জনগণকে কনভিন্স করাই বিএনপির নির্বাচনি ইঞ্জিনিয়ারিং ছিল বলে মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন-জনগণকে কনভিন্স করে নিজেদের সঙ্গে নিয়ে আসাটাই ছিল আমাদের নির্বাচনের ইঞ্জিনিয়ারিং।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সারাদেশে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এবার দেশ গড়ার সময়। এ সময় সবাইকে-আমি, আপনি-সবারই ভূমিকা রাখতে হবে।’ একইসঙ্গে বিএনপি ও জোটভুক্ত নেতাকর্মীদের প্রতিও শান্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষকের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) দেশের জনগণ আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার ম্যান্ডেট দিয়েছে। জনগণ বিএনপির প্রতি যে বিশ্বাস এবং ভালোবাসা দেখিয়েছে, এবার মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য নিরলস কাজের মাধ্যমে জনগণের এ বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার পালা। আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।
কেউ যেন আইন হাতে তুলে না নেন-এমন আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘ভিন্নমত, ভিন্ন ধর্ম, ভিন্ন দল-সবার জন্য আইন সমান। কেউ আইন হাতে তুলে নিলে তা মেনে নেওয়া হবে না।’ তিনি আরও বলেন, ভিন্নমত ও ভিন্ন দলের সবার সহযোগিতা নিয়ে দেশ গড়ার কাজ করতে চায় বিএনপি।
এছাড়া, সকল দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, কোনো অপশক্তি যাতে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর সুযোগ নিতে না পারে, সেজন্য নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর আমি সারাদেশে বিএনপি এবং জোটভুক্ত দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের বিজয় মিছিল বের করতে নিষেধ করেছিলাম। আল্লাহর দরবারের শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমে আমরা বিজয় উৎসব পালন করেছি।
সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনে একে অপরের বিরুদ্ধে কিংবা একদল আরেক দলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে নির্বাচনের মাঠে হয়তো কোথাও কোথাও নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। তবে এ ধরনের বিরোধ যেন প্রতিশোধ প্রতিহিংসায় রূপ না নেয় সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
গণতন্ত্রকামী জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেভাবে আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ভূমিকা রেখেছিলাম, একইভাবে এবার দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের প্রতি জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি নিরাপদ মানবিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য যে যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখি।
বিশ্বের সব গণতান্ত্রিক শক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণের প্রতি বিজয়ের অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন তারেক রহমান।
জনগণকে কনভিন্স করাই বিএনপির নির্বাচনি ইঞ্জিনিয়ারিং ছিল বলে মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন-জনগণকে কনভিন্স করে নিজেদের সঙ্গে নিয়ে আসাটাই ছিল আমাদের নির্বাচনের ইঞ্জিনিয়ারিং।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সারাদেশে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এবার দেশ গড়ার সময়। এ সময় সবাইকে-আমি, আপনি-সবারই ভূমিকা রাখতে হবে।’ একইসঙ্গে বিএনপি ও জোটভুক্ত নেতাকর্মীদের প্রতিও শান্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষকের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) দেশের জনগণ আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার ম্যান্ডেট দিয়েছে। জনগণ বিএনপির প্রতি যে বিশ্বাস এবং ভালোবাসা দেখিয়েছে, এবার মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য নিরলস কাজের মাধ্যমে জনগণের এ বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার পালা। আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।
কেউ যেন আইন হাতে তুলে না নেন-এমন আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘ভিন্নমত, ভিন্ন ধর্ম, ভিন্ন দল-সবার জন্য আইন সমান। কেউ আইন হাতে তুলে নিলে তা মেনে নেওয়া হবে না।’ তিনি আরও বলেন, ভিন্নমত ও ভিন্ন দলের সবার সহযোগিতা নিয়ে দেশ গড়ার কাজ করতে চায় বিএনপি।
এছাড়া, সকল দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, কোনো অপশক্তি যাতে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর সুযোগ নিতে না পারে, সেজন্য নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর আমি সারাদেশে বিএনপি এবং জোটভুক্ত দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের বিজয় মিছিল বের করতে নিষেধ করেছিলাম। আল্লাহর দরবারের শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমে আমরা বিজয় উৎসব পালন করেছি।
সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনে একে অপরের বিরুদ্ধে কিংবা একদল আরেক দলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে নির্বাচনের মাঠে হয়তো কোথাও কোথাও নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। তবে এ ধরনের বিরোধ যেন প্রতিশোধ প্রতিহিংসায় রূপ না নেয় সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
গণতন্ত্রকামী জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেভাবে আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ভূমিকা রেখেছিলাম, একইভাবে এবার দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের প্রতি জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি নিরাপদ মানবিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য যে যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখি।
বিশ্বের সব গণতান্ত্রিক শক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণের প্রতি বিজয়ের অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন তারেক রহমান।
