাকার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে বলে মন্তব্য করেন তিনি। লেক ও খাল পরিষ্কারে উদ্যোগ
ঢাকার সৌন্দর্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, হাতিরঝিল, ধানমণ্ডি, বনানী ও গুলশান লেক পরিষ্কার করে আগের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কাজ করছে।
এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৯টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬টি খাল পুনঃখনন, গাইড ওয়াল নির্মাণ ও নেটিংয়ের কাজ চলছে।
প্লাস্টিক বা লোহার ডাস্টবিন চুরি হয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ফাইবার বোর্ড দিয়ে নতুন ডাস্টবিন তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। দুই সিটি করপোরেশন পর্যায়ক্রমে এসব ডাস্টবিন স্থাপন করবে।
২০টি টিম সমন্বিতভাবে কঠোর ভূমিকা পালন করলে আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে ঢাকায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় ২০টি বিশেষ পরিবীক্ষণ কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের এলাকাভিত্তিক এসব কমিটি কাজ করবে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১০টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১০টি কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা এসব জোনাল কমিটির প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিবীক্ষণের দায়িত্বে থাকা ২০টি কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গঠিত ২০টি পরিবীক্ষণ টিমকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সরকারি বাসস্থানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ বা এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে ফ্ল্যাটের বরাদ্দ বাতিল এবং নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বড় অঙ্কের জরিমানা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণবিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।
মীর শাহে আলম বলেন, ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য করতে প্রধানমন্ত্রী প্রথম দিন থেকেই সচেষ্ট। তিনি নিজে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও কোয়ার্টারের অবস্থা পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু বড় বড় সরকারি কোয়ার্টার, বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট ও হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে এডিস মশার লার্ভা এবং চরম অবহেলার চিত্র পাওয়া গেছে।
পরিবীক্ষণ কমিটির সদস্যদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে মাঠে কাজ করছেন। কোথাও অনিয়ম বা মশার লার্ভা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে এবং কঠোর জরিমানা করতে হবে। সরকারি কর্মচারীরা নিজেদের কোয়ার্টার পরিষ্কার রাখতে না পারলে সরকারি বাসায় থাকার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে বলে মন্তব্য করেন তিনি। লেক ও খাল পরিষ্কারে উদ্যোগ
ঢাকার সৌন্দর্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, হাতিরঝিল, ধানমণ্ডি, বনানী ও গুলশান লেক পরিষ্কার করে আগের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কাজ করছে।
এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৯টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬টি খাল পুনঃখনন, গাইড ওয়াল নির্মাণ ও নেটিংয়ের কাজ চলছে।
প্লাস্টিক বা লোহার ডাস্টবিন চুরি হয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ফাইবার বোর্ড দিয়ে নতুন ডাস্টবিন তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। দুই সিটি করপোরেশন পর্যায়ক্রমে এসব ডাস্টবিন স্থাপন করবে।
২০টি টিম সমন্বিতভাবে কঠোর ভূমিকা পালন করলে আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে ঢাকায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় ২০টি বিশেষ পরিবীক্ষণ কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের এলাকাভিত্তিক এসব কমিটি কাজ করবে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১০টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১০টি কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা এসব জোনাল কমিটির প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিবীক্ষণের দায়িত্বে থাকা ২০টি কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!