
জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ঢাকা-৮ আসনে জয়ী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। তারা আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। এজন্য তাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ভিডিওতে কৃতজ্ঞতা জানাতে দেখা যায় তাকে।
ভোটের দিন সবচেয়ে চিন্তার মুহূর্ত প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস বলেন, যখন শুনলাম কোনো কোনো কেন্দ্রে তারা আমাদের ব্যালট বাতিল করে দিচ্ছেন। এটাই ছিল সবচেয়ে চিন্তার মুহূর্ত।
নিজের ধৈর্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমি বলেছিলাম আল্লাহ আমার অনেক ধৈর্য পরীক্ষা নিচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত প্রমাণ হলো ধৈর্যের ফল ভালো হয়। তবে এটা খুব কষ্টকর ব্যাপার ছিল। ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, নির্বাচন একটা আনন্দ ও উৎসবের ব্যাপার। যুদ্ধক্ষেত্র নয়। কিন্তু কেউ কেউ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছে, যা কাম্য নয়। আসলে নির্বাচনের ক্ষেত্রটাকে নির্বাচনী ক্ষেত্রই রাখা উচিত। অথচ এটাকে প্রথম থেকে যুদ্ধক্ষেত্র বানিয়ে ফেলা হয়েছে। শুধুমাত্র নিজেকে হাইলাইটেড করার জন্য। আর কিছু নয়।
ঢাকা-৮ এর ফলাফল নিয়ে দেশবাসীর আগ্রহ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষের আগ্রহের কারণ হলো এখানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচন করেছে। তিনি কারও কারও দ্বারা খুব বিরক্ত হচ্ছেন। এ জন্য মানুষের আগ্রহটা বেশি ছিল। কারণ জনসম্মুখে যেভাবে আমাকে গালিগালাজ করা হয়েছে, এটা মানুষ আশা করেনি। এ কারণে ফলটার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন তারা।
ভোটের মাঠে কোনো কৌশল অবলম্বন করেননি জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, আসলে আমি কোনো কৌশল অবলম্বন করিনি। তবে মানুষের সামনে আমার সম্পর্কে একটা ন্যারেটিভ তৈরি করেই সে নিজেকে হাইলাইটেড করেছে। কিন্তু এটা অপকৌশল। তার জীবনে এটা প্রথম নির্বাচন হতে পারে। কিন্তু আমি তো একটা করিনি। আমার সঙ্গে আগেও অনেক বাঘা-বাঘা প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু এই নির্বাচনটা একটু ব্যতিক্রম হয়ে গেছে।

জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ঢাকা-৮ আসনে জয়ী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। তারা আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। এজন্য তাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ভিডিওতে কৃতজ্ঞতা জানাতে দেখা যায় তাকে।
ভোটের দিন সবচেয়ে চিন্তার মুহূর্ত প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস বলেন, যখন শুনলাম কোনো কোনো কেন্দ্রে তারা আমাদের ব্যালট বাতিল করে দিচ্ছেন। এটাই ছিল সবচেয়ে চিন্তার মুহূর্ত।
নিজের ধৈর্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমি বলেছিলাম আল্লাহ আমার অনেক ধৈর্য পরীক্ষা নিচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত প্রমাণ হলো ধৈর্যের ফল ভালো হয়। তবে এটা খুব কষ্টকর ব্যাপার ছিল। ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, নির্বাচন একটা আনন্দ ও উৎসবের ব্যাপার। যুদ্ধক্ষেত্র নয়। কিন্তু কেউ কেউ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছে, যা কাম্য নয়। আসলে নির্বাচনের ক্ষেত্রটাকে নির্বাচনী ক্ষেত্রই রাখা উচিত। অথচ এটাকে প্রথম থেকে যুদ্ধক্ষেত্র বানিয়ে ফেলা হয়েছে। শুধুমাত্র নিজেকে হাইলাইটেড করার জন্য। আর কিছু নয়।
ঢাকা-৮ এর ফলাফল নিয়ে দেশবাসীর আগ্রহ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষের আগ্রহের কারণ হলো এখানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচন করেছে। তিনি কারও কারও দ্বারা খুব বিরক্ত হচ্ছেন। এ জন্য মানুষের আগ্রহটা বেশি ছিল। কারণ জনসম্মুখে যেভাবে আমাকে গালিগালাজ করা হয়েছে, এটা মানুষ আশা করেনি। এ কারণে ফলটার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন তারা।
ভোটের মাঠে কোনো কৌশল অবলম্বন করেননি জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, আসলে আমি কোনো কৌশল অবলম্বন করিনি। তবে মানুষের সামনে আমার সম্পর্কে একটা ন্যারেটিভ তৈরি করেই সে নিজেকে হাইলাইটেড করেছে। কিন্তু এটা অপকৌশল। তার জীবনে এটা প্রথম নির্বাচন হতে পারে। কিন্তু আমি তো একটা করিনি। আমার সঙ্গে আগেও অনেক বাঘা-বাঘা প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু এই নির্বাচনটা একটু ব্যতিক্রম হয়ে গেছে।

জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ঢাকা-৮ আসনে জয়ী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। তারা আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। এজন্য তাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ভিডিওতে কৃতজ্ঞতা জানাতে দেখা যায় তাকে।
ভোটের দিন সবচেয়ে চিন্তার মুহূর্ত প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস বলেন, যখন শুনলাম কোনো কোনো কেন্দ্রে তারা আমাদের ব্যালট বাতিল করে দিচ্ছেন। এটাই ছিল সবচেয়ে চিন্তার মুহূর্ত।
নিজের ধৈর্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমি বলেছিলাম আল্লাহ আমার অনেক ধৈর্য পরীক্ষা নিচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত প্রমাণ হলো ধৈর্যের ফল ভালো হয়। তবে এটা খুব কষ্টকর ব্যাপার ছিল। ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, নির্বাচন একটা আনন্দ ও উৎসবের ব্যাপার। যুদ্ধক্ষেত্র নয়। কিন্তু কেউ কেউ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছে, যা কাম্য নয়। আসলে নির্বাচনের ক্ষেত্রটাকে নির্বাচনী ক্ষেত্রই রাখা উচিত। অথচ এটাকে প্রথম থেকে যুদ্ধক্ষেত্র বানিয়ে ফেলা হয়েছে। শুধুমাত্র নিজেকে হাইলাইটেড করার জন্য। আর কিছু নয়।
ঢাকা-৮ এর ফলাফল নিয়ে দেশবাসীর আগ্রহ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষের আগ্রহের কারণ হলো এখানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচন করেছে। তিনি কারও কারও দ্বারা খুব বিরক্ত হচ্ছেন। এ জন্য মানুষের আগ্রহটা বেশি ছিল। কারণ জনসম্মুখে যেভাবে আমাকে গালিগালাজ করা হয়েছে, এটা মানুষ আশা করেনি। এ কারণে ফলটার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন তারা।
ভোটের মাঠে কোনো কৌশল অবলম্বন করেননি জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, আসলে আমি কোনো কৌশল অবলম্বন করিনি। তবে মানুষের সামনে আমার সম্পর্কে একটা ন্যারেটিভ তৈরি করেই সে নিজেকে হাইলাইটেড করেছে। কিন্তু এটা অপকৌশল। তার জীবনে এটা প্রথম নির্বাচন হতে পারে। কিন্তু আমি তো একটা করিনি। আমার সঙ্গে আগেও অনেক বাঘা-বাঘা প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু এই নির্বাচনটা একটু ব্যতিক্রম হয়ে গেছে।

জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ঢাকা-৮ আসনে জয়ী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। তারা আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। এজন্য তাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ভিডিওতে কৃতজ্ঞতা জানাতে দেখা যায় তাকে।
ভোটের দিন সবচেয়ে চিন্তার মুহূর্ত প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস বলেন, যখন শুনলাম কোনো কোনো কেন্দ্রে তারা আমাদের ব্যালট বাতিল করে দিচ্ছেন। এটাই ছিল সবচেয়ে চিন্তার মুহূর্ত।
নিজের ধৈর্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমি বলেছিলাম আল্লাহ আমার অনেক ধৈর্য পরীক্ষা নিচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত প্রমাণ হলো ধৈর্যের ফল ভালো হয়। তবে এটা খুব কষ্টকর ব্যাপার ছিল। ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, নির্বাচন একটা আনন্দ ও উৎসবের ব্যাপার। যুদ্ধক্ষেত্র নয়। কিন্তু কেউ কেউ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছে, যা কাম্য নয়। আসলে নির্বাচনের ক্ষেত্রটাকে নির্বাচনী ক্ষেত্রই রাখা উচিত। অথচ এটাকে প্রথম থেকে যুদ্ধক্ষেত্র বানিয়ে ফেলা হয়েছে। শুধুমাত্র নিজেকে হাইলাইটেড করার জন্য। আর কিছু নয়।
ঢাকা-৮ এর ফলাফল নিয়ে দেশবাসীর আগ্রহ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষের আগ্রহের কারণ হলো এখানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচন করেছে। তিনি কারও কারও দ্বারা খুব বিরক্ত হচ্ছেন। এ জন্য মানুষের আগ্রহটা বেশি ছিল। কারণ জনসম্মুখে যেভাবে আমাকে গালিগালাজ করা হয়েছে, এটা মানুষ আশা করেনি। এ কারণে ফলটার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন তারা।
ভোটের মাঠে কোনো কৌশল অবলম্বন করেননি জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, আসলে আমি কোনো কৌশল অবলম্বন করিনি। তবে মানুষের সামনে আমার সম্পর্কে একটা ন্যারেটিভ তৈরি করেই সে নিজেকে হাইলাইটেড করেছে। কিন্তু এটা অপকৌশল। তার জীবনে এটা প্রথম নির্বাচন হতে পারে। কিন্তু আমি তো একটা করিনি। আমার সঙ্গে আগেও অনেক বাঘা-বাঘা প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু এই নির্বাচনটা একটু ব্যতিক্রম হয়ে গেছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!