
আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দশম টি২০ বিশ্বকাপ। কলম্বো ও ভারতের বিভিন্ন শহরে মোট ৫৫টি ম্যাচের এই আসরে দক্ষিণ এশিয়ার দলগুলোর রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক বিতর্কও দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশ এবার প্রথমবারের মতো ১৯ বছরের টি২০ ইতিহাসে অনুপস্থিত। নিরাপত্তার শঙ্কা এবং আত্মসম্মান রক্ষার্থে দেশটি ভারতে খেলা থেকে সরাসরি বঞ্চিত। ফলে লিটনদের লাল-সবুজ পতাকা এবার মাঠে নয়, কেবল দর্শকের আসনে থাকবে।
আজ প্রথম ম্যাচে কলম্বোর সাগরতীরে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস। বিকেল সাড়ে ৩টায় কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ মুখোমুখি হবে স্কটল্যান্ডের, যা বাংলাদেশের জন্য সুযোগ হিসেবে এসেছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মুম্বাইয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত খেলবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে।
গ্রুপ পর্বে প্রতিদিন তিনটি করে ম্যাচ হবে। ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সুপার এইট দিয়ে নকআউট পর্ব শুরু হবে। এবারের আসরে মোট ১২টি দল অংশ নিচ্ছে, নতুন মুখ হিসেবে রয়েছে ইতালি। স্কটল্যান্ডও শেষ মুহূর্তে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।
ম্যাচ শিডিউল ও গ্রুপ অবস্থান অনুযায়ী ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়া ফেভারিট। তবে গ্রুপ ‘ডি’তে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, আরব আমিরাত ও কানাডার মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে।
রাজনৈতিক বিতর্কের কারণে কলম্বোয় ১৫ ফেব্রুয়ারির পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ এখনো অনিশ্চিত। পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে তারা ভারতের সঙ্গে ম্যাচ খেলবে না। আইসিসি বিভিন্ন চ্যানেলের মাধ্যমে ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা করছে। ম্যাচ না হলে ২ হাজার ৯০০ কোটি থেকে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
ভারত ও শ্রীলঙ্কার সহ-আয়োজনে এই আসরের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কলকাতা, মুম্বাই, আহমেদাবাদ, চেন্নাই, দিল্লি, কলম্বো ও ক্যান্ডির বিভিন্ন স্টেডিয়ামে। ফাইনাল হবে আহমেদাবাদ বা কলম্বোতে, নির্ভর করছে পাকিস্তান ও অন্যান্য দলের অবস্থানের ওপর।
বিশ্বকাপের শুরুতেই সাবেক ক্রিকেটাররা ভারতের সম্ভাবনা এগিয়ে রাখলেও পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার ফর্মকেও নজরে রাখছেন তারা।

আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দশম টি২০ বিশ্বকাপ। কলম্বো ও ভারতের বিভিন্ন শহরে মোট ৫৫টি ম্যাচের এই আসরে দক্ষিণ এশিয়ার দলগুলোর রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক বিতর্কও দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশ এবার প্রথমবারের মতো ১৯ বছরের টি২০ ইতিহাসে অনুপস্থিত। নিরাপত্তার শঙ্কা এবং আত্মসম্মান রক্ষার্থে দেশটি ভারতে খেলা থেকে সরাসরি বঞ্চিত। ফলে লিটনদের লাল-সবুজ পতাকা এবার মাঠে নয়, কেবল দর্শকের আসনে থাকবে।
আজ প্রথম ম্যাচে কলম্বোর সাগরতীরে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস। বিকেল সাড়ে ৩টায় কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ মুখোমুখি হবে স্কটল্যান্ডের, যা বাংলাদেশের জন্য সুযোগ হিসেবে এসেছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মুম্বাইয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত খেলবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে।
গ্রুপ পর্বে প্রতিদিন তিনটি করে ম্যাচ হবে। ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সুপার এইট দিয়ে নকআউট পর্ব শুরু হবে। এবারের আসরে মোট ১২টি দল অংশ নিচ্ছে, নতুন মুখ হিসেবে রয়েছে ইতালি। স্কটল্যান্ডও শেষ মুহূর্তে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।
ম্যাচ শিডিউল ও গ্রুপ অবস্থান অনুযায়ী ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়া ফেভারিট। তবে গ্রুপ ‘ডি’তে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, আরব আমিরাত ও কানাডার মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে।
রাজনৈতিক বিতর্কের কারণে কলম্বোয় ১৫ ফেব্রুয়ারির পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ এখনো অনিশ্চিত। পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে তারা ভারতের সঙ্গে ম্যাচ খেলবে না। আইসিসি বিভিন্ন চ্যানেলের মাধ্যমে ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা করছে। ম্যাচ না হলে ২ হাজার ৯০০ কোটি থেকে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
ভারত ও শ্রীলঙ্কার সহ-আয়োজনে এই আসরের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কলকাতা, মুম্বাই, আহমেদাবাদ, চেন্নাই, দিল্লি, কলম্বো ও ক্যান্ডির বিভিন্ন স্টেডিয়ামে। ফাইনাল হবে আহমেদাবাদ বা কলম্বোতে, নির্ভর করছে পাকিস্তান ও অন্যান্য দলের অবস্থানের ওপর।
বিশ্বকাপের শুরুতেই সাবেক ক্রিকেটাররা ভারতের সম্ভাবনা এগিয়ে রাখলেও পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার ফর্মকেও নজরে রাখছেন তারা।

আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দশম টি২০ বিশ্বকাপ। কলম্বো ও ভারতের বিভিন্ন শহরে মোট ৫৫টি ম্যাচের এই আসরে দক্ষিণ এশিয়ার দলগুলোর রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক বিতর্কও দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশ এবার প্রথমবারের মতো ১৯ বছরের টি২০ ইতিহাসে অনুপস্থিত। নিরাপত্তার শঙ্কা এবং আত্মসম্মান রক্ষার্থে দেশটি ভারতে খেলা থেকে সরাসরি বঞ্চিত। ফলে লিটনদের লাল-সবুজ পতাকা এবার মাঠে নয়, কেবল দর্শকের আসনে থাকবে।
আজ প্রথম ম্যাচে কলম্বোর সাগরতীরে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস। বিকেল সাড়ে ৩টায় কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ মুখোমুখি হবে স্কটল্যান্ডের, যা বাংলাদেশের জন্য সুযোগ হিসেবে এসেছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মুম্বাইয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত খেলবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে।
গ্রুপ পর্বে প্রতিদিন তিনটি করে ম্যাচ হবে। ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সুপার এইট দিয়ে নকআউট পর্ব শুরু হবে। এবারের আসরে মোট ১২টি দল অংশ নিচ্ছে, নতুন মুখ হিসেবে রয়েছে ইতালি। স্কটল্যান্ডও শেষ মুহূর্তে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।
ম্যাচ শিডিউল ও গ্রুপ অবস্থান অনুযায়ী ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়া ফেভারিট। তবে গ্রুপ ‘ডি’তে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, আরব আমিরাত ও কানাডার মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে।
রাজনৈতিক বিতর্কের কারণে কলম্বোয় ১৫ ফেব্রুয়ারির পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ এখনো অনিশ্চিত। পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে তারা ভারতের সঙ্গে ম্যাচ খেলবে না। আইসিসি বিভিন্ন চ্যানেলের মাধ্যমে ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা করছে। ম্যাচ না হলে ২ হাজার ৯০০ কোটি থেকে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
ভারত ও শ্রীলঙ্কার সহ-আয়োজনে এই আসরের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কলকাতা, মুম্বাই, আহমেদাবাদ, চেন্নাই, দিল্লি, কলম্বো ও ক্যান্ডির বিভিন্ন স্টেডিয়ামে। ফাইনাল হবে আহমেদাবাদ বা কলম্বোতে, নির্ভর করছে পাকিস্তান ও অন্যান্য দলের অবস্থানের ওপর।
বিশ্বকাপের শুরুতেই সাবেক ক্রিকেটাররা ভারতের সম্ভাবনা এগিয়ে রাখলেও পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার ফর্মকেও নজরে রাখছেন তারা।

আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দশম টি২০ বিশ্বকাপ। কলম্বো ও ভারতের বিভিন্ন শহরে মোট ৫৫টি ম্যাচের এই আসরে দক্ষিণ এশিয়ার দলগুলোর রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক বিতর্কও দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশ এবার প্রথমবারের মতো ১৯ বছরের টি২০ ইতিহাসে অনুপস্থিত। নিরাপত্তার শঙ্কা এবং আত্মসম্মান রক্ষার্থে দেশটি ভারতে খেলা থেকে সরাসরি বঞ্চিত। ফলে লিটনদের লাল-সবুজ পতাকা এবার মাঠে নয়, কেবল দর্শকের আসনে থাকবে।
আজ প্রথম ম্যাচে কলম্বোর সাগরতীরে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস। বিকেল সাড়ে ৩টায় কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ মুখোমুখি হবে স্কটল্যান্ডের, যা বাংলাদেশের জন্য সুযোগ হিসেবে এসেছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মুম্বাইয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত খেলবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে।
গ্রুপ পর্বে প্রতিদিন তিনটি করে ম্যাচ হবে। ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সুপার এইট দিয়ে নকআউট পর্ব শুরু হবে। এবারের আসরে মোট ১২টি দল অংশ নিচ্ছে, নতুন মুখ হিসেবে রয়েছে ইতালি। স্কটল্যান্ডও শেষ মুহূর্তে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।
ম্যাচ শিডিউল ও গ্রুপ অবস্থান অনুযায়ী ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়া ফেভারিট। তবে গ্রুপ ‘ডি’তে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, আরব আমিরাত ও কানাডার মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে।
রাজনৈতিক বিতর্কের কারণে কলম্বোয় ১৫ ফেব্রুয়ারির পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ এখনো অনিশ্চিত। পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে তারা ভারতের সঙ্গে ম্যাচ খেলবে না। আইসিসি বিভিন্ন চ্যানেলের মাধ্যমে ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা করছে। ম্যাচ না হলে ২ হাজার ৯০০ কোটি থেকে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
ভারত ও শ্রীলঙ্কার সহ-আয়োজনে এই আসরের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কলকাতা, মুম্বাই, আহমেদাবাদ, চেন্নাই, দিল্লি, কলম্বো ও ক্যান্ডির বিভিন্ন স্টেডিয়ামে। ফাইনাল হবে আহমেদাবাদ বা কলম্বোতে, নির্ভর করছে পাকিস্তান ও অন্যান্য দলের অবস্থানের ওপর।
বিশ্বকাপের শুরুতেই সাবেক ক্রিকেটাররা ভারতের সম্ভাবনা এগিয়ে রাখলেও পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার ফর্মকেও নজরে রাখছেন তারা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!