জনগণকে কনভিন্স করাই বিএনপির নির্বাচনি ইঞ্জিনিয়ারিং ছিল বলে মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন-জনগণকে কনভিন্স করে নিজেদের সঙ্গে নিয়ে আসাটাই ছিল আমাদের নির্বাচনের ইঞ্জিনিয়ারিং।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সারাদেশে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এবার দেশ গড়ার সময়। এ সময় সবাইকে-আমি, আপনি-সবারই ভূমিকা রাখতে হবে।’ একইসঙ্গে বিএনপি ও জোটভুক্ত নেতাকর্মীদের প্রতিও শান্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষকের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) দেশের জনগণ আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার ম্যান্ডেট দিয়েছে। জনগণ বিএনপির প্রতি যে বিশ্বাস এবং ভালোবাসা দেখিয়েছে, এবার মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য নিরলস কাজের মাধ্যমে জনগণের এ বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার পালা। আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।
কেউ যেন আইন হাতে তুলে না নেন-এমন আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘ভিন্নমত, ভিন্ন ধর্ম, ভিন্ন দল-সবার জন্য আইন সমান। কেউ আইন হাতে তুলে নিলে তা মেনে নেওয়া হবে না।’ তিনি আরও বলেন, ভিন্নমত ও ভিন্ন দলের সবার সহযোগিতা নিয়ে দেশ গড়ার কাজ করতে চায় বিএনপি।
এছাড়া, সকল দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, কোনো অপশক্তি যাতে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর সুযোগ নিতে না পারে, সেজন্য নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর আমি সারাদেশে বিএনপি এবং জোটভুক্ত দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের বিজয় মিছিল বের করতে নিষেধ করেছিলাম। আল্লাহর দরবারের শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমে আমরা বিজয় উৎসব পালন করেছি।
সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনে একে অপরের বিরুদ্ধে কিংবা একদল আরেক দলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে নির্বাচনের মাঠে হয়তো কোথাও কোথাও নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। তবে এ ধরনের বিরোধ যেন প্রতিশোধ প্রতিহিংসায় রূপ না নেয় সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
গণতন্ত্রকামী জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেভাবে আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ভূমিকা রেখেছিলাম, একইভাবে এবার দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের প্রতি জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি নিরাপদ মানবিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য যে যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখি।
বিশ্বের সব গণতান্ত্রিক শক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণের প্রতি বিজয়ের অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন তারেক রহমান।
জনগণকে কনভিন্স করাই বিএনপির নির্বাচনি ইঞ্জিনিয়ারিং ছিল বলে মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন-জনগণকে কনভিন্স করে নিজেদের সঙ্গে নিয়ে আসাটাই ছিল আমাদের নির্বাচনের ইঞ্জিনিয়ারিং।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সারাদেশে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এবার দেশ গড়ার সময়। এ সময় সবাইকে-আমি, আপনি-সবারই ভূমিকা রাখতে হবে।’ একইসঙ্গে বিএনপি ও জোটভুক্ত নেতাকর্মীদের প্রতিও শান্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষকের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) দেশের জনগণ আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার ম্যান্ডেট দিয়েছে। জনগণ বিএনপির প্রতি যে বিশ্বাস এবং ভালোবাসা দেখিয়েছে, এবার মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য নিরলস কাজের মাধ্যমে জনগণের এ বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার পালা। আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।
কেউ যেন আইন হাতে তুলে না নেন-এমন আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘ভিন্নমত, ভিন্ন ধর্ম, ভিন্ন দল-সবার জন্য আইন সমান। কেউ আইন হাতে তুলে নিলে তা মেনে নেওয়া হবে না।’ তিনি আরও বলেন, ভিন্নমত ও ভিন্ন দলের সবার সহযোগিতা নিয়ে দেশ গড়ার কাজ করতে চায় বিএনপি।
এছাড়া, সকল দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, কোনো অপশক্তি যাতে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর সুযোগ নিতে না পারে, সেজন্য নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর আমি সারাদেশে বিএনপি এবং জোটভুক্ত দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের বিজয় মিছিল বের করতে নিষেধ করেছিলাম। আল্লাহর দরবারের শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমে আমরা বিজয় উৎসব পালন করেছি।
সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনে একে অপরের বিরুদ্ধে কিংবা একদল আরেক দলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে নির্বাচনের মাঠে হয়তো কোথাও কোথাও নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। তবে এ ধরনের বিরোধ যেন প্রতিশোধ প্রতিহিংসায় রূপ না নেয় সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
গণতন্ত্রকামী জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেভাবে আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ভূমিকা রেখেছিলাম, একইভাবে এবার দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের প্রতি জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি নিরাপদ মানবিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য যে যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখি।
বিশ্বের সব গণতান্ত্রিক শক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণের প্রতি বিজয়ের অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন তারেক রহমান।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!