নোট-গাইড বই ছাপানো ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, তড়িঘড়ি করে লাখ লাখ কপি গাইড বই ছাপাবেন না। এবার ধরা পড়তে হবে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গাইড বইওয়ালারা (প্রকাশক) একটু সাবধানে থাকবেন। তড়িঘড়ি করে লাখ লাখ কপি গাইড বই ছাপাবেন না। এবার কিন্তু ধরা খাবেন, নিশ্চিত বলে দিচ্ছি, ধরা খাবেন।’
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, শুধু সনদ দেওয়ার জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। বরং সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি এবং তাঁদের দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছে।
তিনি বলেন, অনেকের শিক্ষাজীবন শুরু হলেও বিভিন্ন কারণে তা শেষ করা সম্ভব হয় না। তাঁদের লেখাপড়ায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। এটাই উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল দায়িত্ব।
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষাকে আরও সহজলভ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে অনিয়মিত শিক্ষার্থীরাও বয়সের বাধা পেরিয়ে পড়াশোনার সুযোগ পান। শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক করার ধারাবাহিকতায় উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও যুগোপযোগী করা হবে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে আধুনিক ও উন্নত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
দেশের জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি ‘বেইজিং অ্যাগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষর করা হয়েছে। এর মাধ্যমে চীনের সঙ্গে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করে এ খাতে আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত ইনস্টিটিউট অব টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের (আইটিভেট) শিক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এবং গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে অংশ নেন। এ ছাড়া পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য নয় শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। শিক্ষামন্ত্রী তাঁদের হাতে সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেন।
নোট-গাইড বই ছাপানো ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, তড়িঘড়ি করে লাখ লাখ কপি গাইড বই ছাপাবেন না। এবার ধরা পড়তে হবে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গাইড বইওয়ালারা (প্রকাশক) একটু সাবধানে থাকবেন। তড়িঘড়ি করে লাখ লাখ কপি গাইড বই ছাপাবেন না। এবার কিন্তু ধরা খাবেন, নিশ্চিত বলে দিচ্ছি, ধরা খাবেন।’
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, শুধু সনদ দেওয়ার জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। বরং সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি এবং তাঁদের দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছে।
তিনি বলেন, অনেকের শিক্ষাজীবন শুরু হলেও বিভিন্ন কারণে তা শেষ করা সম্ভব হয় না। তাঁদের লেখাপড়ায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। এটাই উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল দায়িত্ব।
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষাকে আরও সহজলভ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে অনিয়মিত শিক্ষার্থীরাও বয়সের বাধা পেরিয়ে পড়াশোনার সুযোগ পান। শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক করার ধারাবাহিকতায় উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও যুগোপযোগী করা হবে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে আধুনিক ও উন্নত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
দেশের জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি ‘বেইজিং অ্যাগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষর করা হয়েছে। এর মাধ্যমে চীনের সঙ্গে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করে এ খাতে আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত ইনস্টিটিউট অব টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের (আইটিভেট) শিক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এবং গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে অংশ নেন। এ ছাড়া পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য নয় শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। শিক্ষামন্ত্রী তাঁদের হাতে সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেন।
নোট-গাইড বই ছাপানো ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, তড়িঘড়ি করে লাখ লাখ কপি গাইড বই ছাপাবেন না। এবার ধরা পড়তে হবে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গাইড বইওয়ালারা (প্রকাশক) একটু সাবধানে থাকবেন। তড়িঘড়ি করে লাখ লাখ কপি গাইড বই ছাপাবেন না। এবার কিন্তু ধরা খাবেন, নিশ্চিত বলে দিচ্ছি, ধরা খাবেন।’
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, শুধু সনদ দেওয়ার জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। বরং সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি এবং তাঁদের দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছে।
তিনি বলেন, অনেকের শিক্ষাজীবন শুরু হলেও বিভিন্ন কারণে তা শেষ করা সম্ভব হয় না। তাঁদের লেখাপড়ায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। এটাই উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল দায়িত্ব।
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষাকে আরও সহজলভ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে অনিয়মিত শিক্ষার্থীরাও বয়সের বাধা পেরিয়ে পড়াশোনার সুযোগ পান। শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক করার ধারাবাহিকতায় উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও যুগোপযোগী করা হবে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে আধুনিক ও উন্নত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
দেশের জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি ‘বেইজিং অ্যাগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষর করা হয়েছে। এর মাধ্যমে চীনের সঙ্গে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করে এ খাতে আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত ইনস্টিটিউট অব টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের (আইটিভেট) শিক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এবং গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে অংশ নেন। এ ছাড়া পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য নয় শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। শিক্ষামন্ত্রী তাঁদের হাতে সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেন।
নোট-গাইড বই ছাপানো ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, তড়িঘড়ি করে লাখ লাখ কপি গাইড বই ছাপাবেন না। এবার ধরা পড়তে হবে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গাইড বইওয়ালারা (প্রকাশক) একটু সাবধানে থাকবেন। তড়িঘড়ি করে লাখ লাখ কপি গাইড বই ছাপাবেন না। এবার কিন্তু ধরা খাবেন, নিশ্চিত বলে দিচ্ছি, ধরা খাবেন।’
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, শুধু সনদ দেওয়ার জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। বরং সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি এবং তাঁদের দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছে।
তিনি বলেন, অনেকের শিক্ষাজীবন শুরু হলেও বিভিন্ন কারণে তা শেষ করা সম্ভব হয় না। তাঁদের লেখাপড়ায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। এটাই উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল দায়িত্ব।
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষাকে আরও সহজলভ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে অনিয়মিত শিক্ষার্থীরাও বয়সের বাধা পেরিয়ে পড়াশোনার সুযোগ পান। শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক করার ধারাবাহিকতায় উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও যুগোপযোগী করা হবে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে আধুনিক ও উন্নত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
দেশের জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি ‘বেইজিং অ্যাগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষর করা হয়েছে। এর মাধ্যমে চীনের সঙ্গে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করে এ খাতে আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত ইনস্টিটিউট অব টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের (আইটিভেট) শিক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এবং গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে অংশ নেন। এ ছাড়া পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য নয় শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। শিক্ষামন্ত্রী তাঁদের হাতে সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!