
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) একটি প্রতিনিধি দল পাকিস্তান সফর করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সঙ্গে বৈঠক করে। একই সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পক্ষ থেকেও ম্যাচটি খেলার আহ্বান জানানো হয়। খবর প্রকাশ করেছে দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডন।
পাকিস্তান সরকার জানায়, পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে আইসিসি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে হওয়া উচ্চপর্যায়ের আলোচনার ফলাফল সম্পর্কে অবহিত করেন। বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর অনুরোধ এবং বহুপাক্ষিক আলোচনার অগ্রগতি বিবেচনায় নিয়ে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলকে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী মাঠে নামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ক্রিকেটের চেতনা রক্ষা এবং বৈশ্বিক এই খেলাটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও দেশের জনগণ ‘ম্যান ইন গ্রিন’-এর জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।
তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে বলেন, ‘গেম অন হ্যায় (খেলা চলছে)!’ তিনি পিসিবি চেয়ারম্যানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকেও সাধুবাদ জানান।
এর আগে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে টেলিফোনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে ম্যাচটি খেলার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, অতীতে কঠিন সময়ে পাকিস্তান যেভাবে শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়িয়েছে, ক্রিকেটের স্বার্থেও বর্তমান সংকট সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সমাধান হওয়া উচিত।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও পাকিস্তানকে ম্যাচটি খেলার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে আইসিসি ও পিসিবির ইতিবাচক ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এদিকে আইসিসি জানিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের ওপর কোনো আর্থিক জরিমানা বা শাস্তি আরোপ করা হবে না। একই সঙ্গে ২০৩১ বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশকে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও সম্মতি দিয়েছে সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে পাকিস্তান ও ভারত গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলছে না। দুই দল কেবল আইসিসি বা আঞ্চলিক টুর্নামেন্টেই মুখোমুখি হয়ে থাকে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) একটি প্রতিনিধি দল পাকিস্তান সফর করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সঙ্গে বৈঠক করে। একই সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পক্ষ থেকেও ম্যাচটি খেলার আহ্বান জানানো হয়। খবর প্রকাশ করেছে দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডন।
পাকিস্তান সরকার জানায়, পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে আইসিসি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে হওয়া উচ্চপর্যায়ের আলোচনার ফলাফল সম্পর্কে অবহিত করেন। বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর অনুরোধ এবং বহুপাক্ষিক আলোচনার অগ্রগতি বিবেচনায় নিয়ে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলকে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী মাঠে নামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ক্রিকেটের চেতনা রক্ষা এবং বৈশ্বিক এই খেলাটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও দেশের জনগণ ‘ম্যান ইন গ্রিন’-এর জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।
তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে বলেন, ‘গেম অন হ্যায় (খেলা চলছে)!’ তিনি পিসিবি চেয়ারম্যানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকেও সাধুবাদ জানান।
এর আগে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে টেলিফোনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে ম্যাচটি খেলার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, অতীতে কঠিন সময়ে পাকিস্তান যেভাবে শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়িয়েছে, ক্রিকেটের স্বার্থেও বর্তমান সংকট সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সমাধান হওয়া উচিত।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও পাকিস্তানকে ম্যাচটি খেলার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে আইসিসি ও পিসিবির ইতিবাচক ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এদিকে আইসিসি জানিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের ওপর কোনো আর্থিক জরিমানা বা শাস্তি আরোপ করা হবে না। একই সঙ্গে ২০৩১ বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশকে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও সম্মতি দিয়েছে সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে পাকিস্তান ও ভারত গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলছে না। দুই দল কেবল আইসিসি বা আঞ্চলিক টুর্নামেন্টেই মুখোমুখি হয়ে থাকে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) একটি প্রতিনিধি দল পাকিস্তান সফর করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সঙ্গে বৈঠক করে। একই সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পক্ষ থেকেও ম্যাচটি খেলার আহ্বান জানানো হয়। খবর প্রকাশ করেছে দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডন।
পাকিস্তান সরকার জানায়, পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে আইসিসি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে হওয়া উচ্চপর্যায়ের আলোচনার ফলাফল সম্পর্কে অবহিত করেন। বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর অনুরোধ এবং বহুপাক্ষিক আলোচনার অগ্রগতি বিবেচনায় নিয়ে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলকে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী মাঠে নামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ক্রিকেটের চেতনা রক্ষা এবং বৈশ্বিক এই খেলাটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও দেশের জনগণ ‘ম্যান ইন গ্রিন’-এর জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।
তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে বলেন, ‘গেম অন হ্যায় (খেলা চলছে)!’ তিনি পিসিবি চেয়ারম্যানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকেও সাধুবাদ জানান।
এর আগে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে টেলিফোনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে ম্যাচটি খেলার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, অতীতে কঠিন সময়ে পাকিস্তান যেভাবে শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়িয়েছে, ক্রিকেটের স্বার্থেও বর্তমান সংকট সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সমাধান হওয়া উচিত।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও পাকিস্তানকে ম্যাচটি খেলার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে আইসিসি ও পিসিবির ইতিবাচক ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এদিকে আইসিসি জানিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের ওপর কোনো আর্থিক জরিমানা বা শাস্তি আরোপ করা হবে না। একই সঙ্গে ২০৩১ বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশকে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও সম্মতি দিয়েছে সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে পাকিস্তান ও ভারত গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলছে না। দুই দল কেবল আইসিসি বা আঞ্চলিক টুর্নামেন্টেই মুখোমুখি হয়ে থাকে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) একটি প্রতিনিধি দল পাকিস্তান সফর করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সঙ্গে বৈঠক করে। একই সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পক্ষ থেকেও ম্যাচটি খেলার আহ্বান জানানো হয়। খবর প্রকাশ করেছে দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডন।
পাকিস্তান সরকার জানায়, পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে আইসিসি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে হওয়া উচ্চপর্যায়ের আলোচনার ফলাফল সম্পর্কে অবহিত করেন। বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর অনুরোধ এবং বহুপাক্ষিক আলোচনার অগ্রগতি বিবেচনায় নিয়ে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলকে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী মাঠে নামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ক্রিকেটের চেতনা রক্ষা এবং বৈশ্বিক এই খেলাটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও দেশের জনগণ ‘ম্যান ইন গ্রিন’-এর জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।
তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে বলেন, ‘গেম অন হ্যায় (খেলা চলছে)!’ তিনি পিসিবি চেয়ারম্যানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকেও সাধুবাদ জানান।
এর আগে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে টেলিফোনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে ম্যাচটি খেলার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, অতীতে কঠিন সময়ে পাকিস্তান যেভাবে শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়িয়েছে, ক্রিকেটের স্বার্থেও বর্তমান সংকট সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সমাধান হওয়া উচিত।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও পাকিস্তানকে ম্যাচটি খেলার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে আইসিসি ও পিসিবির ইতিবাচক ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এদিকে আইসিসি জানিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের ওপর কোনো আর্থিক জরিমানা বা শাস্তি আরোপ করা হবে না। একই সঙ্গে ২০৩১ বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশকে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও সম্মতি দিয়েছে সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে পাকিস্তান ও ভারত গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলছে না। দুই দল কেবল আইসিসি বা আঞ্চলিক টুর্নামেন্টেই মুখোমুখি হয়ে থাকে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!